চট্টগ্রামের পাঠকপ্রিয় অনলাইন

কক্সবাজারের রামুতে বৈঠকে বিচারককে ছুরিকাঘাতে খুন করে পালিয়েছে দুর্বৃত্তরা

সিটিজি বাংলা, কক্সবাজার প্রতিনিধি:

 

কক্সবাজার জেলার রামুতে গ্রাম্য বৈঠকে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করার খবর পাওয়া গেছে।

১ জুলাই রোববার রাত ৮টার দিকে জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের উত্তর মিঠাছড়ি আশকরখিল কালুর দোকান স্টেশনে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

 

নিহতের নাম রমিজ আহমদ (৪২)। নিহত রমিজ রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের উত্তর মিঠাছড়ি দক্ষিণপাড়া এলাকার সুলতান আহমদের ছেলে বলে জানা গেছে।

 

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, এদের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ ছিল। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাতেই সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 

এদিকে রামু থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ছানা উল্লাহ জানিয়েছেন, ওই এলাকায় একটি ইটভাটার লেনদেন সংক্রান্ত বৈঠকে ২ যুবক এসে রমিজ আহমদকে ছুরিকাঘাত করে। পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে তিনি মারা যান।

 

স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুস ছালাম কালু জানিয়েছেন, রাতে স্থানীয় কালুর দোকান নামক স্টেশনে ইটভাটা মালিক আবদুল্লাহ কোম্পানির সঙ্গে ও দিল মোহাম্মদ নামের এক ইটভাটার মাঝির টাকার লেনদেন সংক্রান্ত বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। ওই বৈঠকে বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রমিজ আহমদ।

ওই বৈঠকে রামুর উত্তর মিঠাছড়ি উত্তর পাড়া এলাকার নজির আহমদের ছেলে মুবিন (২২) ও আরেক রমিজ আহমদ (২৫) সহ কয়েক দুর্বৃত্ত ছুরি নিয়ে এসে রমিজ আহমদকে অতর্কিত হামলা চালায় এবং তাকে কেউ কিছু বুঝে উঠার আগেই উপযোপুরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।

পরে তাকে মুমুর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। এ ঘটনার পর থেকে এলাকায় ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। খুনের ঘটনাটি শুনে ঘটনা স্থলে পুলিশের দল আসে।

 

এলাকাবাসী জানায়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে মনে করছেন তারা। নিহত রমিজ আহমদ বিগত ইউপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যান। ওই নির্বাচনকে মুবিন ও রমিজ আহমদের বড় ভাই যুবলীগ নেতা ইউনুসও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যান। আর তাই নিয়ে তাদের মধ্যে আগে থেকেই দ্বন্দ্ব চলছিল।

READ  “আমাদের সাঈদী সাহেব অনেক মুসলমান বানাইছেন'' (ভিডিও)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*