চট্টগ্রামের পাঠকপ্রিয় অনলাইন

ফটিকছড়ি

ফটিকছড়িতে বেড়াতে গিয়ে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

সিটিজি বাংলা, ফটিকছড়ি প্রতিনিধি:

প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়িতে পুকুরে ডুবে মারা গেছে ৮ বছরের শিশু মৃত্যু হয়েছে।

১৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকালে ফটিকছড়ি উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নে শিশুটি আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে পুকুর ডুবে এ মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটেছে।

 

নিহত শিশুটির নাম মোহাম্মদ নাফি (৯)। নিহত নাফি নগরীর নৌ বাহিনী স্কুলের ৩য় শ্রেণীর ছাত্র। সে চন্দনাইশ গাছবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুল আজিজের ছেলে বলে জানা গেছে।

 

শিশুটির পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে নাফি পরিবারের সাথে ফটিকছড়ির নানুপুরের আত্মীয়ের বাড়ীতে বেড়াতে যায়। সেখানে অন্যান্য সহপাঠিদের সাথে পুকুরে গোসল করতে নেমে সে তলিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনা হলে মারা যায় নাফি।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল হক জানান, শুক্রবার বিকালে ফটিকছড়ি থেকে শিশু নাফিকে অসুস্থ্যবস্থায় আনার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ফটিকছড়িতে নিজ ঘরে ৬০ বছরের বৃদ্ধের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

সিটিজি বাংলা, ফটিকছড়ি প্রতিনিধি:

বৃদ্ধের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

 

চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়িতে নিজ ঘরে এক ব্যাক্তির গলাকাঁটা লাশ উদ্ধার করেছে ফটিকছড়ি থানার পুলিশ।

১২ সেপ্টেম্বর বুধবার রাতে উপজেলার পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পঁচন মিয়া মাস্টার বাড়িতে থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে।

 

নিহত বৃদ্ধার নাম আবুল কাশেম (৬০)। তিনি একই এলাকার মৃত আতর মিয়ার পুত্র। জানা গেছে, নিহত আবুল কাশেম চট্টগ্রাম নগরীর আকবর শাহ এলাকায় একটি বিল্ডিংয়ের সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে চাকরি করতেন। একমাসে তিনি চাকরি ছেড়ে গ্রামে চলে এসেছেন।

 

ঘটনার বিবরণে নিহতের মেয়ে কামরুণ নাহার ( ১৮) পুলিশকে জানিয়েছেন, আছরের নামাজের সময় বাবা তাকে চা দিতে বললে সে রান্না ঘরে চা করতে চলে যায়। পরে একটি বিকট চিৎকার শব্দ শুনে দৌড়ে সামনের ঘরে এসে দেখতে পায় তার বাবার গলাকাঁটা অবস্থায় পরে সামনে রুমে পড়ে আছে। সেটা দেখে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে এবং পড়ে পুলিশকে খবর দেয়া হয়।

 

নিহতের বড় ছেলে আবু বক্কর (২২) জানিয়েছেন, তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে মানসিক রোগে ভুগছেন। অনেক বার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এ চিকিৎসা করতে এবং বর্তমানেও চিকিৎসা চলছে বলে জানান তিনি।

 

এদিকে ফটিকছড়ি থানার ওসি বাবুল আকতার জানান, গলাকেটে হত্যার অভিযোগের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্টের পরপরই যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চট্টগ্রামে উত্তর জেলা বিএনপির উদ্যোগে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন

সিটিজি বাংলা, রাজনৈতিক ডেস্ক:

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির অনশন কর্মসূচি

কেন্দ্রীয় ঘোষণা অনুযায়ী বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও নিঃশর্ত মুক্তি এবং কারাগারে আদালত স্থাপনের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে প্রতিকী অনশন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

 

১২ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে উত্তর জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন এর সভাপতিত্বে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য উদয় কুসুম বড়ুয়া। বিএনপি নেতা ফিরোজ আহমেদ এর পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক সরওয়ার আলমগীর, মাঈন উদ্দিন মাহমুদ, আজমত আলী বাহাদুর, নিজামুল হক চৌধুরী তপন, শফিউল জামান, আবু জাফর চৌধুরী,ইলিয়াছ চৌধুরী, আলহাজ্ব মো: রফিক, এম এ হালিম, আবু বকর ছিদ্দিকী সোহেল, মহিউদ্দিন মাসুদ, মো: আবছার উদ্দিন, মো: এহসান।

