চট্টগ্রামের পাঠকপ্রিয় অনলাইন

অপরাধ

রিয়াজ উদ্দিন বাজারে অবৈধ ৫০০টি সীমসহ গ্রেফতার ১

সিটিজি বাংলা, নগর প্রতিবেদক:

অবৈধ ৫০০টি সীমসহ গ্রেফতারকৃত মিজানুর

চট্টগ্রাম নগরীর রিয়াজউদ্দিন বাজার থেকে বিক্রির আগেই বিভিন্ন নামে নিবন্ধন করে রাখা (প্রি-অ্যাকটিভ) ৫০০ সিমসহ এক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট।

রোববার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে নগরীর বাহার মার্কেটে অভিযান চালিয়ে এসব সীমসহ মো. মিজানুর রহমান (২৭)কে গ্রেফতার করা হয়। তিনি সাতকানিয়া উপজেলার কেওচিয়া এলাকার ছিদ্দিক আহমদের ছেলে।

 

কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক মো. আফতাব হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃত মিজানুর রহমান ছিদ্দিক এন্টারপ্রাইজ নামে একটি সিম বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী। মিজানের কাছ থেকে গ্রামীণফোন অপারেটরের ৩০০টি এবং টেলিটক অপারেটরের ২০০টি প্রি-অ্যাকটিভ সিম উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান পুলিশ কর্মকতা মো. আফতাব হোসেন।

 

গ্রেফতারকৃত মিজানুরের বিরুদ্ধে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক মঞ্জুর হোসেন বাদী হয়ে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনে কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

কক্সবাজার চকরিয়ায় র‍্যাবের হাতে ৫,৪০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার দুই

সিটিজি বাংলা, চকরিয়া প্রতিনিধি:

৫,৪০০ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার আসামি

চট্টগ্রামের কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-৭।

 

১৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বিকাল ৫ টার দিকে র‌্যাব-৭ এর মেজর মো. মেহেদী হাসান এর নেতৃত্বে একটি দল অভিযান পরিচালনা করে ওই ইয়াবাসহ দুই জনকে গ্রেফতার করে।

উদ্ধারকৃত ইয়াবাগুলোর আনুমানিক মূল্য ২৭ লাখ টাকা বলে জানায় র‌্যাব-৭ ।

 

ইয়াবাসহ গ্রেফতারকৃত আসামি হলেন- মো. নুরুল ইসলাম (২৭) এবং মো. শাকিলকে (২৩)।

 

র‌্যাব-৭ মেজর মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের মাধ্যমে তারা জানতে পারে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানাধীন ডুলাহাজরা বাজার এলাকায় কয়েক জন মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামি এবং উদ্ধারকৃত মালামাল চকরিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান মেজর মো. মেহেদী হাসান ।

চট্টগ্রাম নগরীতে শিবিরের ২৪ নেতাকর্মীদের আটক: ককটেল উদ্ধার

সিটিজি বাংলা, নগর প্রতিবেদক:

ইসলামী ছাত্রশিবির লোগো

চট্টগ্রাম নগরীতে অভিযান চালিয়ে ইসলামী ছাত্র শিবিরের ২৪ জন নেতাকর্মীকে আটক করেছে নগর পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ৪টি ককটেল ও উসকানিমূলক বই উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান পুলিশ।

১৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাতে নগরীর ডবলমুরিং , পতেঙ্গা, বাকলিয়া ও চকবাজার থানার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

 

এর মধ্যে বাকলিয়া থানা এলাকা থেকে ১৪ জন, ডবলমুরিং থানা এলাকা থেকে ৮ জন, চকবাজার থানা এলাকা থেকে একজন ও পতেঙ্গা থানা এলাকা থেকে একজন করে আটক করা হয়।

 

এ বিষয়ে নগরীর বাকলিয়া থানার ওসি প্রণব চৌধুরী বলেন, নাশকতার পরিকল্পনার সময় অভিযান চালিয়ে কালামিয়া বাজার থেকে ৭ জন এবং রসুলবাগ আবাসিক এলাকা থেকে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৪টি ককটেল, উসকানিমূলক বই ও লিফলেট উদ্ধার করা হয়। যাদের আটক করা হয়েছে তারা শিবিরের সাথী পর্যায়ের নেতা। তাদেরকে আটকের পর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

 

এছাড়া চকবাজার থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, এলাকায় শিবিরের কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়েছে। কার্যালয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে চকবাজার এলাকা থেকে এক শিবির কর্মীকে আটক করা হয়েছে।

