চট্টগ্রামের পাঠকপ্রিয় অনলাইন

Author Archives: Delwar Hossain

মাদারবাড়ি উদয়ন সংঘের ক্রিকেট কমিটি গঠিত

মাদারবাড়ি উদয়ন সংঘের কার্যকরী পরিষদের এক সভা ক্লাবের স্থায়ী মাঝিরঘাট রোডস্থ কার্যালয়ে ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন এর সভাপতিত্বে নুরুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে সিজেকেএস ২য় বিভাগ ক্রিকেট লীগে ২০১৮-২০১৯ অংশগ্রহণ করায় খেলা পরিচালনা করার জন্য সভার সর্বসম্মতিক্রমে প্রাইম স্টীল কর্পোরেশনের স্বত্ত্বাধিকারী সুদীপ দাশকে চেয়ারম্যান, এ.এম ট্রেডিং এর আলী নেওয়াজকে সম্পাদক ও আজওয়াদ ট্রেডিং এর স্বত্ত্বাধিকারী আবদুল আজিজ বাবলুকে ম্যানেজার করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন সিজেকেএস কাউন্সিলর আলী আহমদ, সিজেকেএস কাউন্সিলর মশিউল আলম স্বপন, ক্লাবের নির্বাহী সদস্য ২৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের, সহ-সভাপতি আবদুল হাই, ঈছা মোহাম্মদ দুলাল, শাহীন সরওয়ার, মনির উদ্দিন সেলিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান মুক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক মুস্তাকিম আহমদ গুড্ডু, ক্রীড়া সম্পাদক এস.এম. মুছা বাবলু, সমাজসেবা সম্পাদক ইকবাল হোসেন, নির্বাহী সদস্য ইকবাল খাঁন, নির্বাহী সদস্য হাসান মুরাদ, নির্বাহী সদস্য শাহরিয়ার হাসান, নির্বাহী সদস্য আবছার উদ্দিন প্রমুখ। সভায় উক্ত ক্রিকেট কমিটির সফলতা কামনা করা হয়।

টিকটক করতে নদীতে ঝাঁপ দেওয়া তরুণের লাশ উদ্ধার

সিলেটে টিকটক করতে নদীতে ঝাঁপ দেওয়া আবদুস সামাদের (১৮) লাশ তিন দিন পর উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার বিকেল তিনটার দিকে সিলেটের বিশ্বনাথ লামাকাজি এলাকার সুরমা নদী থেকে লাশ উদ্ধার করে বিশ্বনাথ থানা–পুলিশ। আবদুস সামাদ সিলেট নগরের বাগবাড়ি এলাকার মৃত শামসুল হকের ছেলে।

বিশ্বনাথ থানা-পুলিশ সূত্র জানায়, আজ দুপুরে লামকাজি এলাকার সুরমা নদীতে একটি লাশ ভেসে উঠতে দেখে স্থানীয়রা থানায় জানায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

গত শুক্রবার বিকেল পাঁচটার দিকে সিলেটের টুকের বাজার শাহজালাল তৃতীয় সেতু থেকে টিকটক ভিডিও করতে বন্ধুর সঙ্গে বাজি ধরে নদীতে ঝাঁপ দেন আবদুস সামাদ। তাঁর বন্ধু মিলন আহমদ (১৮) সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও সামাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। সিলেট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের ডুবুরিরা শনিবার সারা দিন সুরমা নদীতে অভিযান চালালেও তাঁকে উদ্ধার করতে পারেননি।

স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সামাদ, মিলন ও আরেক বন্ধু মিলে টুকের বাজার এলাকার তৃতীয় শাহজালাল সেতুতে যান। এ সময় সামাদ ও মিলন টিকটক ভিডিও করতে নিজেদের মধ্যে বাজি ধরে সেতু থেকে লাফ দেন। তাদের সঙ্গে থাকা অপর বন্ধু ভিডিও ধারণ করেন। একপর্যায়ে মিলন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও সামাদ নদীর প্রবল স্রোতে তলিয়ে যান। স্থানীয় লোকজন মিলনকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুদ্দোহা জানান, আজ বিকেল তিনটার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। লাশটি কয়েক দিন পানিতে থাকার কারণে ফুলে গেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে। সুরতহাল শেষে লাশ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

জাপার প্রস্তাবে সায় নেই সরকারের

সাবেক প্রেসিডেন্ট, সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা এবং জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দাফন সংক্রান্ত প্রস্তাবে সায় মেলেনি সরকারের। মৃত্যুর পর এরশাদকে রাষ্ট্রীয়ভাবে দাফন করতে সরকারকে প্রস্তাব দিয়েছিলো জাতীয় পার্টি। কিন্তু সেই প্রস্তাব নাকচ করে দেয়া হয়েছে।

