চট্টগ্রামের পাঠকপ্রিয় অনলাইন

Author Archives: Delwar Hossain

পুলিশ কনস্টেবল পদে নির্বাচিত হয়েই চাঁদাবাজি

নিউজ ডেস্ক::

পুলিশের কনস্টেবল পদে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েই চাঁদাবাজি করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন রাকিবুল হাসান শান্ত (২৩) নামে এক যুবক। আজ মঙ্গলবার দুপুরে যশোর শহরের সিটি প্লাজায় পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে তিনি আটক হন। এ সময় তার কাছ থেকে পুলিশের ভুয়া পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়। আটক শান্ত যশোর শহরতলী পালবাড়ি গাজীরঘাট এলাকার শাহ আলম হাওলাদারের ছেলে। তাকে আইডি কার্ড তৈরিতে সহায়তা করায় মামুন হোসেন জনি নামে আরেকজনকে আটক করা হয়েছে। মামুন হোসেন জনি শহরের নতুন খয়েরতলার মোশাররফ হোসেনের ছেলে।

কোতয়ালী থানা পুলিশের এসআই ইকবাল মাহমুদ সাংবাদিকদের জানান, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রকিবুল হাসান শান্ত নামে ওই যুবক সিটি প্লাজার এসএস ফ্যাশনে গিয়ে নিজেকে পুলিশ সদস্য পরিচয় দেন। এ সময় তিনি দোকান কর্মচারী সাইফুল ইসলামের কাছে মায়ের অসুস্থতার কথা বলে ৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। কর্মচারীকে তিনি একথা বলেন যে, মায়ের চিকিৎসার জন্য ১০ লাখ টাকার প্রয়োজন। কিন্তু ৫ লাখ টাকা যোগাড় হয়েছে। এ জন্য বাকি ৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করছেন। কিন্তু কর্মচারী সাইফুল ইসলাম দাবিকৃত ৫ হাজার টাকা দিতে অস্বীকার করলে রকিকুল হাসান শান্ত দোকানের কাগজপত্র দেখতে চান। এছাড়া দোকান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন। এসময় দোকানের বাইরে থাকা দোকান মালিক শাহ আলমকে মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানান সাইফুল ইসলাম। পরে দোকান মালিক শাহ আলম এসে পুলিশ পরিচয়দানকাী রকিবুল হাসান শান্তর কাছে চাকরির কর্মস্থল জানতে চান। এ সময় রকিবুল হাসান শান্ত তাকে জানান তিনি কুষ্টিয়া মডেল থানায় কর্মরত। কিন্তু তার কাছে পুলিশ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের এক পর্যায়ে রকিবুল হাসান শান্ত অবস্থা বেগতিক দেখে দোকান কর্মচারীর পা জড়িয়ে ধরে নিজের অপরাধ স্বীকার করে মাফ চান। এ সময় সেখানে আরও লোকজন জড়ো হয়ে যায়। তাদের সামনেই রকিবুল হাসান শান্ত স্বীকার করেন যে, তিনি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। শহরের পালবাড়ি গাজীরঘাট রোড এলাকার শাহ আলম হাওলাদারের ছেলে তিনি। তার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং অবসরপ্রাপ্ত বিশেষ বাহিনীর সদস্য।

পুলিশের ওই কর্মকর্তা জানান, খবর পেয়ে সিটি প্লাজায় গিয়ে তারা রকিবুল হাসান শান্তকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। এ সময় তার কাছ থেকে পুলিশের একটি ভুয়া আইডি কার্ড উদ্ধার করা হয়। আইডি কার্ডে তাকে দেখা যায় পুলিশের পোশাকে নায়েক ব্যাচের র‌্যাঙ্ক লাগানো রয়েছে। পরে জিজ্ঞাসবাদের এক পর্যায়ে তিনি স্বীকার করেন যে, পালবাড়ি এলাকার ‘এবি মাল্টিমিডিয়া’ নামে একটি দোকানের কর্মচারী মামুন হোসেন জনি তাকে পুলিশের ভুয়া আইডি কার্ড বানিয়ে দিয়েছেন। ৩ দিন আগে ১২০ টাকা দিয়ে তিনি তার কাছ থেকে ভুয়া আইডি কার্ড তৈরি করে এনেছেন।

পুলিশ জানায়, পুলিশের ভুয়া আইডি কার্ড বানিয়ে দেওয়ার অভিযোগে পরে মামুন হোসেন জনিকে আটক করা হয়। এ সময় মামুন হোসেন জনি নিজের দোষও স্বীকার করেছেন। সূত্র জানায়, ওই দোকান থেকে কম্পিউটার জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া দোকান থেকে একাধিক ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্রের ডুপ্লিকেট উদ্ধার করা হয়।

যোগাযোগ করা হলে কোতয়ালী থানা পুলিশের ওসির দায়িত্বে থাকা ইনসপেক্টর (তদন্ত) সমীর কুমার সরকার জানান, পুলিশ সুপারের সাথে কথা বলে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

সূত্র: কালের কণ্ঠ

তরুণদের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়বার স্বপ্নের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী

