চট্টগ্রামের পাঠকপ্রিয় অনলাইন

ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারবে কি বাংলাদেশ

সিটিজি বাংলাঃ

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০৫ সালে সর্বশেষ সিরিজে হেরেছিল বাংলাদেশ। এর পর থেকে ঘরের মাঠে তাদের কাছে কোনো ওয়ানডে সিরিজ হারেনি লাল-সবুজের দল। সে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারবেন কি মাশরাফি-মুশিফিকরা। অবশ্য সিরিজ জয়ে বেশ আশাবাদী বাংলাদেশ। আজ রোববার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে মাঠে গড়াবে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে। বাংলাদেশ  সময় দুপুর আড়াইটায় শুরু হবে ম্যাচটি।

দেশের মাটিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আটটি ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে একটি বাদে সবকটিতেই জিতেছে টাইগাররা। নিজেদের মাটিতে ২০০১ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে সিরিজে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয় টাইগাররা। তবে এর পর আর কোনো ওয়ানডে সিরিজ হারেনি বাংলাদেশ। তাই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় সিরিজে দুর্দান্ত রেকর্ডটি ধরে রাখার মিশন টাইগারদের।

তবে এই ধরে রাখার মিশনে বাংলাদেশকে নামতে হচ্ছে দলের দুই সেরা খেলোয়াড়কে ছাড়া। আঙুলের চোটের কারণে এই সিরিজে দলে নেই সাকিব আল হাসান। কব্জির ইনজুরির কারণে খেলতে পারবেন না তামিম ইকবাল। তারপরও দলে যাঁরা আছেন, তাঁদের নিয়ে যে লড়াই করার যায়, সেটি দেখিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।

গেল মাসে শেষ হওয়া এশিয়া কাপে সাকিব-তামিমকে ছাড়াই ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই চোটে আক্রান্ত হন তামিম। এর পর আর কোনো ম্যাচই খেলতে পারেননি তিনি। তবে হাতের ইনজুরি নিয়ে এশিয়া কাপে চার ম্যাচ খেলেছেন সাকিব। সুপার ফোরে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি তিনি। সুপার ফোরের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। ফাইনালে সাকিব-তামিমকে ছাড়াই দুর্দান্ত লড়াই করেছে টাইগাররা। শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে শেষ বল পর্যন্ত লড়াই করে ম্যাচ হারে বাংলাদেশ।

সেই সিরিজের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স সাহস জোগাচ্ছে বাংলাদেশকে। বিশেষ করে সাকিব-তামিমের জায়গায় মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ ও মোহাম্মদ মিঠুনদের দায়িত্ব নিতে হবে।

READ  স্নায়ুক্ষয়ী টাইব্রেকার পরীক্ষায় ডেনমার্ককে বিদায় দিয়ে সেরা আটে ক্রোয়েশিয়া

নতুন মুখ ফজলে রাব্বির দিকেও চোখ থাকবে সবার। কারণ বাঁ-হাতে ব্যাটিং ছাড়াও বল ঘোরাতেও পারদর্শী তিনি। ঘরোয়া আসরে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৬৮ ম্যাচে সাতটি সেঞ্চুরি ও ১৭টি হাফ-সেঞ্চুরিতে ৩৭১৫ রান করেছেন রাব্বি। বল হাতে ২৮ উইকেট শিকার রয়েছে তাঁর। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ৮০ ম্যাচে চারটি সেঞ্চুরি ও ১২টি হাফ-সেঞ্চুরিতে ২২০০ রান করেন ৩০ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার। বল হাতে ২৭ উইকেটও নিয়েছেন তিনি। তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে ভালো কিছু করতে পারেননি রাব্বি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*