চট্টগ্রামের পাঠকপ্রিয় অনলাইন

রাঙ্গুনিয়া

রাঙ্গুনিয়ায় পাগলা কুকুরের কামড়ে শিশুসহ অন্তত ৩০ জন আহত

সিটিজি বাংলা, রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি:

পাগলা কুকুরগুলো

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় ভাদ্র মাসের প্রভাবিত হয়ে পাগলা কুকুরের কামড়ে নারী ও শিশুসহ অন্তত ৩০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

 

৩১ আগস্ট শুক্রবার বিকেল ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে উপজেলার পোমরা ইউনিয়নের পাশাপাশি কয়েকটি গ্রামে পাগলা কুকুরের দল পৃথকভাবে এসব আক্রমণ চালিয়ে ওইসব এলাকার বাসিন্দাদের কামড়ে আহত করে।

আহতদের প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্যে ভর্তি করা হয়। পরে সবাইকে উন্নত চিকিৎসার জন্যে চমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

স্থানীয় ইউপি সদস্য সাবের আহমদ পাগলা কুকুরের কামড়ে ৩০ জনেরও বেশি এলাকাবাসী আহত হওয়ার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এলাকায় পাগলা কুকুরের উপদ্রব বেড়ে গেছে। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পাশাপাশি কয়েকটি গ্রামে পাগলা কুকুরের আক্রমণে এতগুলো লোক আহত হওয়ার ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। মানুষজন ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছে। বিশেষ করে নারীরা বাড়ির বাইরের কাজকর্ম ও শিশুরা স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ অবস্থায় প্রশাসনের কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া জরুরি বলে তিনি জানান।

 

এ বিষয়ে স্থানীয় সমাজকর্মী সমীর চক্রবর্তী জানান, ভাদ্র মাস আসার সাথে সাথে কুকুর পাগল হয়ে গেছে এই এলাকায়। দিনরাত কিছু মানছে না এই কুকুরগুলো। সমানতালে যাকে সামনে পাচ্ছে তাকেই কামড়ে দিচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের এ বিষয়ে এখনই ব্যবস্থা নেয়া জরুরি।

 

এতে আহতরা হলেন, পোমরা অলিয়ার পাড়ার আজিজুল হকের পুত্র গ্রাম পুলিশ খোরশেদ আলম (৫০), লস্কর পাড়ার কমরেড আবুল বশরের পুত্র নেজাম উদ্দিন (৪০), কাজী পাড়ার জমির আলীর স্ত্রী আমাতন নুর (৫৫), মোহাম্মদ হোসেনের মেয়ে শান্তা বেগম (১১), ছড়ারকুল গ্রামের চলচ্চিত্র শিল্পী সাইফুল ইসলাম খোকনের স্ত্রী দিলোয়ারা বেগম (৩৫), লালু মিয়ার মেয়ে সাদিয়া আকতার (১০), নুরুল ইসলাম সওদাগরের শিশুপুত্র জাহেদুল ইসলাম (৮), পশ্চিম বড়ুয়া পাড়ার রঞ্জন বড়ুয়ার পুত্র রকি বড়ুয়া (২৪), তিতাগাজী পাড়ার মোহাম্মদ রুবেলের শিশুকন্যা মিম (৩), হিন্দু পাড়ার বাসু দের পুত্র শ্যামল দে (৩৫) ছাড়াও আরও অন্তত ২০ জন।

রাঙ্গুনিয়ার পোমরায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

সিটিজি বাংলা, রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি:

প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পোমরা ইউনিয়নের দক্ষিণ পোমরা লস্কর পাড়া এলাকায় পুকুরে ডুবে মোহাম্মদ ইয়াসিন নামের ২ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

৩১ আগস্ট শুক্রবার দুপুর ১২টায় বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে গিয়ে তার মৃত্যু হয়। শিশুটির বাবার নাম আবদুর রহিম। তিনি সৌদি প্রবাসী বলে জানা গেছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সেই সময় শিশুটির মা বাড়িতে ছিলো না। সেই সুযোগে শিশুটি বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের অগোচরে বাড়ির বাইরে এসে পুকুরে পড়ে ডুবে পানিতে তলিয়ে যায়। এ সময় শিশুটির ৪ বছর বয়সী বড়ভাইকে কাঁদতে দেখলে এলাকাবাসী বিষয়টি বুঝতে পেরে দ্রুত পুকুর থেকে ইয়াসিনকে তুলে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

