চট্টগ্রামের পাঠকপ্রিয় অনলাইন

চন্দনাইশ

চন্দনাইশের দোহাজারী বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ১২টি দোকান পুড়ে ছাই

সিটিজি বাংলা, চন্দনাইশ প্রতিনিধি:

প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশের দোহাজারী বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ১২ দোকান ঘর পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

১৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে দোহাজারী বাজার এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের দুর্ঘটনাটি ঘটে।

সাতকানিয়া ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. ইদ্রিস জানান, রান্নার চুলা থেকে সৃষ্ট আগুনে ১২ দোকান ঘর পুড়ে যায়। প্রায় দুই ঘণ্টা যাবৎ চেষ্টা চালিয়ে আনোয়ারা, পটিয়া, চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া ফায়ার স্টেশনের ৬টি গাড়ি বেলা ১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

এ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ফায়ার স্টেশনের এ কর্মকর্তা।

চট্টগ্রাম জেলার ৬ ওসিকে পিবিআই ও এপিবিএন বদলি: রদবদল ৪ থানায়

সিটিজি বাংলা, ডেস্ক রিপোর্ট:

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লোগো

 

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের ৬ জন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) জেলা পুলিশ থেকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এবং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানে (এপিবিএন) বদলি করা হয়েছে।

৫ সেপ্টেম্বর বুধবার পুলিশ সদর দফতরের এক আদেশে তাদের বদলি করা হয়। এ সংক্রান্ত আদেশের কপি জেলা পুলিশ সুপারের কাছে পৌঁছেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

 

বদলির আদেশ প্রাপ্তরা হলেন-হাটহাজারী থানার ওসি বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর, ফটিকছড়ি থানার ওসি জাকির হোসাইন মাহমুদ, চন্দনাইশ থানার ওসি মো. মামুন মিয়া, বাঁশখালী থানার ওসি মো. সালাউদ্দিন হীরা, ভুজপুর থানার ওসি মো. বায়েছ আলম ও বোয়ালখালী থানা থেকে সদ্য পুলিশ লাইনে বদলি হওয়া ওসি হিমাংশু কুমার দাশ।

এছাড়া চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড, মিরসরাই, জোরারগঞ্জ ও বোয়ালখালীসহ ৪ টি থানায় ওসি পদে রদবদল হয়েছে।

পুলিশ সুপার নুরেআলম মিনার আদেশে এ রদবদল হয়েছে জানিয়ে পুলিশ সুপার নুরেআলম মিনা বলেন, পুলিশ সদর দফতরের এক আদেশে হাটহাজারী, ফটিকছড়ি, চন্দনাইশ, বাঁশখালী, ভূজপুর ও বোয়ালখালী থানার ওসিকে পিবিআই ও এপিবিএনে বদলি করা হয়েছে। নিয়মিত বদলির অংশ হিসেবে সীতাকুণ্ড, মিরসরাই, জোরারগঞ্জ ও বোয়ালখালী থানায় ওসি পদে রদবদল হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এতে সীতাকুণ্ড থানার ওসি ইফতেখার হাসানকে জোরারগঞ্জ থানায়, জোরারগঞ্জ থানার ওসি জাহিদুল কবিরকে মিরসরাই থানায়, মিরসরাই থানার ওসি সাইরুল ইসলামকে বোয়ালখালী থানায় বদলি এবং জেলা পুলিশে সদ্য বদলি হয়ে আসা দেলোয়ার হোসেনকে সীতাকুণ্ড থানার ওসি পদে পদায়ন করা হয়েছে।

 

পুলিশ সূত্র জানায়, পুলিশ সদর দফতরের আদেশে হাটহাজারী থানার ওসি বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর, ফটিকছড়ি থানার ওসি জাকির হোসাইন মাহমুদ ও চন্দনাইশ থানার ওসি মো. মামুন মিয়াকে পিবিআই বদলি করা হয়েছে।