 

অনশন চলাকালে নেতারা বলেন-আওয়ামী লীগ একদিকে নির্বাচনের কথা বলছে, অন্যদিকে বিরোধী দলের প্রধান নেতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অসুস্থ অবস্থায় কারাগারে বন্ধী রেখে তড়িগড়ি করে একটি রায় দিয়ে নির্বাচনের অযোগ্য ঘোষণা করতে চায় এবং প্রত্যেকদিন থানায় থানায় গায়েবী মামলা দায়ের করে নির্যাতনের ষ্টীম রুলার চালিয়ে যাচ্ছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে সরকার আরেকটি ৫ জানুয়ারির মত নির্বাচন করে ক্ষমতায় আকড়ে থাকতে চাই। আওয়ামী লীগের এই স্বপ্নকে বাংলাদেশে জনগণ কোনদিন বাস্তবায়ন হতে দেবে না।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন যুবদল সহ সভাপতি ইউছুপ চৌধুরী, সাবের সুলতান কাজল, ইকবাল চৌধুরী, হাজী সাদেক, এম শাহজাহন সাহিল, জানে আলম, কামরুল ইসলাম, সাহাব উদ্দিন, শামীম, সালাউদ্দিন, আনিসুজ্জামান সোহেল, মো: মুছা, মো: ইউনুস, মো: আলমগীর, আইয়ুব মেম্বার, মো: আলাউদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক দল নুরুল ইসলাম বাবুল মো: ইউছুপ তালুকদার, মো: একরাম মিয়া, মো: রহিম উদ্দিন রাজু, মো: আবুল কাশেম মুন্না, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, মুছা মেম্বার, বেলাল হাসান, নূর মোহাম্মদ, কুতুব উদ্দিন, আবদুল সালাম, মো: ইব্রাহিম, নাছির উদ্দিন, মো: এয়ার খান, মো: জাসু, মো: সাহাব উদ্দিন, ছাত্রদল নেতা মিয়ান রায়হানুল রাহী, একরামুল আজিম, শাহাদাত মির্জা, শফিউল আজম, শওকত, রায়হান, নিজাম উদ্দিন চৌধুরী, এম জি কিবরীয়া, জিয়াউদ্দিন, বিপুল খান, মো: একরাম, আজগর, ফরিদ উদ্দিন, রবিন, লিমন চৌধুরী বাপ্পা, তৌহিদ, রহিম, সাজ্জাদ, আরিফ, সাজ্জাদ, গাজী রাসেল, কাজী পিয়াল, রোকন, সিরাজুল ইসলাম, জাহেদুল আলম, জাহেদুল ইসলাম, মো: বেলায়েত, সাইমন প্রমুখ।

চট্টগ্রামের আদালতে স্ত্রীকে হত্যার রায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

সিটিজি বাংলা, নগর প্রতিবেদক:

প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রামের তৃতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মুন্সী আব্দুল মজিদের আদালতে নিজ স্ত্রীকে খুনের দায়ে স্বামীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

 

৬ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের আদালতে স্ত্রী লাইলী বেগমকে হত্যার দায়ে স্বামী আনোয়ার উল্লাহকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের এ রায় দেন। একই রায়ে আদালত আনোয়ার উল্লাহকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দেন। আসামি আনোয়ার উল্লাহ ফটিকছড়ি উপজেলার ভুজপুর ইউনিয়নের কালাকুম গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

 

চট্টগ্রাম জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) একেএম সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিজ স্ত্রী লাইলী বেগমকে হত্যার দায়ে স্বামী আনোয়ার উল্লাহকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন তৃতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মুন্সী আব্দুল মজিদের আদালত এবং একই রায়ে আদালত আনোয়ার উল্লাহকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দেন।

আসামি আনোয়ার উল্লাহ রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং এ রায় ঘোষণার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান একেএম সিরাজুল ইসলাম।

 

উল্লেখ্য, ২০০০ সালের ২২ এপ্রিল রাতে নিজঘরে স্ত্রী লাইলী বেগমকে হাত-পা বেঁধে গলায় রশি পেঁচিয়ে নৃশংসভাবে খুন করেন আনোয়ার উল্লাহ। পরদিন লাইলীর বাবা কামাল উল্লাহ বাদী হয়ে ফটিকছড়ি থানায় মামলা দায়ের করেন। ২০০১ সালের ২৭ জানুয়ারি আনোয়ার উল্লাহকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ২০০১ সালের ৮ জুন অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর পর ১২ জনের সাক্ষ্য নেয় রাষ্ট্রপক্ষ।

