চট্টগ্রামের পাঠকপ্রিয় অনলাইন

খেলাধুলা

জিম্বাবুয়ের কাছে বাংলাদেশের শোচনীয় হার

সিটিজি বাংলাঃ

বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের মধ্যকার সিলেট টেস্টে ১৫১ রানের জয় পেয়েছে জিম্বাবুয়ে।

এর আগে ২০১৩ সালে শেষবার জিম্বাবুয়ে টেস্ট ম্যাচে জয় পায় ঘরের মাটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে।

নিজ দেশের বাইরে জিম্বাবুয়ে শেষ টেস্ট ম্যাচ জেতে ২০০১ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে।

এর আগে দিনের শুরুতে ১০ উইকেট হাতে রেখে ২৬ রান নিয়ে শুরু করেন ইমরুল কায়েস ও লিটন দাস।

কিন্তু লিটন দাস আউট হওয়ার পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো শুরু করে বাংলাদেশ।

মূলত সিকান্দার রাজা ও ব্রেন্ডন মাভুতার বলে হিমশিম খায় বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা।

রাজা ৪ টি ও মাভুতা ৩টি উইকেট নেন।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন ইমরুল কায়েস, আরিফুল হক ৩৮ ও লিটন করেন ২৩ রান।

অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ১৬ রান করে আউট হন।

মুশফিকুর রহিম করেন ১৩ রান।

সিলেটের মাটিতে প্রথম এই টেস্ট ম্যাচে জিম্বাবুয়ে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

প্রথম ইনিংসে ২৮২ রান তোলে জিম্বাবুয়ে।

বাংলাদেশ করে মাত্র ১৪৩ রান।

দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮১ রান তুলে বাংলাদেশকে ৩২১ রানের টার্গেট দেয় সফরকারী দল।

বাংলাদেশ মাত্র ৬৩ ওভার ১ বল ব্যাট করে ১৬৩ রানে অল আউট হয়ে যায় স্বাগতিক বাংলাদেশ।

১৪৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ

সিটিজি বাংলাঃ

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ১৪৩ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশে। আজ ব্যাট হাতে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে টাইগাররা। মাত্র ২০ রানেই ৪ উইকেট খোয়ায় তারা। লিটন দাস (৯), ইমরুল কায়েস (৫), নাজমুল হোসেন শান্ত (৫) ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (০) রানে আউট হন। পরে মুশফিকুর রহীম ও আরিফুল হক কিছুটা আশার আলো দেখান। তবে ৩১ রান করে জারভিচের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪১ রানে অপরাজিত থাকেন আরিফুল হক। এছাড়া মেহেদী মিরাজ ২১ রান করেন।

জিম্বাবুয়ের পক্ষে তিনটি করে উইকেট নেন পেসার টেন্ডাই চাতারা ও স্পিনার সিকান্দার রাজ।

এর আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ক্যারিয়ারে চতুর্থবারের মতো পাঁচ বা তার বেশি উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখালেন তাইজুল ইসলাম। তার ঘূণিতেই বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২৮২ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। ৬ উইকেট লাভ করেন তাইজুল। জিম্বাবুয়ের হয়ে ১৯২ বলে ৬টি চারে ৬৩ রানে অপরাজিত থাকেন পিটার মুর। এর আগে জিম্বাবুয়ের অষ্টম উইকেট তুলে নেন নামজুল ইসলাম অপু। ব্র্যান্ডন মাভুতাকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে নিজের দ্বিতীয় উইকেট শিকার করেন অভিষেক টেস্ট খেলতে নামা এই স্পিনার। এর পর কাইল জারভিস ও তেন্দাই চাতারাকে পর পর দুই বলে বিদায় করেন তাইজুল। দ্বিতীয় দিন শুরুতেই জিম্বাবুয়ে শিবিরে জোড়া আঘাত করেন তাইজুল ইসলাম। এই স্পিনার তার ঘূর্ণিতে সর্বশেষ তুলে নেন ওয়েলিংটন মাসাকাদজাকে। এর আগে তাইজুলের বলেই জিম্বাবুয়ের ষষ্ঠ উইকেট জুটি ভাঙে। ৮৫ বলে ২৮ করে নাজমুল হোসেন শান্তকে ক্যাচ দেন রেগিস চাকাভা। তিনি পিটার মুরের সঙ্গে ৬০ রানের জুটি গড়েন। প্রথম দিন ৯১ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৩৬ রান তুলেছিল জিম্বাবুয়ে। এর আগে প্রথম দিন সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে নামে টাইগাররা। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও হ্যামিল্টন মাসাকাদজা (৫২) ও শন উইলিয়ামসের হাফ সেঞ্চুরিতে ভালো সংগ্রহের দিকে এগিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। ১২ রানের জন্য উইলিয়ামসকে সেঞ্চুরি বঞ্চিত করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। প্রথম দিন শেষে পিটার মুর ৩৭ ও রেগিস চাকাভা ২০ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে তাইজুল সর্বোচ্চ ৬ উইকেট নেন। এছাড়া একটি করে উইকেট তুলে নেন আবু জায়েদ রাহি, নাজমুল ইসলাম ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।