এছাড়াও বাঁশখালী থানার ওসি মো. সালাউদ্দিন হীরা, ভূজপুর থানার ওসি মো. বায়েছ আলম ও বোয়ালখালী থানা থেকে সদ্য পুলিশ লাইনে বদলি হওয়া ওসি হিমাংশু কুমার দাশকে এপিবিএনে বদলি করা হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

দক্ষিণ চট্টগ্রামের ৩০টি গ্রামে ঈদ-উল-আযহা আজ

সিটিজি বাংলা, ডেস্ক রিপোর্ট:

 

ঈদ জামাত

চট্টগ্রাম জেলার ৩০টি গ্রামে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত করা হচ্ছে।

 

২১ আগষ্ট মঙ্গলবার সকালে ঈদের নামাজ শেষে ওই সব গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় পশু কোরবানির মাধ্যমে ঈদ উল আজহা পালন করা হয়েছে।

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় মির্জাখিল দরবার শরীফের অনুসারীরা ও চন্দনাইশ উপজেলার জাহাঁগিরিয়া শাহ্সুফি মমতাজিয়া দরবার শরীফের অনুসারীগণ প্রতিবছরের মত এবারো ঈদুল আজহার নামাজ আদায় শেষে পশু কোরবানি দিয়েছেন। সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগেই এরা ঈদ উৎসব পালন করে আসছেন। মূলতঃ হজ পালনের পরের দিন এই দরবারের অনুসারীরা বিগত আড়াইশত বছরের অধিক সময় ধরে ঈদুল আজহা উদযাপন করে আসছেন।

 

মঙ্গলবার সকাল ৯টা ও ১০টায় মির্জারখীল দরবার শরীফে দুই দফা ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন হাজারো মুসল্লি। সাজ্জাদানশীন মাওলানা আবদুল হামিদ শাহর ইমামতিতে মীর্জাখীল দরবার শরিফে সকাল ৯টায় ও সাজ্জাদানশীন মাওলানা মাকসুদুর রহমানের ইমামতিতে একই দরবারে সকাল ১০টায় ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

 

চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশের পশ্চিম এলাহাবাদ, কাঞ্চননগর, মাইজপাড়া, জুনিঘোনা, আব্বাস পাড়া, সৈয়দাবাদ, দক্ষণি কাঞ্চননগর, খুনিয়ার পাড়া, হাশিমপুর, কেশুয়া, সাতবাড়িয়া, মোহাম্মদপুর, হারালা, বাশঁখালীর জলদি, কালিপুর, গুনাগড়ি, গন্ডামারার মিঞ্জিরিতলা, সনুয়া, সাধনপুর, আনোয়ারার তৈলার দ্বীপ, বাথুয়া, বারখাইন, বোয়ালখালির চরনদ্বীপ, খরনদ্বীপ, লোহাগাড়ার আমিরাবাদ, চুনতি, বরহাতিয়া, পুটিবিলা, উত্তর সুখছড়ি, আদুনগর, সাতকানিয়ার মির্জাখিল, বাংলাবাজার, মইশামুড়া, খোয়াছপাড়া, বাজালিয়া, কাঞ্চনা, গাঠিয়াডাঙ্গা, পুরাণগর, মলেয়াবাদ গ্রামসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামে ৩০টি গ্রামে ঈদুল আযহা উৎসব পালিত হচ্ছে।

 

দক্ষিণ চট্টগ্রাম ছাড়াও চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড, সন্দীপ, মীরেস্বরাই, হাটহাজারী, রাঙ্গুনিয়া, উখিয়া, বান্দরবান, আলী কদম এলাকায় সকালে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং পশু জবাই করে সেই ওই সব এলাকায় কোরবানী ঈদ উদযাপন করা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর শোক দিবস পালন উপলক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভা অনুষ্ঠিত

সিটিজি বাংলা, নগর প্রতিবেদক:

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জিইসি কনভেনশন হলে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সমাবেশের ছবি

 

চট্টগ্রাম নগরীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ উদ্দেগ্যে জিইসি কনভেনশন হলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