সিটিজি বাংলাঃ

ভবিষ্যৎ স্বপ্নের বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে তরুণদের বিভিন্ন উদ্যোগ, পরামর্শ ও চাওয়া-পাওয়ার কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ শুক্রবার রাজধানীর একটি মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) আয়োজিত ‘লেটস টক উইথ শেখ হাসিনা’ অনুষ্ঠানে তরুণদের মুখোমুখি হন বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বর্তমান প্রজন্মের সাথে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন ও পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। সেই সাথে তরুণদের কাছ থেকে গ্রহণ করেন দেশ গঠনে তাদের পরিকল্পনা ও পরামর্শের কথা।
সিআরআই-এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘তরুণরা ভবিষ্যতে কেমন বাংলাদেশ দেখতে চায় অথবা তারা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হলে কোন কোন সমস্যার সমাধান করবে’- এমন অনেক বিষয়ে আলোচনা হয় এবারের লেটস টক-এ।
প্রধানমন্ত্রী সারাদেশ থেকে আসা ১৫০ জন অংশগ্রহণকারী তরুণের সাথে দেশের বিভিন্ন নীতি নির্ধারণী বিষয়ে আলোচনা করেন। বিভিন্ন পেশাজীবী, চাকরিজীবী, উদ্যোক্তা, শিক্ষার্থী, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত এবং দেশ গঠনে উদ্যমী তরুণ প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন এই আয়োজনে। সেখানে বাংলাদেশের ইতিহাসে ‘প্রথমবারের মতো’ প্রধানমন্ত্রী তরুণদের মুখোমুখি হয়ে তাদের বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দেন। তরুণদেরও বেশ কিছু প্রশ্ন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে বর্তমান প্রজন্মের অনুপ্রেরণা প্রধানমন্ত্রী তার কৈশোর ও তারুণ্যের সময়ে ঘটে যাওয়া অজানা অনেক তথ্য তুলে ধরণের অংশগ্রহণকারীদের সাথে। এ ছাড়াও তিনি ব্যস্ততার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত জীবন, নিজস্ব চিন্তা-ভাবনা নিয়েও তরুণদের সাথে কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী একটি রাজনৈতিক পরিবারে বড় হয়েছেন তাঁর কৈশোর এবং তারুণ্য কি অন্যদের চাইতে আলাদা ছিল? কি রকম দুরন্ত সময় পার করেছেন তিনি? এমন অনেক প্রশ্নেরই উত্তর দেন তিনি। এ ছাড়াও কৈশোর ও তারুণ্যে রাজনীতিতে যোগদান, স্কুলের ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনে যোগ দান, মুক্তিযুদ্ধকালে তার অবরুদ্ধ জীবন, ৭৫ সালে দেশের বাইরে তার পরিবারের কঠিন জীবনযাপন, ১৯৮০ সালে লন্ডন যাওয়া, রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তনের অনুপ্রেরণা, দেশের মানুষের কাছে ফিরে আসা এমন আরো অনেক বিষয়ে অজানা তথ্য তরুণদের জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
তরুণদের কাছ থেকে আসা এমন আরো সব আকর্ষণীয় প্রশ্ন ও তার উত্তর নিয়ে অপেক্ষা করছে ‘লেটস টক উইথ শেখ হাসিনা’। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় তা প্রচার হবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে।
তরুণরা যাতে দেশের নীতি নির্ধারকদের সাথে খোলামেলাভাবে আলোচনা করতে পারেন এবং নিজেদের ভাবনা ও সমস্যাগুলোর কথা নীতি নির্ধারকদের কাছে পৌঁছাতে পারেন সেজন্য সিআরআই নিয়মিত আয়োজন করে আসছে লেটস টক।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদকে নিয়ে এর আগে বেশ কয়েকবার লেটস টক আয়োজন করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে আয়োজন করা হয় ‘লেটস টক’ উইথ শেখ হাসিনা’।সূত্রঃ বাসস

মেরিন একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের ১ম পূর্ণমিলনী উদযাপন

মোজাম্মেল হক, আনোয়ারা প্রতিনিধি :

মেরিন একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের ১ম পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৩ নভেম্বর শুক্রবার দিনব্যাপি নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে ‘উৎসবে আনন্দে, ‘পুরনো বন্ধু, হারানো দিন, স্মৃতি ছবিরা, আজও রঙ্গিন’ চলো ফিরে যাই শৈশবে’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে প্রাক্তন ছাত্র ছাত্রী পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীরা। স্কুল এন্ড কলেজের অনুষ্ঠান ঘিরে নতুন সাজে সেজেছিল চারপাশ। প্রিয় ক্যাম্পাসের আঙ্গিনায় হাজারো স্মৃতি ঘেরা পুরানো বন্ধুদের দীর্ঘদিন পর একসাথে দেখা মিলে আনন্দে হৈ হুল্লায় মেতে উঠেছে স্কুল আঙ্গিনা।

পুনর্মিলনী বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ক্যাপ্টেন খোরশেদুল আলম এর সভাপতিত্বে ও সহকারী সমন্বয়ক মিজানুর রহমানের সঞ্চলনায় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ মেরীন একাডেমীর কমান্ড্যান্ট নৌ প্রকৌশলী ডঃ সাজিদ হোসেন, চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর শওকত আলম, সাবেক এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যান উকিল শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সোয়েব খান, বাংলাদেশ মেরীন একাডেমীর ডেপুটি কমান্ড্যান্ট কাজী এবিএম শামিম, মেরিন একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতি আবুল কালাম খাঁন, অধ্যক্ষ নাছির উদ্দীন, ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সোলায়মান, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম বেগম, আনোয়ারা সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রিদুয়ানুল হক, কাফকো স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ, মোবারক মিয়া, নোয়াব আলী, নবী চেয়ারম্যান, জসীম উদ্দীন চৌধুরী সহ আরও অনেক।