জিম্বাবুয়েকে আবারও ধবলধোলাই দিলো বাংলাদেশ

সিটিজি বাংলাঃ

ইমরুল কায়েস এবং সৌম্য সরকারের জোড়া সেঞ্চুরিতে টানা তৃতীয়বার জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দলকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ দল। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত চতুর্থবার টাইগারদের কাছে হোয়াইটওয়াশ হলো জিম্বাবুয়ে।

এর আগে ২০১৫ সালের নভেম্বরে ঢাকায় তিন মাচের সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে জিম্বাবুয়েকে পরাজিত করে বাংলাদেশ। তার আগে ২০১৪ সালে ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়েকে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ৫-০ ব্যবধানে পরাজিত করেছিল বাংলাদেশ দল।

তবে ২০০১ সালে খালেদ মাসুদ পাইলটের নেতৃত্বে সর্বপ্রথম জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশ দল। সেবার ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়েকে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হারায় বাংলাদেশ।

শুক্রবার আগে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ২৮৬ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে। টার্গেট তাড়া করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার লিটন দাস।

দ্বিতীয় উইকেটে সৌম্য সরকারকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের রেকর্ড ২২০ রানের জুটি গড়ে দলের জয়ের পথ সহজ করে দেন ইমরুল কায়েস। তবে যে কোনো উইকেটে ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জুটি ২২৪ রানের। ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে কার্ডিপে পঞ্চম উইকেটে ২২৪ রানের জুটি গড়েন সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

শুক্রবার বাংলাদেশ দল ৪৭ বল আগেই ৭ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডে দলের বাইরে থাকা সৌম্য, শুক্রবার সিরিজের শেষ ম্যাচে দলে ফিরেই সেঞ্চুরি তুলে নেন। ওয়ানডে ক্রিকেটে নিজের ৩৫তম ম্যাচে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করেন এই ওপেনার। সাজঘরে ফেরার আগে ৯২ বল খেলে ৯ চার ও ৬ ছক্কায় ১১৭ রান করেন সৌম্য। একদিনের ক্রিকেটে সবশেষ সেঞ্চুরি পেয়েছেন ২০১৫ সালের এপ্রিলে ঢাকায়। পাকিস্তানের বিপক্ষে ১১০ বল খেলে ক্যারিয়ার সেরা ১২৭* রান করেন সৌম্য।

তবে উদ্বোধনীতে খেলতে নামা ইমরুল কায়েস ব্যক্তিগতভাবে সেঞ্চুরি তুলে নেয়ার পাশাপাশি দলকে জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেন। জয়ের জন্য শেষ দিকে ৬৩ বলে বাংলাদেশের প্রয়োজন মাত্র ১৩ রান। এমন অবস্থায় ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফেরেন কায়েস। তার আগে ১১২ বল খেলে ১০টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ১১৫ রান করেন কায়েস।