 

একইভাবে ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মহিউদ্দিন সেলিম বলেন, অভিযান চালিয়ে শিবিরের আট জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

ব্যাংক কলোনি এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছে। এসময় ডবলমুরিং থানা ছাত্র শিবিরের সভাপতি মোরশেদুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল মিনহাজসহ আট নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ডবলমুরিং থানার ওসি।

 

এদিকে, নগরীর পতেঙ্গা থানা এলাকা থেকেও শিবিরের এক কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলেও জানা গেছে পতেঙ্গা থানার পুলিশের সূত্র থেকে।

চট্টগ্রাম নগরীর সিআরবি এলাকায় ১০০ কেজি গাঁজাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

সিটিজি বাংলা, নগর প্রতিবেদক:

১০০ কেজি গাঁজাসহ আটক নারী মাদক ব্যবসায়ী

চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন সিআরবি এলাকার এক বস্তি ঘর থেকে বিক্রির উদ্দ্যেশে রাখা বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 

১৫ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেলে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব গাঁজাসহ নারী মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করা হয়।

এসময় মাদক বিক্রেতা নাজমা আক্তার (৩৫) কে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার নাজমা ওই এলাকার বাসিন্দা নন্নাইয়ার স্ত্রী বলে জানা গেছে।

 

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ মহসিন বলেন, গত বৃহস্পতিবার গ্রেফতার হওয়া দুই মাদক সেবীর দেয়া তথ্যমতে শনিবার বিকেলে অভিযান চালায় কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি টিম। এসময় বস্তির এ বাসায় সাত কার্টন ও এক ড্রাম (একশ কেজি) গাঁজাসহ নাজমা নামের ওই নারী মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করে।

 

গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাজমা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই বাসা থেকে স্থানীয় মাদক সেবনকারীদের গাঁজাসহ অন্যান্য মাদক সরবরাহ করে আসছে। নাজমার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান ওসি মহসিন।

চট্টগ্রাম নগরীতে আবাসিক হোটেলে কক্ষ ভাড়া করে ইয়াবা সেবন: ম্যানেজারসহ গ্রেফতার ৫

সিটিজি বাংলা, নগর প্রতিবেদক:

হোটেল ম্যানেজারসহ ইয়াবা সেবনকারী পাঁচ আসামি

 

চট্টগ্রাম নগরীর রিয়াজউদ্দিন বাজার এলাকায় শ্যামলী আবাসিক নামক একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে পাঁচজন ইয়াবা সেবনকারীকে, ব্যবসায়ী ও ওই হোটেলের ম্যানেজারকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালী থানা পুলিশ।

 

১৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে ওই পাঁচজনকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উল্লিখিত আবাসিক হোটেল থেকে গ্রেফতার করা হয়।

 

গ্রেফতার পাঁচজন হলেন- হোটেল ম্যানেজার মো. শাহ আলম (৫২), ইয়াবা বিক্রি ও সেবনে জড়িত বদিউল আলম (৪৫), মো. অলি (২০), আনোয়ার সাহাদাত (৪০) ও কামালউদ্দিন আহমেদ (৬৫)।

 

পুলিশ জানিয়েছে, শহরের অন্যতম মাদকের স্পটগুলো বন্ধ করে দেওয়ার কারণে এখন মাদক সেবনে ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্ন ও মধ্যম মানের আবাসিক হোটেলগুলো। বেশি লাভের আসায় আবাসিক হোটেল রুমে মাদকের আসর বসানোর কাজে সহয়তা করছেন খোদ হোটেল মালিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এমনকি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে হোটেল কর্মচারীরা হোটেলের নিচে পাহারা বসানো হয় বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে।

 

এ বিষয়ে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন জানান, শ্যামলী আবাসিক হোটেলের ৭ নম্বর কক্ষে ইয়াবা সেবন ও বিক্রির আসর বসেছিল। হোটেলের ম্যানেজার মো. শাহ আলম তত্ত্বাবধানে সেখানে নিয়মিত আসর বসে বলে পুলিশের কাছে তথ্য ছিল। সেখানে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা সেবনরত ৪ জনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করি। তাদের থেকে মোট ৫২ পিস ইয়াবাও উদ্ধার করা হয়েছে।

 

তিনি আরো বলেন, পুলিশ মাদকের স্পটগুলো বন্ধ করে দেওয়ার পর এখন মাদক সেবনে ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্ন ও মধ্যম মানের আবাসিক হোটেলগুলো। এ সমস্ত হোটেলগুলোর উপর নজরদারিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