চট্টগ্রাম জেলার ৬ ওসিকে পিবিআই ও এপিবিএন বদলি: রদবদল ৪ থানায়

সিটিজি বাংলা, ডেস্ক রিপোর্ট:

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লোগো

 

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের ৬ জন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) জেলা পুলিশ থেকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এবং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানে (এপিবিএন) বদলি করা হয়েছে।

৫ সেপ্টেম্বর বুধবার পুলিশ সদর দফতরের এক আদেশে তাদের বদলি করা হয়। এ সংক্রান্ত আদেশের কপি জেলা পুলিশ সুপারের কাছে পৌঁছেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

 

বদলির আদেশ প্রাপ্তরা হলেন-হাটহাজারী থানার ওসি বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর, ফটিকছড়ি থানার ওসি জাকির হোসাইন মাহমুদ, চন্দনাইশ থানার ওসি মো. মামুন মিয়া, বাঁশখালী থানার ওসি মো. সালাউদ্দিন হীরা, ভুজপুর থানার ওসি মো. বায়েছ আলম ও বোয়ালখালী থানা থেকে সদ্য পুলিশ লাইনে বদলি হওয়া ওসি হিমাংশু কুমার দাশ।

এছাড়া চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড, মিরসরাই, জোরারগঞ্জ ও বোয়ালখালীসহ ৪ টি থানায় ওসি পদে রদবদল হয়েছে।

পুলিশ সুপার নুরেআলম মিনার আদেশে এ রদবদল হয়েছে জানিয়ে পুলিশ সুপার নুরেআলম মিনা বলেন, পুলিশ সদর দফতরের এক আদেশে হাটহাজারী, ফটিকছড়ি, চন্দনাইশ, বাঁশখালী, ভূজপুর ও বোয়ালখালী থানার ওসিকে পিবিআই ও এপিবিএনে বদলি করা হয়েছে। নিয়মিত বদলির অংশ হিসেবে সীতাকুণ্ড, মিরসরাই, জোরারগঞ্জ ও বোয়ালখালী থানায় ওসি পদে রদবদল হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এতে সীতাকুণ্ড থানার ওসি ইফতেখার হাসানকে জোরারগঞ্জ থানায়, জোরারগঞ্জ থানার ওসি জাহিদুল কবিরকে মিরসরাই থানায়, মিরসরাই থানার ওসি সাইরুল ইসলামকে বোয়ালখালী থানায় বদলি এবং জেলা পুলিশে সদ্য বদলি হয়ে আসা দেলোয়ার হোসেনকে সীতাকুণ্ড থানার ওসি পদে পদায়ন করা হয়েছে।

 

পুলিশ সূত্র জানায়, পুলিশ সদর দফতরের আদেশে হাটহাজারী থানার ওসি বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর, ফটিকছড়ি থানার ওসি জাকির হোসাইন মাহমুদ ও চন্দনাইশ থানার ওসি মো. মামুন মিয়াকে পিবিআই বদলি করা হয়েছে।

এছাড়াও বাঁশখালী থানার ওসি মো. সালাউদ্দিন হীরা, ভূজপুর থানার ওসি মো. বায়েছ আলম ও বোয়ালখালী থানা থেকে সদ্য পুলিশ লাইনে বদলি হওয়া ওসি হিমাংশু কুমার দাশকে এপিবিএনে বদলি করা হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সীতাকুণ্ডে সাংবাদিককে মাদক ব্যবসায়ীর প্রাণনাশের হুমকি, থানায় অভিযোগ

সিটিজি বাংলাঃ

সিপ্লাস টিভির সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম দুলুকে প্রাণনাশের হুমকি,থানায় অভিযোগ দায়ের নিজস্ব প্রতিবেদক সিপ্লাস টিভির সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি সাংবাদিক কামরুল ইসলাম দুলুকে প্রকাশ্য প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন এক চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ী। এ ব্যাপারে নিজের এবং পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে গত শুক্রবার বিকালে সীতাকুণ্ড থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সংবাদ প্রকাশের জের ধরে গত মঙ্গলবার দুপুরে বারআউলিয়া ফুলতলা বাজার এলাকায় চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ী আরশাদুল ইসলাম শাহিন ও সংঘবদদ্ধ একটি সন্ত্রাসী চক্র সাংবাদিক কামরুল ইসলাম দুলুকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দের পাশাপাশি পেটে চুরি চালিয়ে প্রকাশ্য হত্যার হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে আরশাদুল ও তার সঙ্গীরা সাংবাদিক দুলুর উপর হামলার চেষ্টা করেন।