শিশু ইয়াসিনের মৃত্যুতে তার পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে।

দক্ষিণ চট্টগ্রামের ৩০টি গ্রামে ঈদ-উল-আযহা আজ

সিটিজি বাংলা, ডেস্ক রিপোর্ট:

 

ঈদ জামাত

চট্টগ্রাম জেলার ৩০টি গ্রামে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত করা হচ্ছে।

 

২১ আগষ্ট মঙ্গলবার সকালে ঈদের নামাজ শেষে ওই সব গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় পশু কোরবানির মাধ্যমে ঈদ উল আজহা পালন করা হয়েছে।

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় মির্জাখিল দরবার শরীফের অনুসারীরা ও চন্দনাইশ উপজেলার জাহাঁগিরিয়া শাহ্সুফি মমতাজিয়া দরবার শরীফের অনুসারীগণ প্রতিবছরের মত এবারো ঈদুল আজহার নামাজ আদায় শেষে পশু কোরবানি দিয়েছেন। সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগেই এরা ঈদ উৎসব পালন করে আসছেন। মূলতঃ হজ পালনের পরের দিন এই দরবারের অনুসারীরা বিগত আড়াইশত বছরের অধিক সময় ধরে ঈদুল আজহা উদযাপন করে আসছেন।

 

মঙ্গলবার সকাল ৯টা ও ১০টায় মির্জারখীল দরবার শরীফে দুই দফা ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন হাজারো মুসল্লি। সাজ্জাদানশীন মাওলানা আবদুল হামিদ শাহর ইমামতিতে মীর্জাখীল দরবার শরিফে সকাল ৯টায় ও সাজ্জাদানশীন মাওলানা মাকসুদুর রহমানের ইমামতিতে একই দরবারে সকাল ১০টায় ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

 

চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশের পশ্চিম এলাহাবাদ, কাঞ্চননগর, মাইজপাড়া, জুনিঘোনা, আব্বাস পাড়া, সৈয়দাবাদ, দক্ষণি কাঞ্চননগর, খুনিয়ার পাড়া, হাশিমপুর, কেশুয়া, সাতবাড়িয়া, মোহাম্মদপুর, হারালা, বাশঁখালীর জলদি, কালিপুর, গুনাগড়ি, গন্ডামারার মিঞ্জিরিতলা, সনুয়া, সাধনপুর, আনোয়ারার তৈলার দ্বীপ, বাথুয়া, বারখাইন, বোয়ালখালির চরনদ্বীপ, খরনদ্বীপ, লোহাগাড়ার আমিরাবাদ, চুনতি, বরহাতিয়া, পুটিবিলা, উত্তর সুখছড়ি, আদুনগর, সাতকানিয়ার মির্জাখিল, বাংলাবাজার, মইশামুড়া, খোয়াছপাড়া, বাজালিয়া, কাঞ্চনা, গাঠিয়াডাঙ্গা, পুরাণগর, মলেয়াবাদ গ্রামসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামে ৩০টি গ্রামে ঈদুল আযহা উৎসব পালিত হচ্ছে।

 

দক্ষিণ চট্টগ্রাম ছাড়াও চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড, সন্দীপ, মীরেস্বরাই, হাটহাজারী, রাঙ্গুনিয়া, উখিয়া, বান্দরবান, আলী কদম এলাকায় সকালে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং পশু জবাই করে সেই ওই সব এলাকায় কোরবানী ঈদ উদযাপন করা হয়েছে।

রাঙ্গুনিয়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বড়ভাই খুন করলো ছোট ভাইকে

সিটিজি বাংলা, নগর প্রতিবেদক:

 

নিহত আব্দুর রাজ্জাক

চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মরিয়ম নগর ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ড পূর্ব সৈয়দবাড়ি গ্রামে জায়গা জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বড় ভাইয়ের হাতে খুন হয়েছে ছোটভাই। নিহত রাজ্জাক একই এলাকার হাজী আবদুল মালেকের পুত্র।