এর আগে সিরিজের প্রথম খেলায় ঢাকায় করেছেন ১৪৪ রান। গত বুধবার দ্বিতীয় ম্যাচে করেন ৯০ রান। আজ সিরিজের শেষ ওয়ানডে ম্যাচে ১১৫ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেন কায়েস। তিন ম্যাচে তার সংগ্রহ ৩৪৯ রান।

জিম্বাবুয়ে ২৮৬/৫ রান

শুক্রবার চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে জিম্বাবুয়েকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ দল। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেটে ২৮৬ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১২৯ রান সংগ্রহ করেন শেন উইলিয়ামস। এছাড়া ৭৫ রান করেন ব্রান্ডন টেইলর।

সূচনালগ্নেই দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে সফরকারীদের চেপে ধরে বাংলাদেশ দল। সিফাস জুওয়াও ক্লিন বোল্ড করে দলকে প্রথম সাফল্য এনে দেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই আরেক ওপেনার হ্যামিল্টন মাসাকাদজাকে ইনসাইড এজ করে প্যাভিলিয়নে পধ ধরান আবু হায়দার রনি।

৬ রানে ২ উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। তবে পরক্ষণে প্রতিপক্ষের ওপর সেই চাপটা ধরে রাখতে পারেননি টাইগার বোলাররা। তারা নিয়ন্ত্রিত বোলিং করলেও দারুণ খেলেন ব্রেন্ডন টেইলর ও শন উইলিয়ামস। তাদের সোজা ব্যাটে শুরুর ধাক্কা সামলে এগিয়ে যায় সফরকারীরা।

একপর্যায়ে রীতিমতো চোখ রাঙাতে থাকেন এ জুটি। কিন্তু হঠাৎই ছন্দপতন। হার মানেন টেইলর। নাজমুল ইসলাম অপুর বলে মুশফিকুর রহিমকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ফেরার আগে ৭২ বলে ৮ চার ও ৩ ছক্কায় ৭৫ রানের নান্দনিক ইনিংস খেলেন এ উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান। এটি তার ক্যারিয়ারের ৩৬তম ফিফটি। এ নিয়ে ব্যাক টু ব্যাক ফিফটি হাঁকান তিনি। টেইলরের বিদায়ে ভাঙে ১৩২ রানের জুটি।

পরে উইলিয়ামসকে যোগ্য সহযোদ্ধার সমর্থন দেন সিকান্দার রাজা। মূলত এতেই বড় সংগ্রহের ভিত পেয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। দুজনের জোটে দুরন্ত গতিতে ছুটে তারা। কিন্তু হঠাৎই হার মানেন রাজা। নাজমুল ইসলামকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে সৌম্য সরকারকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ফেরার আগে ৫১ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ৪০ রান করেন এ অলরাউন্ডার।

রাজা ফিরলেও একপ্রান্ত আগলে থেকে যান উইলিয়ামস। টাইগার বোলারদের শাসাতে থাকেন তিনি। তুলে নেন ক্যারিয়ারের ২য় সেঞ্চুরি। তার ব্যাটে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে যায় রোডেশিয়ানরা।

শেষদিকে তাকে সঙ্গ দেন পিটার মুর। ক্রিজে এসেই ঝড় তোলেন তিনি। ২১ বলে ২ ছক্কায় ২৮ রানের ক্যামিও খেলে ফেরেন মুর। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ওভারে ৫ উইকেটে ২৮৬ রান করে লালচাঁদ রাজপুতের দল। উইলিয়ামস ১২৯ রানে অপরাজিত থাকেন। ১৪৩ বলে ১০ চার ও ১ ছক্কায় এ হার না মানা ইনিংস খেলেন বাঁহাতি ব্যাটার।

অপর প্রান্তে ১ রানে অপরাজিত থাকেন এল্টন চিগুম্বুরা। বাংলাদেশের হয়ে নাজমুল ইসলাম ২টি এবং সাইফউদ্দিন ও আবু হায়দার নেন ১টি করে উইকেট। প্রথম দুই ওয়ানডেতে দাপুটে জয়ে ইতিমধ্যে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছেন টাইগাররা।

ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারবে কি বাংলাদেশ

সিটিজি বাংলাঃ

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০৫ সালে সর্বশেষ সিরিজে হেরেছিল বাংলাদেশ। এর পর থেকে ঘরের মাঠে তাদের কাছে কোনো ওয়ানডে সিরিজ হারেনি লাল-সবুজের দল। সে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারবেন কি মাশরাফি-মুশিফিকরা। অবশ্য সিরিজ জয়ে বেশ আশাবাদী বাংলাদেশ। আজ রোববার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে মাঠে গড়াবে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে। বাংলাদেশ  সময় দুপুর আড়াইটায় শুরু হবে ম্যাচটি।

দেশের মাটিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আটটি ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে একটি বাদে সবকটিতেই জিতেছে টাইগাররা। নিজেদের মাটিতে ২০০১ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে সিরিজে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয় টাইগাররা। তবে এর পর আর কোনো ওয়ানডে সিরিজ হারেনি বাংলাদেশ। তাই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় সিরিজে দুর্দান্ত রেকর্ডটি ধরে রাখার মিশন টাইগারদের।

তবে এই ধরে রাখার মিশনে বাংলাদেশকে নামতে হচ্ছে দলের দুই সেরা খেলোয়াড়কে ছাড়া। আঙুলের চোটের কারণে এই সিরিজে দলে নেই সাকিব আল হাসান। কব্জির ইনজুরির কারণে খেলতে পারবেন না তামিম ইকবাল। তারপরও দলে যাঁরা আছেন, তাঁদের নিয়ে যে লড়াই করার যায়, সেটি দেখিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।

গেল মাসে শেষ হওয়া এশিয়া কাপে সাকিব-তামিমকে ছাড়াই ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই চোটে আক্রান্ত হন তামিম। এর পর আর কোনো ম্যাচই খেলতে পারেননি তিনি। তবে হাতের ইনজুরি নিয়ে এশিয়া কাপে চার ম্যাচ খেলেছেন সাকিব। সুপার ফোরে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি তিনি। সুপার ফোরের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। ফাইনালে সাকিব-তামিমকে ছাড়াই দুর্দান্ত লড়াই করেছে টাইগাররা। শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে শেষ বল পর্যন্ত লড়াই করে ম্যাচ হারে বাংলাদেশ।

সেই সিরিজের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স সাহস জোগাচ্ছে বাংলাদেশকে। বিশেষ করে সাকিব-তামিমের জায়গায় মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ ও মোহাম্মদ মিঠুনদের দায়িত্ব নিতে হবে।

নতুন মুখ ফজলে রাব্বির দিকেও চোখ থাকবে সবার। কারণ বাঁ-হাতে ব্যাটিং ছাড়াও বল ঘোরাতেও পারদর্শী তিনি। ঘরোয়া আসরে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৬৮ ম্যাচে সাতটি সেঞ্চুরি ও ১৭টি হাফ-সেঞ্চুরিতে ৩৭১৫ রান করেছেন রাব্বি। বল হাতে ২৮ উইকেট শিকার রয়েছে তাঁর। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ৮০ ম্যাচে চারটি সেঞ্চুরি ও ১২টি হাফ-সেঞ্চুরিতে ২২০০ রান করেন ৩০ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার। বল হাতে ২৭ উইকেটও নিয়েছেন তিনি। তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে ভালো কিছু করতে পারেননি রাব্বি।

মিরান্ডার শেষ মূহুর্তের গোলে ব্রাজিলের আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জয়

সিটিজি বাংলা, স্পোর্টস ডেস্ক:

 

গোল করে আনন্দে ভাসছেন মিরান্ডা

ব্রাজিল- আর্জেন্টিনা মানেই হলো তুমুল লড়াই আর দর্শকদের বিপুল উৎসাহ আর উদ্দীপনা। এবারের প্রীতি ম্যাচে কিন্তু তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।