উক্ত অনুষ্ঠানের ২য় পর্বে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীগণ ও বিভিন্ন ব্যান্ড শিল্পীরা৷

চট্টগ্রাম-১৩ : শক্ত অবস্থানে আ.লীগ, কেন্দ্রের অপেক্ষায় বিএনপি

সিটিজি বাংলাঃ

ছবিতে বাম দিক থেকে প্রথম সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, ২য় সরওয়ার জামাল নিজাম, ৩য় বেগম ওয়াসিকা আয়েশা খাঁন, ৪র্থ মোস্তিাফিজুর রহমান।

চট্টগ্রাম-১৩ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৯০তম আসন। সীমানা আনোয়ারা-কর্ণফুলী দুটি উপজেলায় এক আসন। মোট ভোটার রয়েছে ৩ লক্ষ ৯ হাজার ৩৯৯ জন। আসনটি’র আনোয়ারা উপজেলায় ১১টি ইউনিয়ন এবং কর্ণফুলী উপজেলায় রয়েছে ৫টি ইউনিয়ন।

এর মধ্যে কর্ণফুলীতে ১ লাখ ১০ হাজার ৭৫৭ জন ও আনোয়ারায় ১ লাখ ৯৮ হাজার ৬৪২ ভোটার। কর্ণফুলী উপজেলায় ভোটকেন্দ্র ৩৯ টি আর ভোটকক্ষ ২৫৫টি। এছাড়াও আনোয়ারায় ভোটকেন্দ্র ৬৭টি আর ভোটকক্ষ বেড়ে ৪০১টি।

সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থীগণ মতবিনিময় সভা এবং দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। আসনটিতে মূলত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি’র প্রার্থীর মধ্যে। আসনটিতে কে হচ্ছেন নৌকার মাঝি এবং কে পাচ্ছেন ধানের শীঁষ এ নিয়ে নির্বাচনী এলাকা সরগরম হয়ে উঠছে।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ:
বর্তমান ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের দুই উপজেলার সক্রিয় নেতারা রয়েছেন। অপরদিকে আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ওয়াশিকা আয়েশা খাঁন এমপি। তবে দুজনেই প্রয়াত পিতার উত্তরসূরী, পরিচিতি ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি হিসেবে জনসর্মথনে এগিয়ে রয়েছেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি):
বিএনপি যদি ২০০১ সালের মতো হারানো দুর্গ ফিরে পেতে চায় তাহলে এ আসনে যোগ্য প্রার্থী দিতে হবে। কারণ আ.লীগের সম্ভাব্য জাবেদ একজন হেভিওয়েট প্রার্থী। তার সঙ্গে দুর্বল প্রার্থী দিয়ে ভোটযুদ্ধ জমে উঠবে না। পাশাপাশি দলের মনোনয়ন পেতে লবিং করছেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে।

আনোয়ারা-কর্ণফুলী সংসদীয় আসনের বিএনপির দলীয় মনোনয়ন নিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম ও বিএনপি নেতা মোস্তাফিজুর রহমান সহ অনেকে। দ্বি-ধারায় বিভক্ত আনোয়ারা-কর্ণফুলী বিএনপিতে চলছে হিসাব নিকাশ। বিগত কয়েকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েও দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছ থেকে দূরে ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে সরওয়ার জামাল নিজামের বিরুদ্ধে। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দলীয় নেতাদের কোন খবর রাখেনি বলেও অভিযোগ দলের প্রবীণ ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের।

কারা নির্যাতিত নেতা দক্ষিণ জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আলী আব্বাস তৃণমূলে অনেকদিন কাজ করে গেছেন অতীতে। দলের দুঃসময়েও পাশে ছিলেন। জেল হতে বের হয়ে নেতাকর্মীদের প্রায় খোঁজ খবর নিচ্ছেন।

অপরদিকে নতুন মুখ হিসেবে আনোয়ারা-কর্ণফুলী বিএনপির সাথে দীর্ঘদিন ধরে তাঁর অনুসারিরা রাজনীতির মাঠে একক আধিপত্য বিস্তার করে আসছে। এ অংশকে সাথে নিয়ে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপি নেতা ব্যবসায়ি মোস্তাফিজুর রহমান।

এ লক্ষে তৃণমূল পর্যায়ে ছাত্রদল, যুবদল, বিএনপি ও দলের প্রবীণ ও ত্যাগী নেতাদের একতাবদ্ধ করতে চেষ্টা করছেন তিনি। নিয়মিত অংশ নিচ্ছেন আনোয়ারা-কর্ণফুলী উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক ও দলীয় কর্মকা-ে। বিএনপির একটি অংশ তাকে সমর্থন দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘বিএনপি একটি নিবাচনমুখী দল। আগামী নির্বাচনে বিএনপি দলের ত্যাগী ও তরুণদের মনোনয়ন দিবেন। তাই আশা করি, আমি মনোনয়ন পাবো এবং বিএনপির হারানো আসন পুনরুদ্ধার করে ম্যাডামকে পুনরায় উপহার দিতে পারবো। ’

জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করা শর্তে কর্ণফুলী উপজেলার বিএনপির এক সাবেক সাধারণ সম্পাদক বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করতে হলে এ আসনের জন্য একজন তরুণ নেতার প্রয়োজন। এতে মোস্তাফিজের বিকল্প চোখে পড়ে না। কেনোনা দলের কঠিন সময়ে তিনি প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে তিনি অবদান রেখে চলছেন।’

