চট্টগ্রামের পাঠকপ্রিয় অনলাইন

নাটকীয় জয় পেল চট্টগ্রাম

সিটিজি বাংলা২৪ ডটকম :: রোববার বিপিএেেল প্রথম ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের কাছে শেষ ওভারের জুয়ায় হেরে গিয়েছিল চিটাগং ভাইকিংস। সোমবার আর ভাগ্যবিমুখ হয়নি তামিম বাহিনীর। মোহাম্মদ আমেরের করা শেষ ওভারে ৯ রানের সমীকরণে সিলেট সুপার স্টারসকে বেঁধে রাখতে সক্ষম হয়েছে চিটাগং। অনেক নাটকীয়তা ও তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে সিলেটকে ১ রানে হারিয়েছে চিটাগং। এবার বিপিএলে এটি তাদের প্রথম জয়।

প্রথমে ব্যাট করে তামিম ও ইয়াসির আলীর হাফ সেঞ্চুরিতে চিটাগং ভাইকিংস ৫ উইকেটে ১৮০ রান তুলে। জবাবে ৬ উইকেটে ১৭৯ রান করতে সমর্থ হয় মুশফিকুর রহিমের সিলেট। চিটাগংয়ের শফিউল ইসলাম ম্যাচ সেরা হন।

১৮১ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে দিলশান মুনাবীরার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৬ ওভারেই ৬৫ রান তোলে। দিলশানের করা দ্বিতীয় ওভারে ছয়টি চার মানের মুনাবীরা। সপ্তম ওভারে চিটাগংকে ব্রেক থ্রু এনে দেন শফিউল। জুনায়েদ ৫ রান করে বোল্ড হন। মুনাবীরাকে থামিয়েছেন সাঈদ আজমল। দলীয় ৭৬ রানে জীবন মেন্ডিসের হাতে ক্যাচ দেয়ার আগে মুনাবীরা ৩০ বলে ৬৪ রান (১৩ চার, ১ ছয়) করেন। ওই রানেই আজমলের বলে মুমিনুল (২) এলবির ফাঁদে পড়েন।

চতুর্থ উইকেটে অধিনায়ক মুশফিক ও নুরুল হাসান সোহান ৫৫ রানের জুটি গড়েন। শফিউলের বলে এলবিডব্লিউ হন নুরুল ২০ বলে ৩২ রান করেন। মুশফিক একপ্রান্ত আগলে থাকলেও নাজমুল মিলন (৯), শহীদরা (৩) টিকতে পারেননি উইকেটে। শেষ ১২ বলে ২১ রানের সমীকরণটা সহজ হয়ে যায় তাসকিনের করা ১৯তম ওভারেই। এক ছক্কাসহ ১২ রান আসে ওই ওভারে।  আমেরের করা শেষ ওভারের প্রথম বলে মুশফিক সিঙ্গেল নেন। পরের দুই বলে রান নিতে পারেননি অজান্থা মেন্ডিস। চতুর্থ বলে বাই থেকে প্রান্ত বদল করেন তারা। পঞ্চম বলে চার মেরে উত্তেজনার পারদ বাড়িয়ে দেন মুশফিক। কিন্তু শেষ বলে তিন রান দরকার হলেও মুশফিক নিতে পেরেছেন ১ রান। ৩৪ বলে ৫০ রান (৩ চার, ২ছয়) করে অপরাজিত থাকেন সিলেটের অধিনায়ক। চিটাগংয়ের শফিউল ৩টি, আজমল ২টি করে উইকেট নেন।

READ  ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত বিপজ্জনক ও অন্যায্য : আরব লিগ

এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নামা চিটাগং ভাইকিংস ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই দিলশানের (০) উইকেট হারায়। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে অধিনায়ক তামিম ও তরুণ ইয়াসির আলীর ৭৯ রানের জুটিতে বড় স্কোরের ভিত পায় দলটি। টানা দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি করা তামিম অজান্থা মেন্ডিসের বলে শর্ট থার্ড ম্যানে ক্যাচ দিলে বিচ্ছিন্ন হয় এই জুটি। ৪৫ বলে ৬৯ রান (৬ চার, ৪ ছয়) করেন তিনি। নাজমুল হোসেন অপুর বলে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হন এনামুল হক বিজয় (৩)। জীবন মেন্ডিস আউট হন ২০ রান করে।

তারপরও চিটাগংয়ের রানটা দেড়শো ছাড়িয়েছে তরুণ ইয়াসির আলী রাব্বির ব্যাটে। ইনিংসের শেষ বলে রানআউট হওয়ার আগে ৫২ বলে ৬১ রান (১ চার, ৪ ছয়) করেন ডানহাতি এ ব্যাটসম্যান। অপরাজিত ১৫ রান করেন জিয়াউর রহমান। সিলেটের অজান্থা মেন্ডিস, শুভাশীষ, নাজমুল অপু ও শহীদ ১টি করে উইকেট নেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*