১২ আগস্ট রবিবার সকাল সাড়ে ১১টায় এ সভা শুরু হয় এবং চলে বিকেল পর্যন্ত। সভা শুরুর আগে জাতির জনকসহ ১৫ আগষ্টে নিহত সকলের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করেন।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাস্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে সভাস্থলে পৌছেন।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১৫আগষ্ট বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতাসহ আমরা অনেকককে হারিয়েছি। তারপর আমাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে ২১বছর। আমার দেখেছি যুদ্ধাপরাধীদের গাড়ীতে জাতীয় পতাকা উড়ছে। ১৫আগষ্টের পর বিদেশীরা আমাদের প্রশ্ন করেছিলো তোমার কেমন জাতি যে তোমরা জাতির পিতাকে হত্যা করো।

 

সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বাস করে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে তার সুযোগ্য কণ্যা শেখ হাসিনা অবস্থান সৃষ্টি করেছে। তার নেতৃত্বে তার সুযোগ্য নেতৃবৃন্দরা দেশ উন্নয়নে সহযোগীতা করে যাচ্ছে। যার ফসলে দুর্নীতিতে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ান দেশ আজ সফল বাংলাদেশ। খাদ্য ঘাটতির দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ং সম্পুর্ণ। সন্ত্রাস জঙ্গিবাদের দেশ আজ শান্তি ও সুশৃঙ্খল এবং নিরাপত্তার বাংলাদেশ।

 

দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোসলেম উদ্দিনের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় সভার প্রধান অতিথি ছিলেন বিশেষ অতিথি হিসেবে ভুমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ।

ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বলেন, বিগত সকল সংসদ নির্বাচনের চাইতেও আগামী সংসদ নির্বাচন বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সকল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পুনরায় নির্বাচিত করে দেশ উন্নয়নে অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি আগামী সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সব কয়টা আসন প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন ভুমিমন্ত্রী।

এ সময় তিনি আরো বলেন,৭৫ এর ঘাতকরা দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের জন্যই জন্মগ্রহণ করেছে। এখনো তারা ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের শুসৃঙ্খল আন্দোলনেও তারা কৌশলে প্রবেশ করে সারাদেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির যে পায়তারা করেছে তাই প্রমাণ করে তারা এখনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

 

এছাড়াও চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন ও উপ দপ্তর সম্পাদক ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ুয়াসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম নগর, দক্ষিন ও উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ,ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের যথেষ্ঠ উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

চমেক হাসপাতালের ২৮ জন চিকিৎসক বিভিন্ন উপজেলায় বদলি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

সিটিজি বাংলা,

 

 

চট্টগ্রাম নগরীর সরকারি মেডিকেল কলেজ (চমেক)ও হাসপাতালের ২৮ জন চিকিৎসককে বিভিন্ন উপজেলার হাসপাতালগুলোতে বদলির আদেশ জারি করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

 

১০ জুলাই মঙ্গলবার এ আদেশ আসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বলেছেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. এএম মজিবুল হক।

 

ওই ২৮ জন চিকিৎসককে আগামী ১৫ জুলাই রোববারের মধ্যে আগের কর্মস্থল থেকে ছাড়পত্র সংগ্রহ করে নতুন বদলির কর্মস্থলে যোগদান করতে নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হতে জানান বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. এএম মজিবুল হক।

 

এ বিষয়ে তিনি জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে এক আদেশে চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের দায়িত্বরত ২৮ চিকিৎসককে বিভিন্ন উপজেলার হাসপাতালে বদলি করা হয়েছে। তাদের ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে ছাড়পত্র নিতে হবে এবং নতুন কর্মস্থলে চলে যেতে হবে।

 

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. কিশোয়ার নাসরিনকে বদলি করা হয়েছে কক্সবাজার জেলার মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে,