চট্টগ্রাম নগরীতে বাবুর্চি ছদ্মবেশ ধারণ করে ইয়াবা পাচারকলে গ্রেফতার দুই: ৬,৮০০পিস উদ্ধার

সিটিজি বাংলা, নগর প্রতিবেদক:

বাবুর্চি ছদ্মবেশ ধারণ করে ইয়াবা পাচারকারী

 

চট্টগ্রাম নগরীর স্টেশন রোড এলাকায় কুমিল্লাগামী একটি বাস থেকে বাবুর্চি সেজে বিয়েবাড়িতে রান্নার চামচের ভেতরে ইয়াবা পাচারকালে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর।

১৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদেরকে ৬ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবাসহ সৌদিয়া প্রিন্স পরিবহনের একটি বাস থেকে গ্রেফতার করা হয়।

 

গ্রেফতার দুই মাদক ব্যবসায়ী হলেন- মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং এলাকার আবদুল রেজ্জাকের ছেলে মো. চঞ্চল (৩২) ও একই এলাকার মো. আসলামের ছেলে মো. আসমাউল (৩২)।

 

এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর চট্টগ্রাম মেট্রো উপ-অঞ্চলের উপ-পরিচালক শামীম আহমেদ জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে স্টেশন রোড এলাকা থেকে সৌদিয়া প্রিন্স পরিবহনের একটি বাস থেকে ৬ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবাসহ মো. চঞ্চল ও মো. আসমাউলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাবুর্চি বেশে যাত্রী সেজে তারা ওই ইয়াবাগুলো পাচার করে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছিল।

 

এ অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পরিদর্শক তপন কান্তি শর্মা জানিয়েছেন, বাবুর্চি সেজে বিয়েবাড়িতে ব্যবহৃত রান্নার চামচের ভেতর করে এসব ইয়াবা নিয়ে ঢাকা পাচারকালে হাতেনাতে তাদের গ্রেফতার করা হয় । চামচের পাইপ হাতলের ভেতর ইয়াবা লুকিয়ে মুখে ঝালাই করে দেওয়া হয়েছিল। সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়াতে তাদেরকে গ্রেফতার করতে পারা গেছে।

 

তিনি আরো বলেন, স্বাভাবিকভাবে তাদের ইয়াবা ব্যবসায়ী বলে মনে হবে না কারও এবং প্রশ্নই উঠে না। নাটকীয় এমন ছদ্মবেশ ধরে টেকনাফ থেকে ইয়াবাগুলো চট্টগ্রাম পর্যন্ত নিয়ে এসেছেন তারা। তারা এর আগেও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারণ করে টেকনাফ থেকে ইয়াবা ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গেছে বলে স্বীকারোক্তিতে বলেছে।
তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান পরিদর্শক তপন কান্তি শর্মা।

চট্টগ্রাম নগরীতে ৩,৮৭৫পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার

সিটিজি বাংলা, নগর প্রতিবেদক:c

ইয়াবাসহ গ্রেফতারকৃত আসামি

চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর থানাধীন বড়পুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩,৮৭৫ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭।

 

১৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে র‌্যাব এ অভিযান চালিয়ে ইয়াবা বিক্রি করার সময় তাদেরকে গ্রেফতার করে।

এসময়  তাদের কাছ থেকে ইয়াবাসহ বিক্রির নগদ টাকা ও এ কাজে ব্যবহার করা মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

 

গ্রেফতারকৃতরা হল-মোঃ ইউসুফ (৩৭), মোঃ জসিম গাজী (৩০), মোঃ কবির শিকদার (৩৫)।

 

এ বিষয়ে র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি মিমতানুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিক্তিতে বড়পোল মোড় সংলগ্ন এক্সেস রোড এর দক্ষিণ পার্শ্বে বি-বাড়ীয়া মেট্রেস নামক লেপ তোষক তৈরির দোকানের সামনে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয় বিক্রয়ের সময় ৩ জনকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৩,৮৭৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে।

তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামীদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন মাদকচক্রের সাথে যোগসাজশে ইয়াবা ট্যাবলেট সংগ্রহ করে এবং পরবর্তীতে উক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকার মাদক ব্যবসায়ী/মাদক সেবীদের কাছে বিক্রয় করে আসছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের আনুমানিক মূল্য ১৯ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা বলে জানান তিনি।

 