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের শরিক জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও বিরোধীদলীয় চীফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গা এমপি’র চিঠির ভিত্তিতে গতকাল (১৪ই জানুয়ারি) সরকারের এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

‘হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ- এর মৃত্যু পরবর্তী রাষ্ট্রীয়ভাবে দাফন সংক্রান্ত’ শিরোনামে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিধি অধিশাখার উপসচিব মো. সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত মসিউর রহমান রাঙ্গাকে দেয়া চিঠিতে বলা হয়, আপনার পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, দি প্রেসিডেন্ট (রিম্যুনারেশন এন্ড প্রিভিলেজ) অ্যাক্ট, ১৯৭৫(২০১৬ সালের মে পর্য্ন্ত সংশোধিত) অনুযায়ী সাবেক প্রেসিডেন্টদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের কোন বিধান নেই। এছাড়া সাবেক প্রেসিডেন্টদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের বিষয়ে কোন নজির নেই। সাবেক সেনাপ্রধান এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার মৃত্যু পরবর্তী রাষ্ট্রীয় দাফনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক কোন কাযক্রম গ্রহণেরও কোন বিধান বা নজির নেই। জাতীয় পার্টি সূত্রে জানা গেছে, সরকারের এ সিদ্ধান্তের কথা এরই মধ্যে তারা জেনেছেন।

তরল দুধে ক্ষতিকর অ্যান্টিবায়োটিক : যা বলছে ‘ক্যাব’

বাজারে থাকা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্যাকেটজাত (পাস্তরিত) দুধের নুমনা পরীক্ষায় ক্ষতিকর অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি পাবার প্রতিবেদন প্রকাশ করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল রিচার্স সেন্টারের পরিচালক ও ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক এর বিরুদ্ধে প্রাণী সম্পদ বিভাগ, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয় গবেষনা প্রতিবেদন নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রদান করায় ভোক্তা স্বার্থ ক্ষুন্œ হয়েছে, গবেষনাটি দশে নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণে সহায়ক হবে বলে দাবি করেছেন দেশের ক্রেতা-ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষনকারী প্রতিষ্ঠান কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রাম বিভাগ ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ। সম্প্রতি পাস্তুরিত দুধের মান ও গবেষনা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে পত্রপত্রিকা ও মিডিয়াতে প্রকাশিত তথ্য ও পরবর্তীতে মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ এর পর এক বিবৃতিতে ক্যাব নেতৃবৃন্দ বলেন দুধের পরীক্ষায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তেইশটি প্যারামিটার নির্ধারন করলেও বাংলাদেশে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) মাত্র ০৯টি অনুজীব ও ব্যাকটেরিয়া পরীক্ষা করে থাকেন। প্রফেসর এ বি এম ফারুক ১৮টি প্যারামিটার অ্যান্টিবায়েটিক, কলিফর্ম, ব্যাকটেরিয়া ও ডিটারজেন্ট পরীক্ষা করেছেন। যাতে চার ধরনের অ্যন্টিবায়েটিকের অস্থিত্ব পাওয়া গেছে যা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক। কিন্তু প্রাণিসম্পদ বিভাগ নমুনা সংগ্রহ ও গবেষনা তথ্য সর্বসাধারনের কাছে প্রকাশ করার বিষয়ে প্রশ্ন তুললেও নমুনা সব সময় গ্রাহক পর্যায়(বাজার) থেকে সংগ্রহ করার বিধান। কারন উৎস স্থল হতে নমুনা সংগ্রহ করা হলে নমুনায় প্রকৃত তথ্য বের হয়ে আসবে না। উন্নত দেশগুলিতে তেইশটি প্যারামিটারে দুধের পরীক্ষা করার বিধান থাকলেও রাস্ট্রীয় মান নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর সীমাবদ্ধতা ও সক্ষমতা না থাকায় দেশে তা সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়াও গবেষনা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করলে দেশে মুক্ত চিন্তা, মতপ্রকাশ ও স্বাধীনতা খর্ব হবে মলে মতপ্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীন শিক্ষক, বায়োমেডিকেল রিচার্স সেন্টারের পরিচালক ও ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আবম ফারুক নিতান্তই জাতির বিবেকের তাড়নায় গবেষনাটি সম্পাদন করেছেন। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতির বিবেক হিসাবে জাতির যে কোন ক্রান্তিকালে জাতিকে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় পাস্তুরিত দুধ নিয়ে যখনই নানা তর্কবিতর্ক হচ্ছে, তখনই প্রফেসর আ ব ম ফারুক এগিয়ে এসেছেন জাতিকে দিকনির্দেশনা দিতে, সেকারনে তাঁর প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। তিনি তাঁর গবেষনায় পাস্তুরিত তরল দুধের সমস্যাগুলি তুলে ধরার পাশাপাশি তরল দুধ ভালভাবে ফুিটয়ে পান করলে তার ব্যাকটেরিয়া গুলি ধ্বংস হবে বলেও উল্লেখ করেছেন। তাঁর গবেষনায় যে সমস্ত অসংগতি ও দুর্বলতা ফুটে উঠেছে তা প্রাণিসস্পদ বিভাগ, বিএসটিআই ও দুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলি তা সংশোধনের দিকে নজর না দিয়ে উল্টো তাঁকে নানাভাবে হেনস্তা, হয়রানি ও হুমকি প্রদান করে দেশের ১৬ কোটি ভোক্তার নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির বিষয়কে ভয়াবহ হুমকিতে ফেলে দিচ্ছে। অন্যদিকে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী বারবার সরকারী-বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে গবেষনা কার্যসম্পাদনের জন্য বারবার তাগিদ প্রদান করছেন। সে জায়গায় গবেষনা তথ্য জনসাধারনের কাছে প্রকাশ করায় উল্টো প্রবীন অধ্যাপকের প্রতি বিরুপ মন্তব্য করা কোনভাবেই শোভনীয় নয়।