 

২০ আগস্ট সোমবার দিবাগত রাত ১০ টার দিকে বড়ভাই মো. মুছা (৫২) নামের ধারালো কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে ছোট ভাই মো. আবদুর রাজ্জাক (৪৫)।

 

নিহত ছোটভাই সিএনজিচালিত অটোরিক্সা চালক। এ ঘটনার হামলা গুরুতর আহত হয়েছেন নিহতের স্ত্রী খুরশিদা বেগম (৩৭) ও পুত্র মো. রাকিব (১৩)।

এবিষয়ে মরিয়ম নগর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো.সেলিম জানান, দীর্ঘদিন ধরে মো. মুছা ও মো. আবদুর রাজ্জাকের পরিবারের মাঝে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। রাতে নিজ বাড়ির উঠানে দুই ভাইয়ের মধ্যে তর্কবির্তক লেগে যায়। পরে ঘটনাটি মারামারিতে রূপ নেয়।

মারামারির ঘটনায় স্ত্রীর সামনে মুসার ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলে মারা যায় রাজ্জাক। আহত হয় তার স্ত্রী ও ছেলে। পরে প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাজ্জাককে মৃত ঘোষনা করে। আহত মা ও ছেলেকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

পুলিশ খুনের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে রাজ্জাকের বড় ভাই মো. মুছাসহ আরো ৩ জনকে আটক করেছে। অন্যান্য আটককৃতরা হলেন মুছার স্ত্রী রোজি আকতার (৪৫) ও তাদের ছেলে শরিফুল ইসলাম ওরফে আসিফ (২০)।

 

রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ মো. আহসানুল কাদের ভুঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পারিবারিক জমি দখলের বিরোধের জের ধরে ভাইদের মধ্যে হতাহতের ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে লাশ উদ্ধার করেছে এবং সেই সাথে হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে হত্যাকারীসহ ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।

চুয়েট শাখার ছাত্রশিবিরের সভাপতি গ্রেপ্তারে চট্টগ্রাম উত্তর জামাত শিবিরের নিন্দা

সিটিজি বাংলা, চুয়েট প্রতিনিধিঃ

 

 

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) শাখার শিবির সভাপতি জামিল আহম্মদকে পরীক্ষার হল থেকে আটকের পর বেধম মারধর করে হাতে অস্ত্র দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে ছাত্রলীগ নামধারী সন্ত্রাসীরা।

 

২০ জুলাই শুক্রবার দুপুরের দিকে এ ঘটনায় জামিল আহম্মদকে একমাত্র আসামী করে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেছে চুয়েট ছাত্রলীগ সভাপতি মোহাম্মদ বাকের।

 

ছাত্রলীগের দাবি এই ছুরিটি নিয়ে পরীক্ষা দিতে এসেছিলো জামিল আহম্মদ। জামিল আহম্মদ ঠাকুরগাঁও জেলার পূর্ব গোয়ালপাড়া এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে এবং চুয়েটের কম্পিউটার সাইন্স বিভাগের শিক্ষার্থী।

 

রাউজান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কেফায়েত উল্লাহ জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ছাত্রলীগের চুয়েট শাখার সভাপতি মোহাম্মদ বাকের ফোন করে জানায় চুয়েট শিবির সভাপতিকে আটক করা হয়েছে। পরে আমরা সেখানে গিয়ে তাকে নিয়ে আসি। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের পর বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগরী (উত্তর)।

ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগরী (উত্তর) সভাপতি আহমেদ সাদমান সালেহ ও সেক্রেটারী আ স ম রায়হান এক বিবৃতিতে বলেছেন, চুয়েট শাখা ছাত্রলীগ নামধারী চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সৈয়দ ইমাম বাকের সহ কতিপয় সন্ত্রাসীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের মেধাবী ছাত্র ও ছাত্রশিবির সভাপতি জামিল আহম্মেদকে প্রকাশ্যে পরীক্ষার কক্ষ থেকে ধরে নিয়ে নির্মম নির্যাতনের পর জোর পূর্বক দেশীয় অস্ত্র ধরিয়ে দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