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, সরওয়ার জামাল নিজাম পুনরায় দলীয় মনোনয়ন পেতে ঢাকায় জোর লবিং করছেন। অন্যদিকে কবীর চৌধুরীর অনুসারীদের মধ্যে মনোনয়ন পেতে ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমানও থেমে নেই। তা ছাড়া, তৃণমুলের একাধিক নেতার সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা পরিবর্তন চায় চট্টগ্রাম ১৩ আসনে। কেনোনা র্দীঘ ১০ বছরে মাঠে নেই সাবেক এমপি সরওয়ার জামাল নিজাম। মাঠে লক্ষ্যনীয় ছিলো চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি সভাপতি সাবেক বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব জাফরুল ইসলাম চৌধুরী ও আনোয়ারার মোস্তাফিজ রহমান এর সঙ্গে।

যদিও এই আসনে বিএনপি থেকে কে প্রার্থী হচ্ছেন, তা এখনো পরিষ্কার নয়। নেতা-কর্মীদের বড় অংশ গত কয়েক বছরের মামলা, হামলায় কোণঠাসা। এলাকা ছাড়া অনেকেই। এখন পর্যন্ত বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের কারও মাঠে তৎপরতা নেই। দুই উপজেলায় বিএনপির বড় নেতা হলেন সাবেক সংসদ সরোওয়ার জামাল নিজাম ও দক্ষিণ জেলার সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক আলহাজ্ব আলী আব্বাস। বিএনপি নেতা এম মঈন উদ্দিন বলেন, স্থানীয় নেতা-কর্মীরা এ আসনে নতুন কাউকে প্রার্থী হিসেবে দেখতে আগ্রহী।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি তাদের হারানো আসনটি পুনরুদ্ধার করতে চাইছে। মামলা-হামলায় কাবু বিএনপি-জামায়াতের কর্মকা- অনেকটাই ঝিমিয়ে পড়েছে। তবে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা নীরবে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।

তবে স্থানীয় কয়েকজন নেতা বলেছেন, গত ওয়ান-ইলেভেনের অভিজ্ঞতা মাথায় নিয়ে আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়ার ক্ষেত্রে তরুণদের প্রাধান্য দেয়া হতে পারে। দলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করায় অনেকেই মনোনয়ন তালিকা থেকে ছিটকে পড়তে পারেন।

তরুণ নেতাদের মধ্যে মনোনয়ন তালিকায় এগিয়ে আছেন সরকার বিরোধী আন্দোলনের দুঃসময়ে দলের দায়িত্ব পালন করা ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান। আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্ত নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর কারণে এলাকায় তিনি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে সরওয়ার জামাল নিজাম বলেন, ‘জাতীয়ভাবে কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত আমি কিছু বলতে পারব না।’

জাতীয় পার্টি: ২০১৪ সালেও এ আসনে জাতীয় পার্টি লাঙ্গল প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন । তবে সুবিধা করতে পারেনি। এবারো এ আসনে আলোচনায় আছেন বহিস্কৃত চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় পার্টির সিনিয়র সহ সভাপতি তপন চক্রবর্তী। এছাড়াও আনোয়ারা উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আবদুর রব চৌধুরী টিপুর নাম ও শোনা যায়।

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট: বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব এম এ মতিনের নেতৃত্বে আনোয়ারা-কর্ণফুলী দুই উপজেলায় নেতাকর্মীদের নিয়ে সমাবেশ করতে দেখা যায়। এ আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী এম এ মতিন। অনেকটা তৎপর আসন ভাগিয়ে নিতে জোট হতে।

ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ: ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ আনোয়ারা-কর্ণফুলী আসনে বেশ সক্রিয় রয়েছেন । এ আসন থেকে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী রিজভী মনোনয়ন চাইতে পারেন।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, বিগত নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী আসনটিতে সরওয়ার জামাল নিজাম ১৯৯৬ সালে প্রায় ১১ হাজার ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আতাউর রহমান খান কায়সারকে হারান। এরপর ২০০১ সালের নির্বাচনে প্রায় ৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুকেও। তবে ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে তাঁকে প্রায় ২৩ হাজার ভোটে হারিয়ে জয়ী হন আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু।

১৯৭৩ সালে ৭ মার্চ প্রথম সংসদ নির্বাচনে এ আসনে জয়লাভ করেন আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ ইদ্রিছ বিকম। ১৯৭৯ সালে ১৮ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হন বিএনপির শাহাদাত হোসেন চৌধুরী। ১৯৮৬ সালে ৭ মে তৃতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করেন আওয়ামী লীগের আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু।

১৯৮৮ সালের ৩রা মার্চ চতুর্থ সংসদ নির্বাচনে সাংসদ হন জাসদ প্রার্থী মোখতার আহমেদ। ১৯৯১ সালে ২৭ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগের আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হন বিএনপির সরওয়ার জামাল নিজাম। ১২ জুন সপ্তম সংসদ ও ২০০১ সালে অষ্টম সংসদ নির্বাচনেও বিজয়ী হন বিএনপির সরওয়ার জামাল নিজাম।

পরবর্তী ২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনে এখানে আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু সর্বশেষ সংসদ নির্বাচিত হন। ২০১২ সালে তাঁর মৃত্যুতে ২০১৩ সালের ১৭ জানুয়ারি উপ নির্বাচনে মনোনয়ন পান তারই জ্যেষ্ঠ পুত্র ও চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক সভাপতি সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ।