অন্যদিকে হাইকোর্ট যে চার প্রতিষ্ঠানের ল্যাবরেটরিতে পাস্তুরিত তরল দুধ পরীক্ষার আদেশ দিয়েছেন, সেগুলো হলো জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর), ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডাইরিয়াল ডিজিজ রিসার্চ, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর-বি) এবং সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট এ এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের নিয়ে বিএসটিআইকে দৈবচয়নের ভিত্তিতে বাজার থেকে দুধের নমুনা সংগ্রহ করে সংগৃহীত নমুনায় অ্যান্টিবায়োটিক, ডিটারজেন্ট, ব্যাকটেরিয়া, কলিফর্ম, অ্যাসিডিটি, স্টাইফলোকাস্টেস ও ফরমালিন আছে কিনা তা পরীক্ষা করে চারটি গবেষণাগারকে আলাদাভাবে প্রতিবেদন প্রদানের নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছে এটি দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান।

উল্লেখ্য বাজারে থাকা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সাতটি প্যাকেটজাত (পাস্তুরিত) দুধের নমুনা পরীক্ষা করে সেগুলোয় অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি পরীক্ষার ফলাফল গত ২৫ জুন সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তুলে ধরেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল রিচার্স সেন্টারের পরিচালক ও ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক। সংবাদ সম্মেলনে তিনি পরীক্ষায় পাস্তুরিত দুধের সাতটি নমুনার সবগুলোতেই লেভোফ্লক্সাসিন ও সিপ্রোফ্লক্সাসিন এবং ছয়টি নমুনায় এজিথ্রোমাইসিনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এছাড়া পাস্তুরিত ও অপাস্তুরিত দুধের চারটি নমুনায় ডিটারজেন্ট এবং অপাস্তুরিত দুধের একটি নমুনায় ফরমালিন পাওয়া গেছে বলে জানান এ গবেষক। পাস্তুরিত দুধের ব্র্যান্ডগুলো হলো মিল্ক ভিটা, আড়ং, ফার্ম ফ্রেশ, প্রাণ, ইগলু, ইগলু চকোলেট ও ইগলু ম্যাংগো। পাস্তুরিত দুধে অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতির কথা জানানোর পর পরীক্ষার মান নিয়ে বিতর্ক ওঠে। এর মধ্যেই দ্বিতীয় দফা পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেন গবেষকরা। বাজার থেকে সংগৃহীত ১০টি নমুনার সবগুলোতেই অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়ার কথা জানান গবেষক আ ব ম ফারুক। প্রথমবারের মতো এবারো পাঁচটি কোম্পানির সাতটি পাস্তুরিত প্যাকেটজাত দুধের ও তিনটি খোলা দুধের নমুনা একই জায়গা থেকে সংগ্রহ করে নিয়ম অনুযায়ী একই ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়েছে। ফল আগের মতোই উদ্বেগজনক। এবারো সব নমুনাতেই অ্যান্টিবায়োটিক শনাক্ত করা গেছে। অ্যান্টিবায়োটিকের মোট সংখ্যা ছিল চারটি (অক্সিটেট্রাসাইক্লিন, এনরোফ্লক্সাসিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন ও লেভোফ্লক্সাসিন)। এর মধ্যে প্রথমবার ছিল না এমন অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া গেছে দুটি (অক্সিটেট্রাসাইক্লিন ও এনরোফ্লক্সাসিন)। ১০টি নমুনার মধ্যে তিনটিতে অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া গেছে চারটি, ছয়টিতে অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া গেছে তিনটি এবং একটিতে অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া গেছে দুটি।