এ বিষয়ে সাংবাদিক কামরুল ইসলাম দুলু বলেন,আরশাদুল ইতিপূর্বেও বেশ কয়েকবার ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে হুমকি দিয়েছেন।

সর্বশেষ মঙ্গলবার দুপুরে কাজ শেষে বাড়িতে ফেরার সময় আরশাদুল ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী আমার গতিরোধ করে হামলার চেষ্টা চালায় এবং প্রকাশ্য হত্যার হুমকি দেয়। ঘটনার পর নিরাপত্তা চেয়ে আমি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।

এএসপি সীতাকুণ্ড সার্কেল শম্পা রানী সাহা জানান,“এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ভোক্তভোগী সাংবাদিক কামরুল বাদি হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এ ব্যাপারে সঠিক তদন্ত পূর্বক সহসাই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।”

প্রতিবাদ ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিঃ

এদিকে চিহ্নিত দুস্কৃতিকারী ও মাদক ব্যবসায়ী কর্তৃক সাংবাদিক কামরুল ইসলাম দুলুকে প্রকাশ্য হত্যার হুমকির প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন স্থানীয় সাংসদ দিদারুল আলম,উপজেলা চেয়ারম্যান এস.এম আল মামুন, উপজেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল বাকের ভূইয়া,জেলা পরিষদের সদস্য আ.ম.ম দিলসাদ, সীতাকুণ্ড সমিতি চট্টগ্রাম সভাপতি লায়ন মোঃ গিয়াস উদ্দিন,সীতাকুণ্ড প্রেসক্লাবের সভাপতি এম.সেকান্দর হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক সৌমিত্র চক্রবর্তী, সাবেক সভাপতি স.ম ফোরকান আবু, এম.হেদায়েত হোসাইন,সীতাকুণ্ড অনলাইন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম,সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বিএসসি। তারা সাংবাদিককে হত্যার হুমকিদাতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানান

ফটিকছড়ি উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার ১১ দিন পর ব্যবসায়ী লাশ উদ্ধার

সিটিজি বাংলা, ফটিকছড়ি প্রতিনিধি:

ব্যবসায়ী মঈনুদ্দিন ও উদ্ধারকৃত লাশের ছবি

চট্টগ্রামের জেলার ফটিকছড়িতে মঈন উদ্দীনের (৩১) নামের নিখোঁজ এক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করছে পুলিশ।

১ সেপ্টেম্বর শনিবার নিখোঁজ হওয়ার ১১ দিন পর ১০ টায় উপজেলার উত্তর নিচিন্তাপুর ২নং ওয়ার্ড়ের দীঘির পাড় নামক স্থান থেকে তার গলিত লাশ পাওয়া যায় বলে জানায় পুলিশ। নিহত মঈন উদ্দিন সমিতিরহাট ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের পন্ডিত বাড়ির নুরুল আলমের পুত্র।

 

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আইয়ুব জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশকে জানালে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে তার পরিবারের সদস্যরা এসে লাশ সনাক্ত করার পর পুলিশ নিশ্চিত হয়।

 

এ ব্যাপারে ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাকের হোসাইন মাহমুদ বলেন, লাশের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরন করে পুলিশ। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে কে বা কারা এর সাথে যুক্ত ছিলেন এ খুনের ঘটনায়।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিশুরা লাকড়ি সংগ্রহ করতে গেলেেএকটি লাশ দেখতে পায়। পরে স্থানীয়রা চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ ইমন ও ফটিকছড়ি থানাকে জানালে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে এটি নিখোঁজ মাঈন উদ্দিনের লাশ হিসেবে সনাক্ত করেছে তার পরিবারের সদস্যরা। ঘটনাস্থলে গলিত লাশের পাশে মানিব্যাগ, কাপড় ও সেন্ডেল পাওয়া যায়।

 

উল্লেখ্য, গত ২১ আগষ্ট মঙ্গলবার রাত সাড়ে বারোটার নানুপুর বাজার থেকে নিজবাড়ী সমিতিরহাট উত্তর নিশ্চিন্তাপুর গ্রামে ফেরার পথে নিখোঁজ হন মঈন উদ্দীন। তিনি নানুপুর বাজারের সবজি ব্যবসায়ী ছিলেন। এ নিয়ে ফটিকছড়ি থানায় নিখোঁজ ডায়েরী করেন তার ভাতিজা হাসান।