নির্বাচনে জাবেদ বিজয়ী হওয়ার পর উন্নয়ন কর্মকান্ডের মাধ্যমে আলোচনায় আসেন নতুন প্রজন্মের এই নেতা। এরপর ৫ জানুয়ারির বিএনপি বিহীন নির্বাচনে দ্বিতীয় বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাবেদ। পরে ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় স্থান পেলে আনোয়ারা-কর্ণফুলীবাসী প্রথমবারের মতো মন্ত্রীর স্বাদ পায়।

বর্তমানে আওয়ামী লীগ শক্ত অবস্থানে এবং বিএনপি’র বিভক্ত নেতারা এখনো কেন্দ্রের দিকে তাকিয়ে রয়েছে কে পাচ্ছেন মনোনয়ন সে দৃষ্টিতে।

চট্টগ্রামে বন্ধুর বাসা থেকে গ্রেফতার এহসানুল হক মিলন

সিটিজি বাংলাঃ

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, চাঁদপুরের কচুয়ার সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।  আজ শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নগরীর চকবাজার থানার ৪৫২ চট্টেশ্বরী রোডের “মমতাজ ছায়ানীড়” নামে একটি বাসা থেকে চাঁদপুর ও সিএমপির গোয়েন্দা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে চাঁদপুর নিয়ে যাচ্ছে।

চাঁদপুর এডিশনাল এসপি মিজানুর রহমান এহসানুল হক মিলনকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানাগেছে, চাঁদপুর জেলা ডিবি’র ওসি মো. মামুন এর নেতৃত্বে গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম চট্টগ্রামে আসে। তাদের সাথে যোগ দেন চট্টগ্রাম নগর ডিবির একটি  ৩ সদস্য। রাত আড়াইটার দিকে প্রায় ১০/১২ সদস্যের গোয়েন্দা দল নগরীর চট্টেশ্বরী একটি বাসায় বিএনপি নেতা এহসানুল হক মিলনের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে ওই বাসা ঘেরাও করে।  ৪৫২ চট্টেশ্বরী রোডের ওই বাসার মালিক শাহ আলম বিএনপি নেতা এহসানুল হক মিলনের বন্ধু। এই বাসায় মিলন বেশ কয়েকদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন বলে পুলিশ জানায়।

পুলিশ বাড়ীর মালিক শাহ আলমকেও আটক করেছে বলে তার স্ত্রী সাইকা আলম অভিযোগ করেন।

বাড়ীর ম্যানেজার শাহ আলম জানান, রাত আড়াইটা থেকে পুলিশ ওই বাসার গেইট খোলার জন্য বার বার অনুরোধ করার পরও প্রথমে গেইট খোলা হয়নি। পরে ভোর রাত ৪টার দিকে পুলিশ গেইট ভাঙ্গার চেষ্টা করলে খুলে দেয়া হয় ভীতর থেকে। এর পর পরই পুলিশ সাবেক মন্ত্রী মিলনকে আটকের কথা জানালে তিনি ৩০ মিনিট সময় চেয়ে গোসল করে নামাজ পড়েন। পরে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পুলিশ মিলনকে নিয়ে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। সূত্রঃ পাঠক নিউজ

অপহরণকারীদের চিরকুটেই উদ্ধার হলো শিশু জারিফ

সিটিজি বাংলাঃ

জারিফ উদ্ধারের পর সন্দ্বীপবাসীর উল্লাস

‘আজকের মধ্যে চার লাখ টাকা দিতে হবে। কাউকে জানানো হলে মেরে ফেলা হবে জারিফকে। ’ চিরকুটে এমন একটি লেখা লিখে দেয়া হয়েছিল একটি মোবাইল নম্বর। এরপর চিরকুটটি জারিফের স্কুল ড্রেসের পকেটে রেখে তা পাঠানো হয় তাদের বাড়িতে। বুধবার মধ্যরাতে কোন এক সময় এই জামা রেখে আসা হয় জারিফদের বাড়ির দরজার সামনে।

সকালে সেই জামা থেকে চিরকুট পেয়ে থানার সাথে যোগাযোগ করে জারিফের বাবা মো. জ্যাকব। তার আগে স্থানীয় চার যুবক তারেক, সজিব, শাকিল ও ফিরোজ চিরকুটে থাকা মোবাইল নম্বরটি সনাক্ত করতে সাহায্য নেয় রবিতে কাজ করা তাদের এক বন্ধুর। সেই বন্ধু আরেক ব্যাংক কর্মকর্তার সহায়তায় নিশ্চিত হয় নাম্বারটি তাহমিনা আক্তার নামে এক মহিলার। আইডি কার্ড বের করে নিশ্চিত করা হয় তাহমিনার বাড়ির ঠিকানাও। দেখা যায় জারিফদের বাড়ির মাত্র এক কিলোমিটার দূরেই সেই অপহরণকারী তাহমিনার বাড়ি।

এরপর তিনভাগে ভাগ হয়ে শুরু হয় অভিযান। সিভিল ড্রেসে পুলিশের একটি দল ছিল নাজির হাটের আশপাশে। তাহমিনার বাড়ির কাছাকাছি আরিফ, পারভেজ ও রাজিবসহ ছিলেন জারিফের বাবা জ্যাকব। আর তারেকসহ সেই চার যুবক যায় তাহমিনার ঘরে। তিন মিনিটের মধ্যেই অন্ধকার এক রুম থেকে কম্বল মোড়ানো অবস্থায় তারা উদ্ধার করে জারিফকে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাহমিনা জানায়, স্থানীয় ৩-৪ জন যুবক তাকে এই অপহরণ করতে বাধ্য করে। পুলিশ এখন হন্য হয়ে খুঁজছে নেপথ্যের সেই হোতাদের।