চমেক হাসপাতালের সহকারী সার্জন ডা. অর্পনা দাশকে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে,
চমেক হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. রখি বণিককে সাতকানিয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে,
চট্টগ্রামের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী সার্জন ডা. শরমিলা বড়ুয়াকে কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
ও সহকারী সার্জন ডা. মো. আনোয়ার হোসেনকে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করা হয়েছে।

 

এ ছাড়া চমেক হাসপাতালের ইনডোর মেডিকেল অফিসার ডা. আনোয়ার সাঈদকে সীতাকুণ্ডের সৈয়দপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে,

চমেকের সহকারী সার্জন ডা. পলাশ নাগকে বাঁশখালীর ছনুয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে,

চমেক হাসপাতালের সহকারী সার্জন ডা. প্রসেনজিৎ ঘোষকে চন্দনাইশের বরকল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে,

সহকারী সার্জন ডা. মুমতাহিনা মাহমুদাকে পটিয়ার শিকলবাহা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কেন্দ্রে,

মেডিকেল অফিসার ডা. মুহাম্মদ তাহেরুল ইসলামকে মিরসরাই কমর আলী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে,

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সহকারী সার্জন ডা.শুভ দাশকে বাঁশখালীর সরল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে,

চমেক হাসপাতালের সহকারী সার্জন ডা. লাইলী ইয়াসমীন আক্তারকে দোহাজারী ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে,

ফৌজদারহাট আইএইচটির সহকারী সার্জন ডা. শামীমা আক্তারকে মিরসরাই সাহেরখারী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে,

চমেক হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আবিরুল ইসলামকে বড়হাতিয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে,

চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালেল সহকারী সার্জন ডা. পলাশ কান্তি করকে লোহাগাড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে,

রৌফবাদ আরবান ডিসপেন্সারির সহকারী সার্জন ডা. রিফাত বিরতে রেজায়ীকে, হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে,

চমেক হাসপাতালের ইনডোর মেডিকেল অফিসার ডা. তাহিরা বেনজীরকে লোহাগাড়া চরম্বা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

ও চমেকের মেডিকেল অফিসার শারাবানা তাহুরাকে ফেনীর শর্শদী উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে বদলি করা হয়েছে।

নগরীতে ট্রাক ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২


সিটিজি বাংলা ডেস্ক: নগরী চান্দগাঁও থানার বহদ্দার হাটের আরাকান রোডের এক কিলোমিটার এলাকায় ট্রাক এবং সিএনজি অটোরিক্সার সড়ক দুর্ঘটনায় এক সিএনজি চালকসহ দু’জন নিহত হয়েছেন।

এসময় সিএনজি অটেরিক্সা চালক শরীফ (৩৫) ও অটোরিক্সার যাত্রী ওমর ফারুক (২৫) ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
শনিবার রাত ৯ টার দিকে মুখোমুখি সংঘর্ষে এ ঘটনা ঘটেছে। চান্দগাঁও থানার ওসি আবুল বাশার খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতদের মরদেহ চমেক হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করা হয়েছে বলে জানান ওসি আবুল বাশার।

চন্দনাইশে ভাইয়ে হাতে ভাই খুন,

চন্দনাইশ প্রতিনিধি :

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে উপজেলার গাছবাড়িয়া গ্রামে বিয়ের দাওয়াত নিয়ে কথা কাটাকাটির জোরধরে চাচাতো ভাইয়ের হাতে খুন হয়েছেন একই এলাকার মৃত রফিক উদ্দিনের ছেলে রিকশাচালক সিরাজুল ইসলাম(৩৫) নামের এক ব্যক্তি (০৯ আগস্ট) বুধবার রাতে চন্দনাইশ উপজেলার গাছবাড়িয়া দুর্লভ পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে, তারা সম্পর্কে চাচাতো জেঠাতো ভাই

