চট্টগ্রামের পাঠকপ্রিয় অনলাইন

বিরোধীদলীয় নেত্রীর সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

সিটিজি বাংলা২৪ ডটকম :: দুর্বৃত্তদের খুঁজে বের করতে বিরোধীদলীয় নেত্রীর সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৮ নভেম্বর বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে দশম জাতীয় সংসদের অষ্টম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেত্রী রওশন এরশাদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবের উত্তরে এ সহায়তা চান তিনি।

প্রশ্নোত্তর পর্বে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘ছিটমহলগুলোকে এত বছর পর আমাদের দেশের ভেতর আনতে পারায় আমি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। তবে আমি জানতে চাই, আমাদের সময়ে ছিটমহলগুলোতে দুর্বৃত্ত ও চোরাকারবারিদের অভয়ারণ্য ছিল। এখন তারা কোথায় গেছে, কীভাবে আছে বা আমাদের দেশের ভেতর ঢুকে পড়েছে কি না?’

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘উনি (রওশন এরশাদ) শঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে একসময় ছিটমহলে দুর্বৃত্ত ছিল। হ্যাঁ, একসময় হয়তো ছিল কারণ সেখানে কারোরই সম্পদ ছিল না। কিন্তু বর্তমানে অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে, এখন তারা কোথায় গেল সেই উত্তর এই মুহূর্তে আমি ওনাকে দিতে পারছি না। তবে ওনার কাছে যদি দুর্বৃত্তদের তালিকা থাকে এবং যদি তা আমাকে দিতে পারেন যাতে আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারি। ছিটমহলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমি সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব আরো বাড়ানো উচিত দাবি করে রওশন এরশাদ আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যখন আলোচনা করেন তখন আমরাও জানতে পারি আর জনগণও জানতে পারে। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তরের সময় বাড়িয়ে সপ্তাহে দুই বা তিনদিন হওয়া উচিত। এ ছাড়া বড় বড় উত্তরগুলো পঠিত বলে গণ্য হলে সংসদে অন্যরা আরো বেশি প্রশ্ন করতে পারেন।’

এ বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এত লম্বা পড়া স্কুলজীবনের পর আর পড়া হয়নি। কিন্তু এখন আমি পড়ি এ জন্যই যে শুধু মাননীয় সংসদ সদস্যরাও না দেশের মানুষ জানতে পারে আমরা কী কী কাজ করি, মানুষের জন্য সংসদে কী কাজ করছি। সে জন্যই আমি সংসদে আবার পড়ি। তবে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সংসদে বেশি উপস্থিত থাকি। অনেক সময় কাজের কারণে থাকতে পারি না। তারপরও যেখানেই থাকি না কেন আমি তা শোনার চেষ্টা করি।’

READ  শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে চারজনের মৃত্যু

এ সময় মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি বাস্তবায়ন করে ছিটমহল সমস্যা নিরসনে ভারতের সব সংসদ সদস্যকে আবারও ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*