 

থানায় জিডি সূত্রে জানা যায়, দিনের বেলায় বাজারে গিয়ে অার বাড়ি ফেরেননি মঈনুদ্দিন। সর্বশেষ নিখোজের দিন রাত সাড়ে বারোটার দিকে স্ত্রীর সাথে ফোনালাপে বাড়ি ফিরছেন বলে জানালেও পরে তার মুঠোফোনটি বন্ধ হয়ে যায়। সম্ভাব্য সব জায়গায় খবর নিয়েছেন তার পরিবার। অবশেষে শনিবার সকালে মঈনুদ্দিন খোঁজ মিলে পাশ্ববর্তী দীঘির পাড় এলাকায় ।

ফটিকছড়ির চা বাগানের আদিবাসী যুবতী ধর্ষণ: ধর্ষক গ্রেফতার

সিটিজি বাংলা, ফটিকছড়ি প্রতিনিধি:

প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় এক আদিবাসী যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত আজম (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে সক্ষম হয়েছে।

 

৩১ আগষ্ট শুক্রবার কাঞ্চন নগরের শেতকুয়া এলাকায় ব্র্যাক কর্ণফুলী চা বাগানে ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটেছে বলে পুলিশকে জানায় ধর্ষিতা নিজেই। ঘটনার পর ধর্ষিতা বাদী হয়ে ফটিকছড়ি থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পরে ওই রাতেই ধর্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ধর্ষিতার বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আজম কাঞ্চন নগরের শেতকুয়া এলাকার এক আদিবাসী যুবতীকে জোরপূর্বক চা বাগানের জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় যুবতী চিৎকার শুরু করলে যুবতীকে ধর্ষক আজম মারধরও করে বলে জানান তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফটিকছড়ি থানার সেকেন্ড অফিসার দেলোয়ার হোসেন ভূইয়া জানিয়েছেন, ধর্ষিতা নিজেই বাদী হয়ে ধর্ষণ ও নির্যাতের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন। ধর্ষিতার মেডিকেলে ওয়ান স্টেপ সেন্টারে চেকাপের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ফটিকছড়িতে গোপন বৈঠক থেকে শিবিরের ৫ নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার

সিটিজি বাংলা, ফটিকছড়ি প্রতিনিধি:

প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির ভুজপুর থানায় জামাত-শিবিরের ৫ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

 

১৭ আগস্ট শুক্রবার বিকালে ভুজপুরের দাঁতমারা এলাকার বিদ্যুতের বিভাগের সরকারী একটি পরিত্যক্ত ভবন থেকে তথাকথিত গোপন বৈঠককালে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

 

এ সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ইসলামী বইসহ জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দাঁতমারা তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ।

 

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে শিবিরের জেলা সেক্রেটারীও রয়েছে বলে জানিয়েন হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মাসুম। এ সময় তাদের নিকট থেকে বিপুল পরিমান বিভিন্ন ধরনের ইসলামী এবং সাংগঠনিক বই উদ্ধার করা হয়েছে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে বলেও জানান পুলিশের এই উর্দ্ধতন কর্মকর্তা।

 

গ্রেফতারকৃতরা হলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারী মো.আলাআউদ্দিন (২৬), দাঁতমারা ইউনিয়ন ছাত্র শিবিরের সভাপতি মো. আবু জাফর (২৪), শিবিরের কর্মী মো. মাঈনুদ্দিন (২৩), মো. মামুন (২০), মো. কাশেম (২৫)।

মাদক ব্যবসায়ীকে রক্ষা করতে রাস্তায় ব্যারিকেড

সিটিজি বাংলাঃ

চট্টগ্রাম ফটিকছড়িতে পুলিশের হাত থেকে মাদক ব্যবসায়ীকে রক্ষা করতে রাস্তায় ব্যারিকেট দিলেন ওই মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কিছু যুবক।

ফটিকছড়ি থানা পুলিশ নানুপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে।

ফটিকছড়ি থানার অফিসার ভনচার্জ জাকির হোসেন মাহমুদ জানান, ফটিকছড়ি নানুপুর এলাকায় আজ সকালে অভিযান চালিয়ে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।

অভিযান অব্যাহত রয়েছে, অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

আটককৃতরা হলেন মোহাম্মদ রাশেদ কামাল এবং মোহাম্মদ লোকমান হোসেন।