বিবৃতিতে যারা স্বাক্ষর করেছেন তারা হলেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, যুগ্ন সম্পাদক আবু মোশারফ রাসেল, মহানগর সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, সাধারন সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু, যুগ্ন সম্পাদক এএম তৌহিদুল ইসলাম, দক্ষিন জেলা সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল মান্নান প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি

লিও ক্লাব অব চিটাগং মহানগরের কমিটি সম্পন্ন

লিও ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল ৩১৫ বি৪ বাংলাদেশের অধীনে লিও ক্লাব অব চিটাগং মহানগরের ২০১৯-২০২০ সেবাবর্ষের জন্য লিও মোহাম্মদ শাহজাহানকে সভাপতি, লিও জমির উদ্দীনকে সম্পাদক এবং লিও সানজিদা উম্মুল আশ্রাফকে কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত করা হয়। উনারা লায়ন্স জেলা ৩১৫ বি৪ এর গভর্নরের কল “” সার্ভ ফর স্মাইল ” নিয়ে কাজ করবেন।

লিও ক্লাব অব চিটাগং মহানগরের ২০১৮-১৯ সেবাবর্ষের সভাপতি লিও জাহিদ হাসান আজাদ প্রিমনের সভাপতিত্বে লায়ন বিপ্লব কুমার দাশ,লায়ন সঞ্জীবন চন্দ্র সরকার,লায়ন দীপংকর দাস, লিও মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইকবাল,লিও আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী, লিও আফিফা ইসলাম, লিও আবসার উদ্দীন ও লিও মসিউর রহমান চৌধুরী মাহি এর উপস্থিতিতে লিও ক্লাব এডভাইজর লায়ন অশেষ কুমার উকিল এমজেএফ নবনির্বাচিত কমিটি ঘোষণা করেন।

এরপর গং-গ্যাবল হ্যান্ডওভার-টেকওভারে­র মাধ্যমে প্রথম পর্ব শেষ করে দ্বিতীয় পর্বে লিও মোহাম্মদ শাহজাহানের সভাপতিত্বে উপস্থিত বক্তাদের বিভিন্ন দিক নির্দেশনামূলক বক্তৃতার মাধ্যমে সভাটি সমাপ্ত হয়।সভায় নবনির্বাচিত কমিটি ২০১৯-২০ সেবাবর্ষের দায়িত্ব পালন করে ক্লাবের মান উত্তরোত্তর বৃদ্ধি করার প্রতিশ্রুতি দেন।

সভায় আরো উপস্থিত ছিল লিও সাইফুল,লিও রেজা,লিও দীপ্ত,লিও রেজা,লিও মোস্তফা, লিও সাহেদ,লিও রহিম,লিও সোহেল,লিও রিপন,লিও মুকিত, লিও হামদু,লিও ইউসুফ, লিও রাসেল,লিও সাফায়েত,লিও রিফাত,লিও সানজিদ,লিও দিপাশা,লিও লিজা প্রমুখ।

সুরাঙ্গন খেলাঘর আসর এর রবীন্দ্র-নজরুল জন্মজয়ন্তী ও কৃতি শিক্ষার্থী সংর্বধনা

৫ জুলাই, ২০১৯ইং সফলভাবে উদযাপিত হল সুরাঙ্গন খেলাঘর আসর কর্তৃক আয়োজিত রবীন্দ্র, নজরুল জন্মজয়ন্তী ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ।

সভাপতি বাবু দেবাশিষ ভট্টচার্যের সভাপতিত্বে এবং সহ-সভাপতি বাবু পরেশ দাশ গুপ্তের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান সঞ্চালিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিল্টন রায় মহোদয় উদ্ভোধনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেনী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ ফসিউল আলম।

প্রধান আলোচকবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় এডিশনাল ডিআইজি ট্যুরিস্ট রোটারিয়ান মুহাম্মদ মুসলিম উদ্দীন এবং দেশবরেণ্য চিকিৎসক ও খেলাঘর চট্টগ্রাম মহানগরী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ কিউ এম সিরাজুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ সদস্য আ.ম.ম দিলসাদ।