একদিন আগে রেকি করে তাহমিনা—
জারিফকে অপহরণ করতে পরিকল্পনা হয়েছে অনেক আগেই। এজন্য বেশ কয়েকবার তাহমিনা জারিফের স্কুল ও বাড়িতে আসা যাওয়া করে। সোমবারও জারিফের স্কুলে যায় তাহমিনা। কিন্তু সেদিন তাকে আনতে স্কুলে গিয়েছিলেন জারিফের এক নিকটাত্মীয়। তাই সোমবার সফল হয়নি তাহমিনা। মঙ্গলবার জারিফকে আনতে কেউ স্কুলে না যাওয়ায় ভ্যানে করে বাড়ি আসতে থাকে সে। এই সুযোগে ভ্যান থেকে নামিয়ে জারিফকে অপহরণ করে তাহমিনা। পুরো বিষয়টি তদারকি করে নেপথ্যে থাকা সেই ৩ -৪ যুবক। তারা জারিফের অপহরণ থেকে শুরু করে পরবর্তী অবস্থাও কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করে। এদেরই একজন জারিফের স্কুল ড্রেসে চিরকুট দিয়ে বুধবার দিবাগত রাতে তা রেখে আসে জারিফদের দরজার সামনে।

যাদের বিচক্ষণতায় উদ্ধার হলো জারিফ–
জারিফকে উদ্ধার করতে গত দুদিন ধরে তৎপর ছিলেন সন্দ্বীপের হাজারো তরুণ। দ্বীপের বিভিন্ন ঘাট থেকে শুরু করে অলিতে গলিতে তল্লাশি চালায় তারা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সরব ছিল তারা। এ কারণে অপহরণের পরও জারিফকে অন্যত্র নিয়ে যেতে পারেনি চক্রটি। সবচেয়ে বেশি বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছে স্থানীয় চার যুবক হান্নান তারেক, সজিব খান, জাহিদ হাসান শাকিল ও ফিরোজ খান পাবেল। তারা চিরকুটে থাকা মোবাইল নম্বরটি সনাক্ত করতে সাহায্য নেয় রবিতে কাজ করা তাদের এক বন্ধুর। সেই বন্ধু আরেক ব্যাংক কর্মকর্তার সহায়তায় বৃহস্পতিবার সকালে নিশ্চিত হয় নাম্বারটি তাহমিনা আক্তার নামে এক মহিলার। আইডি কার্ড এর সুত্র ধরে তারা বের করে তাহমিনার বাড়ির ঠিকানাও। এরপর খোদা বক্স সাইফুল, আরিফ, পারভেজ, রাজিবের সহায়তায় জারিফদের বাড়ির মাত্র এক কিলোমিটার দূরে সেই অপহরণকারী তাহমিনার বাড়ি থেকে উদ্ধার করে জারিফকে।

অন্ধকার ঘরে কম্বল দিয়ে মুড়িয়ে রাখা হতো জারিফকে—
উদ্ধার হওয়ার পর জারিফ তার বাবা মোহাম্মদ জ্যাকব ও মা আঞ্জুমান আরাকে জানায়, তাকে অন্ধকার একটি রুমে কম্বল দিয়ে ঢেকে রাখা হতো। খাটের পাশে লাঠিও রাখা হতো। অপহরনের দিন রাতে তাকে আলু দিয়ে ভাত খেতে দেওয়া হয়। সে নিজে নিজে সেই ভাত খায়। মা বাবা কোথায় জানতে চাইলে বলতো ওরা আসবে একটু পরে। আজ সকাল বেলা তাকে শুধু দুধ খেতে দেয় অপহরণকারী তাহমিনা। ভয়ে বিছানাতেই পশ্রাব করতো জারিফ। আজ যখন তাকে উদ্ধার করা হয় তখনও ভয়ে বিছানাতে প্রশ্রাব করে দিয়েছিলো সে। বাড়িতে আনার পর তার জামা কাপড় পাল্টায় জারিফের মা। জারিফের তিন বছর বয়সি একটি বোন রয়েছে। তার নাম জারা।

সরোয়ার সুমন (ব্যুরো প্রধান, সমকাল) এর টাইমলাইন থেকে নেয়া।

বঙ্গভবনে ড. কামাল হোসেন

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বঙ্গভবনে দাওয়াতে গেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। তার সঙ্গে রয়েছেন গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসিন মন্টু।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি।

এর আগে বেলা ১২টায় রাজধানীর মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের র্শীষ নেতারা বৈঠকে বসেন। এতে ড. কামাল হোসেন ছাড়াও সরকারবিরোধী জোটের নেতা সুলতান মো. মনছুর, মোকাব্বির খান, জগলুল হায়দার ও সুব্রত চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন

জিএম রহিমুল্লাহর প্রথম জানাযা সম্পন্ন, শোকাহত জনতার ঢল

কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী জিএম রহিমুল্লাহর প্রথম নামাজে জানাযা আজ সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বেলা আড়াইটায় দ্বিতীয় জানাযা নিজ গ্রাম সদরের ভারুয়াখালীতে হবে। সকাল সাড়ে দশটায় জানাযার সময় থাকলেও ২০ মিনিট পরে জানাজা সম্পন্ন হয়।