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, বিয়ের দাওয়াত নিয়ে চাচাত ভাই আবু বকর(৩২) সঙ্গে সিরাজুলের কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে আবু বকর ও তার পিতা আমীর উদ্দিন (৬৫) লাঠি নিয়ে সিরাজুলের উপর চড়াও হয়। এসময় তাকে কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে পেটানোর হলে সিরাজুল গুরুতর আহত হন। আহত অবস্থায় সিরাজুল ইসলামকে উদ্ধার করে চন্দনাইশ সদর হাসপাতালে ও পরে বিজিসি ট্রাষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রাত ২টার সময় তিনি মারা যান।

খবর পেয়ে চন্দনাইশ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেন।

চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন খোন্দকার ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, আত্মীয়-স্বজনদের একটি বিয়েতে দাওয়াত ‘পাওয়া-না পাওয়া’ নিয়ে সিরাজুলের সঙ্গে তার চাচা ও চাচাতো ভাইদের ঝগড়া হলে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হলে সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা এখনো পলাতক।

এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন মুন্নী বেগম বাদী হয়ে দুই জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

‘চন্দনাইশে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে’

চন্দনাইশ প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোহাজারী পৌরসভা শাখার উদ্যোগে আহ্বায়ক মশিউর রহমান রাশেদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা দোহাজারী ইয়ং স্টার ক্লাবের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সাতকানিয়ার পৌর মেয়র মোহাম্মদ জোবায়ের।

প্রধান বক্তা ছিলেন চন্দনাইশ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মোহাম্মদ সেলিম হোসেন, বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা দলিলুর রহমান, চন্দনাইশ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক দিদারুল হক দস্তগীর, মফিজুর রহমান বাহাদুর, প্রবীণ দাশ সুমন, দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা এড. রোকনুজ্জামান মুন্না, ইঞ্জিনিয়ার সনাতন চক্রবর্ত্তী বিজয়, ফয়েজ আহমেদ টিপু।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য ইমরান খান বাহাদুর, নুরুল কবির নয়ন, বৈলতলী ইউনিয়ন সভাপতি মো: শহিদুল আলম, বৈলতলী ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক মো: ওমর আলী, দোহাজারী পৌরসভার যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম হোসেন, আলম খান, বরকল ইউনিয়নের আহ্বায়ক জাহিদুল ওসমান নেছার, বরমা ইউনিয়নের আহ্বায়ক সরওয়ার কামাল লিটন, আবদুর রহিম, মো: মোজাফফর, মো: মুনির, অভি চৌধুরী, আবু তালেব, মো: কাশেম আলী প্রমুখ। প্রধান অতিথি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে স্বেচ্ছাসেবক লীগ।

স্বেচ্ছাসেবক লীগ আওয়ামী লীগের দূর্দিনের ভ্যানগার্ড। আওয়ামী লীগের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সর্বদা পাশে থাকা স্বেচ্ছাসেবক লীগকে সুসংগঠিত করে আগামীতে চন্দনাইশ-সাতকানিয়া (আংশিক) আসনে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে এবং দোহাজারী পৌরসভার অবকাঠামোগত উন্নয়নে স্বেচ্ছাসেবক লীগ জনগণের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