এছাড়াও সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সীতাকুণ্ড মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ দেলোয়ার হোসেন, ইপসার প্রধান নির্বাহী মোঃ আরিফুর রহমান, সীতাকুণ্ড নাগরিক অধিকার সংরক্ষন পরিষদের সদস্যসচিব লায়ন মোঃ গিয়াস উদ্দীন, সীতাকুণ্ড প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক বাবু সৌমিত্র চক্রবর্তী , খেলাঘর চট্টগ্রাম মহানগরী কমিটির সাধারন সম্পাদক প্রকৌশলী রূপক চৌধুরী এবং কবি ও লেখক দেবব্রত সেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠান পরিচালনায় যারা ছিলেন আসরের সাধারন সম্পাদীকা মুন্নী সেন, সহ-সাধারন সম্পাদক ঋক ভট্টচার্য, উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক মোঃ সালমান আহমেদ অন্তর, যুগ্ন-আহ্বায়ক অমিত বড়ুয়া, সদস্যসচিব বাসু দেব নাথ, আসরের শিক্ষা ও বিজ্ঞান সম্পাদীকা কাকলি লামা, সদস্য তন্ময় দাশ, সদস্য অপি দেব নাথ, সদস্য অনিক বড়ুয়া সহ অন্যান্য কর্মীবৃন্দরা।

ছোট সোনামনিদের কন্ঠে রবীন্দ্র, নজরুল সংগীত পরিবেশন, সীতাকুণ্ডের সদ্যপ্রয়াত দুই সংগীত শিল্পীর জন্য শোকপ্রস্তাব এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংর্বধনা প্রদান করার মধ্য দিয়ে অনুষ্টানের ইতি টানা হয়।

সিসিসি উচ্চ বিদ্যালয় সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন পরিষদ এর ২য় মতবিনিময় সভা

৫ জুলাই শুক্রবার, বিকাল ৪টায় কাকলী ক্লাব, বাড়বকুণ্ড, চট্টগ্রামে সিসিসি উচ্চ বিদ্যালয় সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন পরিষদ -২০২০ এর ২য় মতবিনিময় সভা আহবায়ক মো.গিয়াস উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব সঞ্জীব কুমার দে এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয় ।সভায় প্রায় এক শত জন প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী উপস্হিত ছিলেন ।
সভার সিদ্ধান্ত সমূহ
১)৮ জুন-২০১৯ অনুষ্ঠিত প্রথম মতবিনিময় সভার কার্যবাবরণী পাঠ করে শুনানো হয় এবং তা অনুমোদন করা হয় ।
২)সুবর্ণ জয়ন্তী ও পুনর্মিলনী উৎসবের তারিখ নির্ধারণ করা হয় ১১জানুয়ারি-২০২০ শনিবার
৩)নিবন্ধন ফি ১৯৭০ হতে ২০১০পর্যন্ত সপরিবার- ১০০০/টাকা,
২০১১ তে ২০১৯ পর্যন্ত সপরিবার- ৫০০/টাকা
৪)সুবর্ণ জয়ন্তী লোগো ১নং অনুমোদন করা হয় এবং তা আরো আকর্ষণীয় করার জন্য ৯২ ব্যাচের মোহাম্মদ শোয়ায়েবকে দায়িত্ব দেয়া হয় ।
৫)সিসিসি উচ্চবিদ্যালয় সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন পরিষদ -২০২০ নামে জনতা ব্যাংক লিমিটেড বাড়বকুণ্ড শাখায় একটি সঞ্চয়ী হিসাব খোলার সিদ্ধান্ত হয় ।
৬)প্রত্যেক ব্যাচ হতে এক জন যুগ্ম- আহবায়ক,১৯৯০ পর্যন্ত ২জন সদস্য এবং২০১৯ পর্যন্ত ৩জন সদস্য নিয়ে সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন পরিষদ -২০২০ পূর্নাঙ্গ করার জন্য প্রধান শিক্ষক ও সদস্য সচিব সঞ্জীব কুমার দে ,বিজয় কুমার দেব,মো.মহসিন,মোহাম্মদ শোয়ায়েবকে দায়িত্ব দেয়া হয় ।ক)নিবন্ধন সচিব-বিজয় কুমার দেব খ)অর্থ সচিব-খালেদা আফরোজ গ) প্রচার সচিব-মোহাম্মদ শোয়ায়েব ঘ)দপ্তর সচিব-জাহাঙ্গীর আলম
৭)প্রচার ও প্রকাশনা উপ কমিটি
আহবায়ক-সাইফ ইসলাম দিলাল
সদস্য সচিব-মোহাম্মদ শোয়ায়েব
৮)ঢাকা কমিটি গঠন-১২ জুলাই শুক্রবার বিকেল ৪টা,ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ)
৮৭ পুরানা পল্টন লাইন,পল্টন টাওয়ার,লিফট-৩
কালভার্ট রোড
পল্টন, ঢাকা-১০০০
চট্টগ্রাম সিটি কমিটি গঠন- ২২ জুলাই সোমবার সন্ধ্যা ৬.৩০ ঘটিকা,সীতাকুণ্ড সমিতি-চট্টগ্রাম কার্যালয়,২৪ পোস্তারপাড় জামে মসজিদ মার্কেট(৩য় তলা)ধনিয়ালা পাড়া,দেওয়ান হাট,চট্টগ্রাম ।
৯)২০০০কপি নিবন্ধন ফরম ও ১০০ কপি বিজ্ঞাপন ফরম ছাপানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় ।
সমন্বয়ক ছাদাকাত উল্যাহ মিয়াজী ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ।