ইমামতি করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শীর্ষনেতা মাওলানা আবদুল হালিম।
জননেতা জিএম রহিমুল্লাহর জানাযাপূর্ব সংক্ষিপ্ত সভায় বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার আদরের ভাই জিএম রহিমুল্লাহর মৃত্যুর সংবাদ বিশ্বাস হয়নি। কিভাবে তিনি এত অল্প সময়ে চলে যাবেন ভাবিনি।

মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, আপনাদের জিএম রহিমুল্লাহ ছিলেন ছোট মানুষ। হয়ে গেলেন জাতীয় নেতা। তিনি কক্সবাজারবাসীর গৌরব ছিলেন। তার মতো যোগ্যতা সম্পন্ন মানুষ কম মেলে।

জামায়াত নেতার জানাযায় দল মত নির্বিশেষে সব শ্রেণির মানুষ অংশ গ্রহণ করে। জানাযার নির্ধারিত স্থান কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ হলে তা দশটার আগেই কানায়-কানায় পূর্ন হয়ে যায়। পার্শ্ববর্তী কক্সবাজার বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়াম, পৌরপ্রিপ্যারেটরী উচ্চবিদ্যালয় মাঠ, আশপাশের সড়ক উপসড়কে শোকাহত জনতা অবস্থান নেয়। যে যেখানে ছেল সেখান থেকে জানাযার নামাজে অংশ নেয়।

জানাযাপূর্ব সমাবেশে কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল।

তিনি বলেন, আজকে মহানবীর জন্মদিন। এমন দিতে জিএম রহিমুল্লাহর জানাযা হচ্ছে। ভাবতে পারিনি তিনি এত কম সময়ে বিদায় নিবেন।

তিনি বলেন, ‘তিনি সবাইকে সন্তুষ্ট রেখে রাজনীতি করতেন। মানুষের যে কোন বিপদে ছুটে যেতেন।’

এমপি কমল রহিমুল্লাহ ভাইয়ের পরিবারের আশ্রয়স্থল হিসেবে একখন্ড জায়গার ব্যবস্থা করার অাশ্বাস দেন।

বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমীর ও কক্সবাজার জেলার সাবেক আমীর মোহাম্মদ শাহজাহান।

তিনি বলেন, তার ঘরে অনেক সময় চাল থাকতো না। আমাদের চাল কিনে দিতে হতো। তার মতো নির্লোভ মানুষ হয় না। একজন উপজেলা চেয়ারম্যান হলেও চাল-চলন ছিল সাধারণ মানুষের মতো।

বিএনপির কেন্দ্রীয় মৎস্যজীবী বিষয়ক সম্পাদক কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সাবেক এমপি লুৎফুর রহমান কাজল বলেন, জিএম রহিমুল্লাহ আমার বন্ধু। তার সাথে আমার রাজনৈতিক বিরোধ ছিল, তা ঠিক। কিন্তু তার মতো সাহসী বলিষ্ঠ নেতা আমি আর দেখিনি। ২৪ ঘন্টাই রাজনীতি, সমাজসেবা ছিল তার কাজ।

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের লে.কর্নেল (অব.) ফোরকান অাহমদ বলেন, আমি দায়িত্ব পালনের কারণে জিএম রহিমুল্লাহকে কাছ থেকে দেখেছি। প্রায় সময় আমার পরামর্শ নিতেন। খুবই কর্মঠ জনপ্রতিনিধি ছিলেন। জনগণের সেবার মানসিকতা লালন করতেন। একটি রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত থাকলেও তার মাঝে প্রভাব ছিলনা। তার মধ্যে কোন বদনামিমূলক কাজ দেখিনি। শুনিনি।

কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, আমি জিএম রহিমুল্লাহর সাথে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছি। তিনি অত্যন্ত ভাল মানুষ ছিলেন।

বক্তব্য রাখেন- জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, নায়েবে আমীর ঝিলংজা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুল গফুর, টেকনাফের হোয়াইক্ষ্যং ইউপি চেয়ারম্যান জেলা জামায়াতের নাযেবে আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী, শিবিরের কেন্দ্রীয় ছাত্র আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক তৌহিদ হোসেন, চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট ফরিদ উদ্দিন খান, অধ্যক্ষ নুর হোসেন সিদ্দিকী, কুমিল্লা ভিকটোরিয়া কলেজের সাবেক ভিপি অধ্যক্ষ রেজাউল করিম, কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক মেয়র সরওয়ার কামাল, কক্সবাজার শহর জামায়াতের আমীর সাইয়েদুল আলম, ইসলামী ঐক্যজোটের কক্সবাজার জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা সালামত উল্লাহ, রামু উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান উপজেলা জামায়াতের আমীর ফজলুল্লাহ মো হাসান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর কাশেম, কক্সবাজার সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান এড সলিম উল্লাহ বাহাদুর, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল আলম বাহাদুর, জেলা শিবির সভাপতি হেদায়েত উল্লাহ, জেলা শিবির সভাপতি রবিউল আলম, শহর সভাপতি রিদুয়ানুল হক জিসান প্রমুখ।
জেলা প্রশাসের পক্ষ থেকে জানাযায় অংশ গ্রহণ করে বক্তব্য দেন কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এএইচ এম মাহমুদুর রহমান।

জানাযাপূর্ব সভা পরিচালনা করেন জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুল আলম বাহাদুর, শহর জামায়াতের সেক্রেটারী আবদুল্লাহ আল ফারুক।