 

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সারা দেশের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ন্যায় সরকার দলীয় সোনার ছেলেরা চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ালেখার স্বাভাবিক পরিবেশকে অস্থির করে তুলেছে।

 

তারা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সহ আশপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ইভটিজিং, ছাত্রী-শিক্ষক লাঞ্চনা, মাদকের ভয়াবহ আস্তানা তৈরি সহ নানা অপরাধ কর্ম করলেও সরকারের অভিযান কিংবা আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সেদিকে কোন কর্ণপাত করছে না।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, অস্ত্র নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা তাদের দ্বারাই সম্ভব যারা নিয়মিত অস্ত্র উঁচিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নানারূপ ভয়ভীতি দেখায়। কেননা শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার কক্ষে প্রবেশ করে কলম, পেন্সিল সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সাথে নিয়ে।

সারা দেশ যেখানে সরকার দলীয় দুঃশাসনের কঠিন যাতাকলে নিপতিত এ অবস্থায় শিবির নেতার সাথে অস্ত্র উদ্ধারের নাটক সাজানো অন্ধকে হাতির অঙ্গ দর্শনের গল্প শেখানো ছাড়া আর কিছুই নয়।

 

রাঙ্গুনিয়ার শরফভাটায় শিশু পুকুরে ডুবে নিহত এক, আহত এক

সিটিজি বাংলা,

 

 

চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় গোসল করতে নেমে পুকুরে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এ সময় আহত হয়েছে আরও এক শিশু।

 

১৩ জুলাই শুক্রবার উপজেলার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শরফভাটা এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

 

নিহত শিশুটির নাম মাহিয়া ওসমান (১২) এবং আহত শিশুটির নাম ইলমা (১২)। ইলমা স্থানীয় আবুল বয়ান ও মাহিয়া ওসমান গণির সন্তান বলে জানান তিনি।

 

রাঙ্গুনিয়া ফায়ার স্টেশনের লিডার আবু বকর ছিদ্দিক জানায়, শুক্রবার সকালে পুকুরে গোসল করতে নামে মাহিয়া ও ইলমা। একপর্যায়ে পানিতে তলিয়ে যায় তারা।

পরে স্থানীয় লোকজন ফায়ার স্টেশনে খবর দিলে দ্রুত গিয়ে সেই পুকুর থেকে ইলমাকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হই। কিন্তু পরে মাহিয়ার মরদেহ উদ্ধার করি।

আহত ও নিহত শিশু দুটিকে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

চমেক হাসপাতালের ২৮ জন চিকিৎসক বিভিন্ন উপজেলায় বদলি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

সিটিজি বাংলা,

 

 

চট্টগ্রাম নগরীর সরকারি মেডিকেল কলেজ (চমেক)ও হাসপাতালের ২৮ জন চিকিৎসককে বিভিন্ন উপজেলার হাসপাতালগুলোতে বদলির আদেশ জারি করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

 

১০ জুলাই মঙ্গলবার এ আদেশ আসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বলেছেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. এএম মজিবুল হক।

 

ওই ২৮ জন চিকিৎসককে আগামী ১৫ জুলাই রোববারের মধ্যে আগের কর্মস্থল থেকে ছাড়পত্র সংগ্রহ করে নতুন বদলির কর্মস্থলে যোগদান করতে নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হতে জানান বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. এএম মজিবুল হক।

 

এ বিষয়ে তিনি জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে এক আদেশে চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের দায়িত্বরত ২৮ চিকিৎসককে বিভিন্ন উপজেলার হাসপাতালে বদলি করা হয়েছে। তাদের ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে ছাড়পত্র নিতে হবে এবং নতুন কর্মস্থলে চলে যেতে হবে।

 

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. কিশোয়ার নাসরিনকে বদলি করা হয়েছে কক্সবাজার জেলার মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে,