ডা. কাজী রফিকুল হকের ইন্তেকাল

নিউজ ডেস্ক

ডা. কাজী রফিকুল হক (১৯৪৪-২০১৯)

ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চট্টগ্রাম (ইউএসটিসি) এর এনাটমী বিভাগের প্রধান প্রো-ভিসি ডা. কাজী রফিকুল হক ইন্তেকাল করেছেন। আজ ২১ জুন শুক্রবার সকাল ৯ টা ৩০ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন।

আগামিকাল (২২ জুন) শনিবার সকাল ১০টায় ইউএসটিসি প্রাঙ্গনে রফিকুল হকের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তান সহ অসংখ্য আত্মিয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

অধ্যাপক ডা. কাজী রফিকুল হক (পি.এইচ.ডি) ১৯৪৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারী চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের সারিকাইতে ঐতিহ্যবাহী কাজী পরিবারে জন্মগ্রহন করেন।

১৯৫৪ সালে সারিকাইত প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে নোয়াখালী জেলার অধীনে সন্দ্বীপ সার্কেলে সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় নোয়াখালী জেলায় প্রথম স্থান অর্জন করেন তিনি।

১৯৫৯ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে পূর্ব পাকিস্থান মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ম বিভাগে পাশ করেন।

১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ থেকে আই.এস.সি পাশ করেন তিনি। ১৯৬৭ সালে ঢাকা ম্যাডিকেল কলেজ থেকে তিনি এম.বি.বি.এস পাশ করেন।

১৯৬৮ সালের ১জানুয়ারী সরকারি হেলথ সার্ভিসে এনাটমী বিভাগে জুনিয়র শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন ডা. কাজী রফিকুল হক। ১৯৭২ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম ম্যাডিকেল কলেজে এনাটমির জুনিয়র শিক্ষক, সিনিয়র শিক্ষক ও সহকারী প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এরপর সরকারি ডেপুটেশনে লিবিয়াতে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত সুনামের সাথে কর্মরত ছিলেন তিনি।

১৯৯৩ সালের শেষের দিকে দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধুর চিকিৎসক ডা. নূরুল ইসলামের অনুরোধে ১৯৯৪ সালের ১ জানুয়ারী ইউ.এস.টি.সি‘তে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে এনাটমি’র বিভাগীয় প্রধান হিসেবে যোগদান করেন।

ইউ.এস টি.সি- তে তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মেয়াদে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, কোষাধ্যক্ষ, প্রো-ভিসি (এ্যাক্টিং), ভিসি (এ্যাক্টিং) সহ প্রায় ২৪ বছর এনিটমির বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পাশাপাশি তিনি ইউ.এস.টি.সি পরিচালনাধীন বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল হাসপাতালে ক্রান্তিকালে ডি.জি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রফিকুল হক।

তিনি প্রায় ৫০ বছর এনাটমী’র শিক্ষক ছিলেন। ইউ.এস. টি.সি আলোকিত হওয়ার পেছনে জাতীয় অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলামের ঘনিষ্ঠজন ডা. কাজী রফিকুল হকের অবদান অপরিমেয়।

তিনি ‘Global conjoint twins there ambrayological back ground natural, history and ethical except of surgical separation’ বিষয়ে PHD অর্জন করেন।

ডা. কাজী রফিকুল হকের ইতোমধ্য ৬টি পুস্তক প্রকাশিত হয়েছে। বই গুলো হল-
১/হিস্ট্রোলজী
২/অস্ট্রেলজী
৩/সংযুক্ত জমজের জীবন কাহিনী
৪/হ্রদযন্ত্র
৫/সারপ্রেস এনাটমী ও
৬/নবী করিম (স:)- এর জীবন কাহিনী।

ডা. রফিকুল হক বিনামুল্যে বা নামমাত্র মুল্যে হাজার হাজার গরীব-অসহায় মানুষজনকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে মানবতার কল্যানে নিয়োজিত ছিলেন আমৃত্যু।

# আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। সেই সাথে মানবতার কল্যানে তার চিকিৎসা সেবাকে আল্লাহপাক যেন তার নাজাতের ওসিলা করেন। আমিন।।