তুমুল আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের পরও খেলার নির্ধারিত সময় শেষে যখন স্কোরবোর্ড যখন খালি, তখন অনেকেরই হয়তো প্রতিবেদন লেখা শুরু হচ্ছিল ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচ গোলশূন্য ড্র, এমন কিছু দিয়ে হয়ত। কিন্তু আর্জেন্টিনা দলের হয়ে লিওনেল মেসি হয়তো মাঠে নেই, ব্রাজিলের হয়ে তো মাঠে আছেন ব্রাজিল সেরা নেইমার। শেষ মিনিট পর্যন্তও কি কিছু আন্দাজ করা ঠিক? ঠিক নয় হয়তোবা।

নেইমার সেটাই যেন বোঝালেন। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে কর্নার কিক থেকে তার বাড়িয়ে দেওয়া বল দুর্দান্ত হেডে আর্জেন্টিনার জালে জড়িয়ে দিলেন মিরান্ডা। সাম্বার দেশের সমর্থকরা মেতে উঠলেন বিজয়োল্লাসে।

উত্তেজনায় ঠাসা ম্যাচে এই গোলের সুবাদেই জয় তুলে নিলো তিতের শিষ্যরা। ব্রাজিল দর্শকদের জন্য একটা বড় পাওয়া যেন এই জয়।

বোয়ালখালীতে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত: সারোয়াতলী ইউনিয়ন চ্যাম্পিয়ন

সিটিজি বাংলা, খেলাধুলা ডেস্ক:

চ্যাম্পিয়ন দল সরোয়াতলী ইউনিয়ন একাদশ

চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালীতে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও আনন্দের মধ্য দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নামে বোয়ালখালী উপজেলা প্রশাসন এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টূর্নামেন্টের(অনুর্ধ্ব-১৭) চুড়ান্ত খেলায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সারোয়াতলী ইউনিয়ন।

 

১৫ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকালে কধুরখীল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টূর্ণামেন্ট অনুর্ধ্ব-১৭ এর ফাইনাল খেলা সম্পন্ন হয়েছে।

 

তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচে অামুচিয়া ইউনিয়নকে টাইব্রেকারে ২-০ গোলে পরাজিত করে সারোয়াতলী ইউনিয়ন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার এ গৌরব অর্জন করে।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন চট্টগ্রাম-৮ অাসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অালহাজ্ব মইন উদ্দন খান বাদল।

ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথির ছিলেন এমপি মঈনুদ্দিন খান বাদল

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অালহাজ্ব মইন উদ্দন খান বাদল বলেন, ফুটবলে বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকবে না । একদিন ফুটবলে বিশ্বজয় করবে বাংলাদেশ । পরে চ্যাম্পিয়ান ও রানার্স আপ দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন তিনি।

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আছিয়া খাতুনের সভাপতিত্বে পুরষ্কার বিতরন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের সদস্য মো. ইউনুচ, আওয়ামীলীগ নেতা নুরুল আলম,মুক্তিযোদ্ধা এস এম সেলিম, উপজেলা জাসদের সভাপতি মনির উদ্দিন খান, বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ সাইরুল ইসলাম, পোপাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম জসিম, সারোয়াতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন, আমুচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল দে সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা ।

এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কাকে ১৩৭ রানে উড়িয়ে দিয়ে শুভ সূচনা টাইগারদের

সিটিজি বাংলা, খেলাধুলা ডেস্ক:

উইকেট নেওয়ার পর উল্লাসে বাংলাদেশ দল

এশিয়া কাপের শুরু হওয়ার আগে থেকেই বাংলাদেশ দল ইনজুরির মিছিলে পরিণত হয়ে জর্জরিত দল। সাকিব, তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত। দলের তিন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটসম্যান ইনজুরিতে।

ম্যাচের আগে জানা গেলো, ইনজুরি মুশফিকেরও। শেষ পর্যন্ত, সাকিব, তামিম এবং মুশফিক- তিন অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে নিয়েই মাঠে নামলো বাংলাদেশ।

 

১৫ সেপ্টেম্বর শনিবার দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে শক্তিশালী শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছে বাংলাদেশ দল।

 

