চট্টগ্রামের পাঠকপ্রিয় অনলাইন

বিশ্বকাপ ফুটবল-২০১৮তে বিদেশি পতাকা ওড়ানো বন্ধে হাইকোর্টে রিট

সিটিজি বাংলা: বিশ্বকাপ ফুটবল-২০১৮ উপলক্ষে দেশের শহর, নগর ও বন্দরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, বাড়ির ছাদে বিদেশি পতাকা ওড়ানো ও ব্যবহার বন্ধে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে।

১৮ মে রোববার মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ নুরুল আমিনের পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট রিনা আক্তার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করেন।সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট দেওয়ান আব্দুন নাসের রিটের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রিট আবদনে বলা হয়, আগামী ১৪ জুন’ ২০১৮ তারিখ থেকে রাশিয়ায় ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। অতীতে দেখা গেছে, ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দলের বাংলাদেশি সমর্থকেরা দেশের বিভিন্ন স্থানে বিদেশি পতাকা উত্তোলন করেন।তিনি বলেন, সোমবার বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিট আবেদনটি শুনানি হতে পারে।

আর্জিতে আরও বলা হয়, রিটকারী একজন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকার জন্য তিনি জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিলেন। দেশের পতাকা বিধিমালার এমন প্রকাশ্য ও নির্বিচার লঙ্ঘন দেখে রিটকারী অত্যন্ত ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ। এমতাবস্থায় আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপ বা অন্য কোনো উপলক্ষে বাংলাদেশে সরকারের বিনা অনুমোদনে কোনো প্রকার বিদেশি পতাকা উত্তোলন নিষিদ্ধ করে স্বরাষ্ট্র সচিবকে একটি নির্দেশনা জারির আবেদন জানানো হয়েছে।এ ছাড়া রিটে দেশের বিভিন্ন স্থানে ইতোমধ্যে উত্তোলিত বিদেশি পতাকা নামিয়ে ফেলার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করবেন অ্যাডভোকেট দেওয়ান আবদুন নাসের।

প্রসঙ্গত: এবারের বিশ্বকাপ উপলক্ষেও ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিদেশি পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে।বিশেষ করে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, জার্মানি ইত্যাদি দেশের বড় বড় পতাকায় সারা বাংলাদেশ ছেয়ে যায়। অথচ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২-এর বিধান অনুযায়ী, বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি কূটনৈতিক মিশনসমূহ ছাড়া অন্য কোনো স্থানে অন্য রাষ্ট্রের পতাকা উত্তোলন করতে হলে বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে। সেই বিধান লঙ্ঘন করে ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে নির্বিচারে দেশব্যাপী বিদেশি পতাকা উত্তোলন করা হয়।

READ  তরুণদের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়বার স্বপ্নের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*