তথ্যসূত্র: মুকতাদের আজাদ খান ও কাজী জিয়া উদ্দিন সোহেল

বাঘের থাবায় লন্ডভন্ড ক্যারিবীয় দ্বীপ

ডেস্ক রিপোর্ট ::
ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে একটি টর্নেডো আঘাত হেনেছে। সেই টর্নেডোর নাম সাকিব-লিটন। এক ঝটকায় লণ্ডভণ্ড করে দিলো ক্যারিবীয়দের। দফায় দফায় ঝড়। কিছুতেই থামছিল না। অনেক চেষ্টা করেও লাভ হলো না। সাকিব-লিটন আঘাতে চুরমার সবকিছু।

পাঠক ভাবতে পারেন কি আবোল-তাবোল বলা হচ্ছে। হ্যাঁ, এটাই সত্যি।

ক্যারিবীয়দের কাঁপানো হয়েছে। সেটা কাঁপালেন বাংলার টাইগাররা। ঝড়ের উৎপত্তিস্থল ইংল্যান্ডের টন্টনের কাউন্টি গ্রাউন্ড মাঠে। শুরুটা তামিম-সৌম্যই করেছিলেন। তবে তাদের বিদায়ে মন খারাপ হয়েছিল টাইগার ভক্ত সমর্থকদের। অবশ্য সেটা পুষিয়ে দিয়েছেন সুপারস্টার সাকিব আল হাসান। তার সঙ্গী লিটন দাশ। একজনের সেঞ্চুরি আরেকজনের হাফ সেঞ্চুরি। এতেই বেসামাল ক্যারিবীয় শিবির। সাকিব-লিটন- টাইগারদ্বয়ের কাছে পাত্তাই পায়নি ক্যারিবীয় বোলাররা।

উইন্ডিজের ছুঁড়ে দেয়া ৩২১ রানের বড় স্কোর টপকাতে গিয়ে আজ টন্টনের মাঠে বিশ্বকাপের ২৩তম ম্যাচে মোটেও বেগ পেতে হয়নি। সাকিব, তামিম, লিটনদের চার-ছক্কায় ৭ উইকেটের বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। অভিনন্দন বাংলাদেশ। অভিনন্দন টাইগার।
৩২২ রানের জবাবে সৌম্য করেন ২৯, তামিম ৪৮ ও মুশফিক আউট হন ১ রানে। এরপর শুধুই সাকিব-লিটনের গল্প। সাকিব ৯৯ বলে অপরাজিত থাকেন ১২৪ রানে। আর লিটন দাস ৬৯ বলে ৯৪ করে অপরাজিত থাকেন। ৫১ বল বাকী থাকতেই জয়ের বন্দরে বাংলাদেশ। ম্যাচ সেরা হন সাকিব আল হাসান।

আসরে টিকে থাকতে আজ টাইগারদের উইন্ডিজবধ ছিল খুবই জরুরি। সে মিশনে টস জিতে ক্যারিবীয়দের ব্যাটিংয়ে পাঠান কাপ্তান মাশরাফি। প্রথম ১০ ওভারে সফল তাদের বোলিং অ্যাটাক। কিন্তু হেটমায়ার, হোপ আর লুইসদের মারমুখী ব্যাটিং উইন্ডিজদের স্কোর নিয়ে যায় অন্য উচ্চতায়। তিনশ’র বেশি রান জমা পড়ে স্কোর বোর্ডে। স্কোরবোর্ডে এত রান হওয়ায় টাইগার শিবিরে খানিকটা চিন্তার ভাঁজ ফেললেও নিরাশ হননি ভক্ত সমর্থকরা।

এরআগে, ক্যারিবীয়দের ইনিংসজুড়ে ছিলো শাই হোপের নাম। তার অনবদ্য ৯৬ রানের ইনিংসে ভর করেই এগিয়ে যায় তারা। যদিও মোস্তাফিজের আঘাতে ফেরায় ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ না করা হয়নি তার। এছাড়াও ৭০ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন এভিন লুইস। আর ফিফটির দেখা পেয়েছেন শিমরন হেটমায়ারও। উইন্ডিজদের মোট ৭ উইকেট তুলে নেয় টাইগার বোলাররা।

লক্ষ্যটা আরো বড় হতে পারতো। সেটা সম্ভব হয়নি কাটার মাস্টার মোস্তাফিজের কাটারে। নিজের ৬ষ্ঠ ওভারে তিনি ফেরান হেটমায়ারকে। আর ভয়ংকর আন্দ্রে রাসেল হাত খোলার আগেই কাটা পড়েন কাটারে। আর শেষের দিকে শাই হোপের উইকেট নেয়ায় রানের চাকা কিছুটা মন্থর হয়। মোস্তাফিজ ও সাইফউদ্দিন নেন ৩ উইকেট করে আর ২টি উইকেট পকেটে পুরেন সাকিব আল হাসান।
বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে তিনটায় শুরু হয় ম্যাচটি। বাংলাদেশ দলে আজ ফিরেছেন লিটন দাশ। মিঠুনের পরিবর্তে একাদশভুক্ত হয়েছেন তিনি।