পরিবাবের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন জাহিদ ইফতেখার।

জামায়াত নেতা জিএম রহিমুল্লাহ (৫৪) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) কক্সবাজার শহরের হোটেল সাগরগাঁওতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এর আগের রাতে তিনি হোটেলের চতুর্থ তলার ৩১৬ নম্বর কক্ষে একাই ঘুমান। দুপুর পর্যন্ত ঘুম থেকে না ওঠায় তাকে ডাকতে যায় হোটেলের এক বয় ছেলে। এরপর ডাকতে যায় হোটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও জিএম রহিমুল্লাহর শ্যালক শাহেদুল ইসলাম।

তিনিও গিয়ে প্রথমে দরজা ধাক্কা দেন। কোনো সাড়া-শব্দ পাননি। পরে ভ্যান্টিলেটর দিয়ে উঁকি মেরে দেখেন- জিএম রহিম উল্লাহ উপুড় হয়ে ঘুমিয়ে আছেন। ২টা ৪০ মিনিটের দিকে বিকল্প চাবি দিয়ে দরজা খুলে দেখেন তিনি মারা গেছেন। পরে পুলিশকে খবর দেয় তারা।

শাহেদ জানান, জিএম রহিমুল্লাহ মাঝে মধ্যে হোটেল সাগরগাঁওতে রাত যাপন করতেন। সোমবার রাতেও এসে হোটেলের চার তলার ৩১৬ নং কক্ষে ঘুমাতে যান। হোটেলে থাকলে সকালে ফোন করে নাস্তা আনাতেন। কিন্তু মঙ্গলবার তিনি তা করেননি।
জিএম রহিমুল্লাহ কক্সবাজার সদরের ভারুয়াখালীর বানিয়াপাড়ার বাসিন্দা মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে। তিনি ভারুয়াখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান। তিনি ৪ মেয়ে ও ১ ছেলের জনক।

এদিকে জিএম রহিম উল্লাহর মৃত্যুর খবর পাওয়ার সাথে সাথে বিপুল মানুষ হোটেল সাগর গাঁওয়ের সামনে ভিড় করে।
এক নজর দেখতে সাধারণ মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়ে। অনেকে লাশ দেখে হতবিহবল হয়ে যায়। দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে হোটেল প্রাঙ্গণে তার লাশবাহী এ্যাম্বুলেন্স সাগর গাঁও এর সামনে রাখা হয়।সিবিএন

চট্টগ্রামে প্রেমে ব্যর্থ হয়ে ছাত্রীর মাকে হত্যা, গৃহশিক্ষক আটক

চট্টগ্রাম মহানগরীর আকবরশাহ এলাকায় শাহীনা বেগম (৩৫) নামে এক নারীকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ের গৃহশিক্ষক শাহজাহানকে আটক করেছে পুলিশ।

২০ নভেম্বর মঙ্গলবার বিকালে নগরীর আকবরশাহ থানার বিশ্ব কলোনি বেড়া মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় আহত হয়েছে শাহীনা বেগমের স্বামী ও দেবরকে কুপিয়ে আহত করেছে শাহজাহান।

আকবর শাহ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জসিম উদ্দিন এ খবর নিশ্চিত করে বলেন, ঘাতক শাহজাহানকে আটক করা হয়েছে।

তিনি জানান, নিহতের মেয়েকে বাসায় এসে পড়াতো। এই সুযোগে ছাত্রীর সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। বিষয়টি পারিবারের জানাজানি হলে তাকে গৃহশিক্ষক থেকে বাদ দেয়া হয় এবং তাদের বাড়ীতেও আসতে নিষেধ করা হয়। কিন্তু শাহজাহান নিষেধ অমান্য করে তাদের বাড়ীতে আসলে নিহতের স্বামী তাকে মারধর করে। এঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে শাহজাহান শাহীনাকে কুপিয়ে হত্যা করে।

সীতাকুণ্ডে ‘গ্রাম আদালত বিষয়ে অবহিতকরণ’ সভা অনুষ্ঠিত

সিটিজি বাংলাঃ

বক্তব্য রাখছেন সীতাকুণ্ড প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম সেকান্দার হোসাইন।

সীতাকুণ্ডে ছয়টি ইউনিয়নের গ্রাম আদালতে গত ছয় মাসে ৩১২টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পেয়েছে ৭ লাখ ২ হাজার ৯শ’ টাকা।

এসব মামলার মধ্যে সরাসরি গ্রাম আদালতে মামলা হয়েছে ২৫৪টি। আদালত থেকে এসেছে ৩১টি। আর আগের অপেক্ষমান মামলা ছিল ২৭টি। উপজেলার ভাটিয়ারি, সোনাইছড়ি, বাঁশবাড়িয়া, বাড়বকুণ্ড, মুরাদপুর ও বারৈয়ারঢালা ইউনিয়নের গ্রাম আদালতে এই বিচারকাজ সম্পন্ন হয়।

সোমবার (১৯ নভেম্বর) সকালে সীতাকুণ্ড হলরুমে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত গ্রাম আদালত বিষয়ক সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাদের অবহিতকরণ কর্মশালায় এসব তথ্য তুলে ধরেন গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের ডিস্ট্রিক্ট ফ্যাসিলিটেটর উজ্জ্বল কুমার দাস চৌধুরী। সরকারি সেবা হিসেবে গ্রাম আদালতর সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন রায়ের সভাপতিত্বে ও মো. কবিরের সঞ্চালনায় কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন সীতাকুণ্ড প্রেসক্লাব সভাপতি এম সেকান্দর হোসাইন, সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. দেলওয়ার হোসেন ও ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আফজাল হোসেন।