মাঠে নামার পরেরটা যেন পুরোটাই স্বপ্ন। ইনজুরির ওপর ইনজুরিতে পড়ে তামিমের মাঠ ছাড়া, মালিঙ্গার একের পর তোপে দিশেহারা হয়ে পড়া বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে মুশফিক-মিঠুনের ১৩১ রানের অবিশ্বাস্য জুটি, মুশফিকের অসাধারণ এক সেঞ্চুরির পর শেষ মুহূর্তে সবাইকে অবাক করে দিয়ে তামিমের মাঠে নামা এবং মুশফিকের বীরোচিত ব্যাটিং- সব কিছুই যেন সত্যি সত্যি এক স্বপ্ন।

 

সেই স্বপ্নের বাতায়ন খুলে শেষ পর্যন্ত, এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ১৩৭ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে দিয়েছে টিম বাংলাদেশ। তামিম-মুশফিক-মিঠুনদের গড়ে দেয়া ভিতকে পরিপূর্ণতা এনে দিয়েছেন বোলাররা। দুর্দান্ত বোলিং করেছেন বাংলাদেশের মাশরাফি, মোস্তাফিজ, মেহেদী হাসান মিরাজ, রুবেল হোসেন কিংবা সাকিব আল হাসান।

 

ভাঙা হাত নিয়ে ব্যাট করতে নেমে তামিম ইকবাল যেভাবে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে সাহসের সঞ্চার করেছেন, সেটাই শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের জয়ের ক্ষেত্রে বিশাল এক অনুপ্রেরণা তৈরি করে দিলো। সেই অনুপ্রেরণা নিয়েই শুরু থেকে লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের ওপর চেপে বসে বাংলাদেশের বোলাররা।

বোলারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে লঙ্কান ব্যাটসম্যানরা। ২২ রানে মোস্তাফিজের বলে কুশল মেন্ডিস আউট হওয়ার পর থেকে বিপর্যয় শুরু লঙ্কানদের। ২৭ রান করা উপুল থারাঙ্গাকে বোল্ড করে মাশরাফি একটা বার্তা দিয়ে দেন।

 

২৮ রানে ২, ৩২ রানে ৩, ৩৮ রানে ৪, ৬০ রানে ৫, ৬৩ রানে ৬ এবং ৬৯ রান তুলতেই ৭ উইকেট হারিয়ে বসে শ্রীলঙ্কা। ২৬২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে একের পর এক লঙ্কানদের উইকেট হারানো জয় ত্বরান্বিত হয় বাংলাদেশের।

 

শুরুতেই ঝড় তুলেছিলেন মোস্তাফিজ এবং মাশরাফি। তাদের সঙ্গে পরে যোগ দেন মেহেদী হাসান মিরাজ এবং রুবেল হোসেনরা। একটি আবার রানআউটও হয়েছে।

 

লঙ্কানদের কোনো ব্যাটম্যানকেই দাঁড়াতে দিলেন না বাংলাদেশের বোলাররা। সর্বোচ্চ ২৭ রান করেছিলেন উপুল থারাঙ্গা। মাশরাফির বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান তিনি। ১৬ রান করেছিলেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজ। ৬ষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে তার উইকেট তুলে নেন রুবেল হোসেন। ১১ রান করেছিলেন কুশল পেরেরা। তার উইকেট তুলে নেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

 

থিসারা পেরেরা ছিলেন শেষের শঙ্কা। কিন্তু তাকে সরাসরি বোল্ড করে মোস্তাফিজ প্রমাণ করলেন তারাও অনেক দুর এগিয়ে গেছেন। তিনি করেন মাত্র ৬ রান। অন কোনো ব্যাটসম্যানও দাঁড়াতে পারেননি। দুই অংকের ঘর স্পর্শও করতে পারেননি। মাশরাফি, মোস্তাফিজ এবং মিরাজ নেন ২টি করে উইকেট। রুবেল নেন ১ উইকেট।

ফেনীতে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টে ফরহাদ নগর ইউনিয়ন চ্যাম্পিয়ন

সিটিজি বাংলা, মোঃ নাজমুল হুদা:

