চট্টগ্রামের পাঠকপ্রিয় অনলাইন

…মৃত্যু কতটা নির্মম হলে দেখা মিলে প্রধানমন্ত্রীর…?

সরোয়ার সুমনের টাইমলাইন থেকে নেয়াঃ

আমাদের পানিসম্পদ মন্ত্রীর নাম জানেনতো? আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। উনার পতাকা লাগানো গাড়িটি চালান যিনি, লাইসেন্স নেই তার। আজ মন্ত্রীকে তাই সেই গাড়ি থেকে নামিয়ে অন্য গাড়িতে চড়িয়েছে আমাদের নতুন প্রজন্ম। আগেরদিন উল্টোপথে গাড়ি চালানো বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদকে ফিরিয়ে দিতেও দ্বিধা করেনি তারা। নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাজপথে থাকা লাখো কিশোরের চ্যালেঞ্জে এখন দিশেহারা সবাই।

আন্দোলনের এ ঢেউটা ২৭ জুলাই শুরু হয়েছিলো কর্ণফুলির তীর থেকে। সন্দ্বীপের ছেলে পায়েলের মর্মান্তিক মৃত্যু প্রথমে ক্ষোভে উত্তাল করে চট্টগ্রাম। এরপর ঢাকায় দিয়া ও করিমের মৃত্যু আন্দোলনের ঢেউ নিয়ে যায় সারা দেশে।

লাগামছাড়া এ পাগলা সময়ে আজ নজর কাড়লেন প্রধানমন্ত্রী। সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণ হারানো রাজধানীর দিয়া খানম মিম ও আব্দুল করিমের পরিবারকে ডেকে নিয়ে ২০ লাখ টাকা করে ৪০ লাখ টাকা দিয়েছেন তিনি। কিন্তু যার মৃত্যুতে সবচেয়ে বেশি কেঁদেছে মানবতা সেই পায়েলের পরিবারের এখনো কোন খোঁজ নেয়নি প্রশাসন। পায়েলের শোকাহত পরিবারকে সান্তনা দিতে এখনও তাদের বাসায় আসার সময় পাননি সন্দ্বীপের এমপি মাহফুজুর রহমান মিতা। আর স্থানীয় এমপি ডা.আফসারুল আমীন এসেছেন আজ ঘটনার ১২ দিন পর!

ঢাকা ও চট্টগ্রামের পার্থক্যটা এখানেই। ঢাকায় দিয়া ও করিমদের দেখতে মন্ত্রী যায়। তাদের সান্তনা দেন প্রধানমন্ত্রী। তারা পায় ক্ষতিপূরণও। আর আমরা সবচেয়ে নির্মম মৃত্যুর পরও পায় না প্রধানমন্ত্রীর দেখা।

আচ্ছা, মৃত্যু কতটা নির্মম হলে দেখা মিলবে প্রধানমন্ত্রীর? ঘটনা কতটা আলোচিত হলে মামলা যাবে দ্রুত বিচারে? এসব প্রশ্নের উত্তর পাবেন কাল ৩ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টায়। আসুন সিটি গেইটে। হাত ধরুন শক্ত হাতে… স্লোগান ধরুন বজ্রকন্ঠে…

সরোয়ার সুমন, ব্যুরো প্রধান, দৈনিক সমকাল।

READ  রনির উপর মিথ্যা মামলা ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে মানববন্ধন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*