চমেক হাসপাতালের সহকারী সার্জন ডা. অর্পনা দাশকে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে,
চমেক হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. রখি বণিককে সাতকানিয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে,
চট্টগ্রামের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী সার্জন ডা. শরমিলা বড়ুয়াকে কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
ও সহকারী সার্জন ডা. মো. আনোয়ার হোসেনকে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করা হয়েছে।

 

এ ছাড়া চমেক হাসপাতালের ইনডোর মেডিকেল অফিসার ডা. আনোয়ার সাঈদকে সীতাকুণ্ডের সৈয়দপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে,

চমেকের সহকারী সার্জন ডা. পলাশ নাগকে বাঁশখালীর ছনুয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে,

চমেক হাসপাতালের সহকারী সার্জন ডা. প্রসেনজিৎ ঘোষকে চন্দনাইশের বরকল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে,

সহকারী সার্জন ডা. মুমতাহিনা মাহমুদাকে পটিয়ার শিকলবাহা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কেন্দ্রে,

মেডিকেল অফিসার ডা. মুহাম্মদ তাহেরুল ইসলামকে মিরসরাই কমর আলী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে,

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সহকারী সার্জন ডা.শুভ দাশকে বাঁশখালীর সরল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে,

চমেক হাসপাতালের সহকারী সার্জন ডা. লাইলী ইয়াসমীন আক্তারকে দোহাজারী ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে,

ফৌজদারহাট আইএইচটির সহকারী সার্জন ডা. শামীমা আক্তারকে মিরসরাই সাহেরখারী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে,

চমেক হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আবিরুল ইসলামকে বড়হাতিয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে,

চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালেল সহকারী সার্জন ডা. পলাশ কান্তি করকে লোহাগাড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে,

রৌফবাদ আরবান ডিসপেন্সারির সহকারী সার্জন ডা. রিফাত বিরতে রেজায়ীকে, হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে,

চমেক হাসপাতালের ইনডোর মেডিকেল অফিসার ডা. তাহিরা বেনজীরকে লোহাগাড়া চরম্বা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

ও চমেকের মেডিকেল অফিসার শারাবানা তাহুরাকে ফেনীর শর্শদী উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে বদলি করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের দুই উপজেলায় তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

সিটিজি বাংলা,

 

 

চট্টগ্রামের দুই উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ৯ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর।

 

৪ জুলাই বুধবার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া বাজার ও হাটহাজারী উপজেলার বড়দীঘির পাড় এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক শামীম আহমেদ জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া বাজার ও হাটহাজারী উপজেলার বড়দীঘির পাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. ইউনুস, আতিকুল্লাহ ও মো. আব্দুল্লাহ নামে তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সদস্যদের এ অভিযানে গ্রেফতারকৃত তিনজনের কাছ থেকে মোট ৯ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

 

গ্রেফতারকৃত তিনজন হলেন, মো. ইউনুস (২১), আতিকুল্লাহ (২৫) ও মো. আব্দুল্লাহ ( ২৬)। তিনজনের প্রত্যেকের বাড়ি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া এলাকায় এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামে হালদা নদী রক্ষা কমিটির সংবাদ সম্মেলনে ১১ টি সুপারিশ পেশ

সিটিজি বাংলা,

 

 

বাংলাদেশের চট্টগ্রামে একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদী রক্ষায় হাটহাজারী পিকিং পাওয়ার প্লান্টসহ অক্সিজেন থেকে কুলগাঁও পর্যন্ত শিল্প-কারখানা এবং এশিয়ান পেপার মিলসহ অন্যান্য শিল্প কারখানায় ইটিপি স্থাপন ও ব্যবহার বাধ্য করাসহ ১১টি সুপারিশ করেছে হালদা নদী রক্ষা কমিটি।

 

২৯ জুন শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সংবাদ সম্মেলনে এসব সুপারিশ উপস্থাপন করেন হালদা নদী রক্ষা কমিটির সভাপতি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মনজুরুল কিবরীয়া।

 

সংবাদ সম্মেলনে হালদা রক্ষায় যে সব সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়েছে সেগুলো হলো:

হাটহাজারীর নন্দীর হাটস্থ স্থানীয় মরা ছড়া খালের বর্জ্য ডাম্পিং স্থায়ীভাবে বন্ধের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ,