বিশ্বকাপের আসরে এ পর্যন্ত চারটি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে ২টি ম্যাচ জয় ও বাকি দুটি ম্যাচ ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে হার দেখতে হয়েছে টাইগারদের। এছাড়া বৃষ্টিতে পন্ড হয়েছে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচটি। এদিকে বিশ্বকাপের এবারের আসরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অবস্থাও বেশ নড়বড়ে। পাঁচটি ম্যাচের মধ্যে একটি পরিত্যক্ত এবং তিন খেলায় হার।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-উইন্ডিজ
বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত দুদলের পাঁচ দেখায় তিনটিতেই জয় পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আর আজ জয় পেল টাইগাররা। আর একটি ম্যাচ বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়েছে।

ওয়ানডেতে যত হিসাব-নিকাশ
এ যাবৎ টাইগার বাহিনী ও ক্যারিবীয়দের মধ্যে ৩৮ ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টিতে জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। ২১টিতে জয় পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দুটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে।

পরিসংখ্যানের হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এগিয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে মাশরাফিদের পাল্লাই ছিল ভারী। সবশেষ আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজে সবকটি ম্যাচেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছে টাইগাররা। এর মধ্যে ফাইনাল ম্যাচে  বড় ব্যবধানে জয় পায় বাংলাদেশ।

দুই দলের একাদশ
বাংলাদেশ : তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহীম, লিটন দাশ, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ,  মোসাদ্দেক হোসেন, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, মেহেদী হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন মর্তুজা, মোস্তাফিজুর রহমান।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ : ক্রিস গেইল, এভিন লুইস, শাই হোপ, ড্যারেন ব্র্যাভো, নিকোলাস পুরান, শিমরন হেটমায়ার, জেসন হোল্ডার, আন্দ্রে রাসেল, শেলডন কটরেল, ওশানে থমাস, শ্যানন গ্যাবরিল।

মুরসিকে বিদেশে ‘রাজকীয় জীবন’র প্রস্তাব দিয়েছিলো সিসি

 

 

নিউজ ডেস্ক::

মিসরের প্রথম গণতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট কারাবন্দি মোহাম্মদ মুরসিকে এক ‘রাজকীয় প্রস্তাব’ দিয়েছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি।

প্রস্তাবটি হচ্ছে, মুরসি যদি পরিবারসহ মিসর ছাড়েন, তাহলে বিদেশে তাকে সুখ ও আরাম-আয়েশের জীবন উপহার দেয়া হবে। কিন্তু সিসির এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন মুরসি।

জবাবে তিনি বলেছেন, যারা মিসরকে ধ্বংস এবং জনগণের মানবাধিকার হরণের পরিকল্পনা করছে মিসরের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ তাদের হাতে ছেড়ে দিয়ে কোথাও যাবেন না তিনি। মিসরের আপিল আদালতের এক শীর্ষ কর্মকর্তার বরাতে বুধবার মিডল ইস্ট মনিটরে এ খবর প্রকাশ করা হয়েছে।

মিসরের আপিল আদালতের আইনি পরামর্শক ও মুরসি সরকারের বিচারমন্ত্রী আহমেদ সুলেমান বলেন, বর্তমান সেনাশাসিত সরকারকে স্বীকৃতি এবং তার নিজ সরকারের বৈধতা প্রত্যাহার করে ঘোষণা দিতে মুরসির ওপর অব্যাহতভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। বিনিময়ে তাকে বিদেশে নিরাপদ জীবনের প্রস্তাব দেয়া হচ্ছে। কিন্তু এসব চাপের কাছে নতি স্বীকার করছেন না মুরসি।

সিসির সরকারের বৈধতা দিয়ে বিবৃতি দিতে গত পাঁচ বছর ধরে মুরসিকে চাপ দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ মুরসির ছেলেরও। মুরসির ছেলে আবদুল্লাহ বলেন, নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে এখনও বৈধতা রয়েছে তার বাবার। তিনি ওইসব নেতার কাছে কখনও নত হবেন না যারা সব সময় তাকে তাদের কথা মেনে নিতে চাপপ্রয়োগ করছেন।

কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে ২০১১ সালে দীর্ঘ সময়ের স্বৈরশাসক হোসনি মোবারকের পতন ঘটে। এরপরের বছর অনুষ্ঠিত এক গণতান্ত্রিক নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন মোহাম্মদ মুরসি।

কিন্তু মাত্র এক বছরের মাথায় ২০১৩ সালের ৩ জুলাই সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করেন সাবেক সেনাপ্রধান সিসি। মুরসিকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়।