চন্দনাইশে এলডিপির বহিষ্কৃত নেতা মেজবান দিয়ে আওয়ামী লীগে

সিটিজি বাংলাঃ বোমা তৈরি ও নাশকতা মামলায় হাজিরা দিয়ে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) থেকে বহিষ্কৃত চন্দনাইশ উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল জাব্বার চৌধুরী শনিবার বিকেলে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন।
এর আগে জাব্বার চৌধুরী তার বাড়িতে গরু জবাই করে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানের আয়োজন করেছেন। মেজবানে আগত তার পাড়া প্রতিবেশীদের নিয়ে টান টান উত্তেজনা ও কড়া পুলিশ পহারায় গাছবাড়িয়া এনজি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে একটি মিছিল নিয়ে অনুষ্ঠানে যোগদেন আব্দুল জাবার। তবে তার সঙ্গে এ সময় এলডিপির উল্লেখযোগ্য কোন নেতাকে দেখা যায়নি। পরে স্থানীয় এমপি নজরুল ইসলামকে ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে আওয়ামী লীগে যোগদানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। এ সময় জাব্বার চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগকে ভালবেসে, বঙ্গবন্ধুর আর্দশ ও উন্নয়নের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছি।
আলোচিত-সমালেচিত এ যোগদান অনুষ্ঠানে দক্ষিণ চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের কোন শীর্ষ নেতা উপস্থিত ছিলেন না। চন্দনাইশ উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ জুনু, তিন যুগ্ম সম্পাদকের মধ্যে কেউ উপস্থিত ছিল না। সাতজন সহ-সভাপতির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তিনজন, তিন সাংগঠনিক সম্পাদকের মধ্য দুইজন উপস্থিত ছিলেন। আওয়ামী লীগের এক ডজন উপজেলা চেয়ারম্যানের মধ্যে শুধু মাত্র রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এহসানুল হক চৌধুরী বাবুল উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে এক পৌর মেয়র ও নয় জন ইউপি চেয়ারম্যানকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। এ উপলক্ষে প্রতিটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান সমর্থকদের আনার জন্য প্রতি ইউনিয়নে ৩টি করে বাস পাঠানো হয় জাব্বার চৌধুরীর পক্ষ থেকে। তবে এসব বাসে কোন ধরনের ভিড় দেখা যায়নি। আগের দিন আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি ঘটনা ঘটায় চেয়ারম্যানদের সমর্থকরা সমাবেশে উপস্থিত হয়নি বলে সংবর্ধনার আয়োজকরা জানায়।
দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান জানিয়েছেন, জঙ্গিবাদ, নাশকতার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎখাতে বিভিন্ন দল থেকে অনেকে আওয়ামী লীগে প্রকাশ্য ও গোপনে যোগদান করছেন। এ ধরনের যোগদান ঠেকাতে আওয়ামী লীগের কারো যোগদানের বিষয়ে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ থেকে অনুমোদন নেয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে। জাব্বার চৌধুরীর ক্ষেত্রে এ নীতি অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন । একই অভিমত ব্যক্ত করেছেন ব্যক্তিস্বার্থে স্থানীয় এমপি জাব্বার চৌধুরীকে দলে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন, চন্দনাইশ উপজেলা সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর।
তিনি বলেছেন, স্থানীয় এমপি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর ব্যক্তি স্বার্থে জাব্বার চৌধুরীকে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ছাড়া দলে যোগদান করিয়েছেন। যার সঙ্গে আওয়ামী লীগের আর্দশ ও নীতির সঙ্গে সর্ম্পক নেই।
উল্লেখ, জাব্বার চৌধুরীর আওয়ামী লীগে যোগদান অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে চন্দনাইশের আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের মধ্যে শুক্রবার রাতে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

চন্দনাইশে আ’লীগের দু’গ্রুপের গোলাগুলি, আহত ১০

সিটিজি বাংলাঃ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) বহিষ্কৃত চন্দনাইশ উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল জাব্বার চৌধুরীর আওয়ামী লীগে যোগদানকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় ব্যাপক গোলাগুলি হয়েছে। এঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন। তাৎক্ষনিকভাবে আহত ৩ জনের নাম জানা গেছে। এরা হলো— ফরিদ (৪২) রহিম (৪০) ও ফজলু (৪০)। তাদের বাড়ি হাসিমপুরে।
শুক্রবার রাত ৮টার দিকে প্রথমে খান হাট এলাকায় পরে সাড়ে ৮টার দিকে দ্বিতীয় দফা জোয়ারা রাস্তার মাথার মুকবুলিয়া মাদরাসার কাছে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আধ ঘণ্টার বেশী সময় কক্সবাজার- চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিলে উত্তেজনা বিরাজ করছে। রাত সাড়ে ১০টায় এ রিপোর্ট লেখার সময়ও গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে বলে জানা গেছে।
চন্দনাইশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু আহমদ এ ঘটনার জন্য এলডিপিকে দায়ী করেছেন।