বিক্ষিপ্তভাবে গড়ে উঠা পোল্ট্রি ফার্মসমূহের দূষণ রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ,

অনন্যা আবাসিক এলাকার ভরাট হয়ে যাওয়া বামনশাহী খাল পুনঃখনন করে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা,

অনন্যার মাস্টার ড্রেনেজ সিস্টেমকে বামনশাহী খাল এবং কুয়াইশ খাল থেকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা, অনন্যা আবাসিক এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এসটিপি স্থাপন করা,

শিকারপুর ও মাদার্শা এলাকার ছোট খাল ও ছড়াসমূহ খনন করার মাধ্যমে পানির প্রবাহ বাধামুক্ত করা,

অবিলম্বে হালদা নদীকে পরিবেশগত বিপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করা,

হালদা নদী ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় সাধনের জন্য ‘হালদা নদী কমিশন’ গঠন করা

এবং হালদা নদীকে ‘জাতীয় নদী’ ঘোষণার মাধমে এই নদী রক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

তাছাড়া হালদা নদীর পানি দূষণে প্রধান চারটি কারণও উল্লেখ করা হয়।

 

 

লিখিত বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মনজুরুল কিবরিয়া বলেন, গত ১৯ জুন ২০১৮ রাত থেকে হালদা নদী ব্যাপক দুষণ আগ্রাসনের শিকার হয়। গত ২০-২১ জুন পর্যন্ত হালদা নদী এবং এর অববাহিকার বিলগুলোতে ব্যাপক হারে মাছ মরে ভেসে উঠে। হালদা নদী নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আমাদের সম্পৃক্ততা থাকা স্বত্ত্বেও এ ধরনের সমস্যা আমাদের কাছে সম্পূর্ণ নতুন। এমতাবস্থায় কয়েকটি সরকারি সংস্থা, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরি ও বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় আমরা হালদা নদী রক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে গত ২১ জুন থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত হালদা নদীর বিভিন্ন অংশ থেকে পানির নমুনা পরীক্ষা, মৃত মাছ সনাক্ত এবং নদী দূষণের উৎস সনাক্ত করার চেষ্টা করি।

 

তিনি আরও বলেন, প্রথম বারের মত হালদা নদীতে বিপর্যয়ের এমন অশনি সংকেত দেখা দিয়েছে এবং এর প্রতিক্রিয়া হবে সুদূরপ্রসারী। এর কারণ উৎঘাটনে ব্যর্থ হলে ভবিষ্যতে হালদার জন্য ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনবে। কারণ আপনারা জানেন কয়েক বছর ধরে হালদা দূষণের বিষয়ে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করে আসছি। যথাসময়ে সিদ্ধান্ত নিলে আজ হয়ত এই বিপর্যয় প্রতিহত করা সম্ভব হতো।

 

সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, নদী রক্ষায় বর্তমান সরকার বিগত সময়ের চেয়ে অনেক বেশি আন্তরিক। বালি মহাল বন্ধ, ড্রেজার নিষিদ্ধকরণসহ হালদা রক্ষায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ তার প্রমাণ বহন করে। তাছাড়াও কিছু বেসরকারি সংস্থাও ইতোমধ্যে হালদার পরিবেশ ও মা মাছ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে যার প্রেক্ষিতে মা মাছ এবার অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক ডিম ছেড়েছে। গত ২১ থেকে ২২ জুন পর্যন্ত হালদা নদী থেকে সর্বোচ্চ ১৫ কেজি ওজনের মৃত মৃগেল ব্রড মাছ, ৫/৬ কেজি ওজনের আইড় এবং প্রায় ২ দশমিক ৫ কেজি ওজনের বামোস, চিড়িং, চেউয়া, কুচিয়া, বুরগুনি মাছসহ প্রায় মৃত ১৮ প্রজাতির মাছ ও ২ প্রজাতির চিংড়ি সনাক্ত করি। এখানে উল্লেখ্য, হালদা নদীতে মৃত ভেসে উঠা মাছগুলোর মধ্যে তলদেশীয় মাছের আধিক্য লক্ষ্য করা যায়।