উদ্ধারকৃত মালামাল সহ গ্রেফতারকৃতদের হালিশহর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন।

চট্টগ্রাম নগরীতে ৮৮০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক গ্রেফতার

সিটিজি বাংলা, নগর প্রতিবেদক:

গ্রেফতারকৃত রোহিঙ্গা যুবক

চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিং থানাধীন চৌমুহনি এলাকা থেকে ৮৮০০পিছ ইয়াবাসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

 

১৩সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে দেড়টার দিকে গোপন সংবাদের উপর ভিত্তি করে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

 

গ্রেফতারকৃত রোহিঙ্গা যুবকের নাম -মো: ফয়েজ (২৫)। ফয়েজ টেকনাফি কুতুপালং রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্প ১ এর নুরুল ইসলাম প্রকাশ আজিজুল হকের ছেলে।

এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মেট্রো অঞ্চলের উপ-পরিচালক শামীম আহমেদ জানান, সোর্সের মাধ্যমে খবর পেয়ে ওই রোহিঙ্গা যুবককে ৮ হাজার ৮০০ শত পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত রোহিঙ্গা যুবককের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে বলেও জানান তিনি।

চট্টগ্রাম নগরীর শাহ্ আমানত ব্রীজ এলাকায় ইয়াবাসহ বিজিবি সদস্য গ্রেফতার

সিটিজি বাংলা, নগর প্রতিবেদক:

প্রতিকী ছবি

চট্টগ্রাম নগরীর শাহ আমানত ব্রীজ এলাকায় ইয়াবাসহ গ্রেফতার হয়েছে কক্সবাজার জেলার বিজিবির এক সদস্য।

১২ সেপ্টেম্বর বুধবার ভোরে চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া থানাধীন শাহ আমানত ব্রীজের গোলচত্বর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।

 

ওই বিজিবি সদস্যের নাম নজরুল ইসলাম (৪৩)। গ্রেফতারকৃত নজরুল কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ব্যাটেলিয়ন-২ এ কর্মরত রয়েছেন।

 

গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) এস এম মোস্তাইন হোসেন বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ইয়াবাসহ বিজিবি সদস্য নজরুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে কক্সবাজার থেকে ফরিদপুরের উদ্দ্যেশে ইয়াবাগুলো নিয়ে যাচ্ছিল।

আমানত সেতু এলাকায় বিশেষ চেকপোষ্ট বসিয়ে ইয়াবাসহ তাকে গ্রেফতার করেছে বাকলিয়া থানা পুলিশ বলেও জানান তিনি। তবে কতটুকু ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হলেন এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানাবেন বলেছেন তিনি।

 

তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে এমনটি জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

চট্টগ্রাম নগরীতে টাকা আত্মসাতকারী দুই ভুয়া সাংবাদিক গ্রেফতার

সিটিজি বাংলা, নগর প্রতিবেদক:

গ্রেফতারকৃত দুই ভুয়া সাংবাদিক

 

চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন আমিন কলোনীস্থ বেলতলা এলাকা থেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২ ভুয়া সাংবাদিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

১১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বায়জিদ থানার এসআই সাখাওয়াত হোসেন অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রতারনা করে হাতিয়ে নেয়া ৭০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মোঃ নাসির উদ্দিন পলাশ (৩৫) ও মোঃ ফারুক আহমেদ (৪৮)। গ্রেফতারকৃত পলাশ নোয়াখালীর সেনবাগের কেশবপুর এলাকার মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে এবং ফারুক নগরীর বায়েজিদ এলাকার আরেফিন নগরের জালাল মুন্সির বাড়ির সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে।

 

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন বায়েজিদ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান খন্দকার।
তিনি বলেন, কৌশল অবলম্বন করে টাকা আত্মসাত করে প্রতারণার দায়ে দুই জন ভুয়া সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। যার মামলা নং- ২৪।

 

ঘটনার বিবরণে বায়েজিদ থানার এসআই সাখাওয়াত হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃত দুই ব্যক্তি নিজেদেরকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ কমিশনার, বায়েজিদ বোস্তামী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এই দুই ব্যক্তি ছাড়াও আরো একজন পতারক মিলে গত ৫ সেপ্টেম্বর এক ব্যক্তি থেকে প্রতারনা করে ১,৯৫,০০০/-(এক লক্ষ পচানব্বই হাজার) টাকা আত্মসাৎ করে। যার মধ্যে অভিযান চালিয়ে ৭০,০০০/- (সত্তর হাজার) টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।