 

 

 

 

সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ্য করা হয়, কর্ণফুলীর মুখ, হাটহাজারী খন্দকিয়া খালের মুখ, কাটাখালী খালের মুখ, মাদারিখালের মুখ, রামদাশ হাট এলাকা, নাপিতের ঘোণা, আজিমের ঘাট, মাছুয়া ঘোণা, সর্তারঘাট এলাকাসহ ১১টি পয়েন্টে পানির নমুনা পরীক্ষা করি। আমাদের পর্যবেক্ষণে ছায়ার চর থেকে রামদাস মুন্সির হাট পর্যন্ত এলাকায় পানির প্রচন্ড দুর্গন্ধযুক্ত ও কালো বর্ণের পানি পরিলক্ষিত হয়। পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন খুব কম (০ দশমিক ২১ থেকে ১ দশমিক ০০ মিলি/লি) পাওয়া গেছে যা মাছের বসবাসের উপযোগী নয়। নমুনা পরীক্ষায় নদীর উজানের চেয়ে ভাটি এলাকায় দূষণের মাত্রা বেশি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রাউজানের আজিমের ঘাট থেকে মদুনাঘাট পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার এলাকায় দূষণের মাত্রা (গড় দ্রবীভূত অক্সিজেন ১.০১ মিলি/লি) তুলনামূলক বেশি ছিল। সাধারণত প্রতি লিটার পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের স্বাভাবিক মাত্রা থাকে ৫ মিলিগ্রাম। কিন্তু হালদার পানিতে গড়ে পাওয়া গেছে ২ মিলিগ্রামের চেয়েও কম। তাছাড়াও খন্দকিয়া খাল ও কাটা খালির মুখে দ্রবীভূত অ্যামোনিয়ার পরিমাণ ছিল খুব বেশি। যা স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে প্রায় ১০০ গুন বেশী। শাখা খালগুলোর মুখে এবং বিক্ষিপ্ত কিছু জায়গায় পানির উপরের স্তরে তেল ভাসতে দেখা যায়। সুতরাং কম পরিমাণ দ্রবীভূত অক্সিজেন এবং অতিরিক্ত মাত্রার অ্যামোনিয়ার বিষক্রিয়া হালদা নদীতে মাছের মৃত্যুর অন্যতম কারণ।’

 

হালদা নদী রক্ষা কমিটির উপদেষ্টা শামসুল হক হায়দরীর সভাপতিত্বে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সহ সভাপতি চৌধুরী ফরিদ।
এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন হালদা রক্ষা কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রেজা মুজাম্মেল, সদস্য আমিনুল ইসলাম মুন্না, হালদা নদীর ডিম সংগ্রহকারী কামাল উদ্দিন সওদাগর, আশু বড়ুয়া, শ্রীধাম জলদাস, দুলাল জলদাস, রোগাংগীর আলমসহ অনেকেই।

কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী ডিগ্রী কলেজে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকায় দুই নারীসহ এক যুবক আটক

সিটিজি বাংলা, কাপ্তাই প্রতিনিধি:

 

 

চট্টগ্রামের কাপ্তাইস্থ কর্ণফুলী ডিগ্রী কলেজের ডরমেটরিতে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কর্মকাণ্ডের সময় দুই নারীসহ এক যুবককে আটক করেছে কাপ্তাই থানা পুলিশ।

 

 

২৩ জুন শনিবার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিনের নেতৃত্বে কাপ্তাই থানা পুলিশ এ অভিযান চালায়। আটককৃত ওই যুবক একজন নির্মান শ্রমিক বলে জানা গেছে।

 

কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন জানান, এ অভিযানের পর কলেজের ডরমিটরি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আটক ওই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে যে, অসামাজিক কাজের জন্য মেয়ে দুটিকে নিয়ে একত্রিত হয়েছিল।

 

রাত আড়াইটার দিকে ইউএনও রুহুল আমিন তাঁর ফেসবুক ওয়ালে এ সংক্রান্ত একটি স্ট্যাটাস দিয়ে ঘটনাটি প্রকাশ করেন। তবে এতে আটককৃতদের নাম ও বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।