চ্যাম্পিয়ন দল ফরহাদ নগর ইউনিয়ন

চট্টগ্রামের ফেনী সদর উপজেলায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (অনূর্ধ্ব-১৭) এর ফাইনাল ও সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৫ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকাল ৩টায় শহরের ভাষা শহীদ সালাম স্টেডিয়ামে আয়োজিত সমাপনীতে প্রধান অতিথি ছিলেন ফেনী ইউনিভার্সিটি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আহাম্মেদ চৌধুরী নাসিম।

 

ফাইনাল খেলায় ২-০ গোলে মোটবী ইউনিয়নকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয় ফরহাদ নগর ইউনিয়ন।

 

এছাড়াও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী, জেলা প্রশাসক মো: ওয়াহিদুজজামান, পুলিশ সুপার এস এম জাহাঙ্গীর আলম সরকার, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বিকম, জেলা ক্রীড়া সংস্থা সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন বাহার।

 

ফেনী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মো: মামুনের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক আবুল হাশেমের পরিচালনায় এসময় অন্যান্যদের মাঝে জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট হাফেজ আহম্মদ ও জেলা আওয়ামীলীগের সম্মানিত কোষাধক্ষ ফোরকান চৌধুরী ,খায়রুল বাশার তপন মজুমদার, ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল, আওয়াম দাগনভুইয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক শুসেন চন্দ্র শীল, সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অতিরিক্ত সাধারন সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন ডালিম, জনপ্রতিনিধি ফরহাদ নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন টিপুসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সীতাকুণ্ডে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল অনুষ্ঠিত: চ্যাম্পিয়ন সৈয়দপুর ইউনিয়ন

সিটিজি বাংলা, সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি:

চ্যাম্পিয়ন দল সৈয়দপুর ইউনিয়ন একাদশ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলা প্রশাসন এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টূর্নামেন্টের(অনুর্ধ্ব-১৭) চুড়ান্ত খেলায় সৈয়দপুর ইউনিয়ন একাদশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

 

১৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকালে সীতাকুণ্ড হাই স্কুল মাঠে দলটি বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন একাদশকে ১-০ গোলে হারিয়ে এ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

 

ফাইনাল খেলা সম্পন্ন হবার পরপরই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তারিকুল আলম এর সভাপতিত্বে এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন এর পরিচালনায় সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সীতাকুণ্ড উপজেলা এমপি আলহাজ্ব দিদারুল আলম।

 

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, ইউপি চেয়ারম্যান এইচ এম তাজুল ইসলাম নিজামী, রেহান উদ্দিন রেহান, শওকত আলী জাহাঙ্গীর, জাহেদ হোসেন নিজামী, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ ভট্টাচার্য, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শাহ আলম, সীতাকুণ্ড ফুটবল কমিটির সভাপতি গোলাম মহিউদ্দিন, সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা ওয়াসি আজাদ।

 

এছাড়াও সীতাকুণ্ড পৌর ব্যবসায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. বেলাল হোসেন, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর, সীতাকুণ্ড প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দীপক ভট্টাচার্য, সীতাকুণ্ড উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রবিউল হোসেন, সীতাকুণ্ড ক্রীড়া সংস্থার সদস্য আমজাদ হোসেনসহ উপজেলার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

প্রধান অতিথি এমপি দিদার বলেন, ‘খেলাধুলায় উৎকর্ষ সাধনের মাধ্যমে তরুন ও যুব সমাজকে মাদক ও অশুভ কাজ হতে বিরত রেখে পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আরও একটি উদ্যোগ। এ উদ্যোগকে সফলভাবে সম্পন্ন করতে হবে।’

 

এরপর প্রধান অতিথি চ্যাম্পিয়ন দল সৈয়দপুর ইউনিয়ন এবং রার্নার আপ বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন খেলোয়ারদের হাতে ট্রফি তুলে দেন।
এ ফাইনাল খেলায় সেরা খেলোয়ার নির্বাচিত হয় সৈয়দপুর ইউনিয়ন একাদশের খেলোয়াড় রনি দাশ (১৬)।

 

উল্লেখ্য, গত ৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল (অনুর্ধ্ব-১৭) টুর্ণামেন্টে সীতাকুণ্ড পৌরসভাসহ উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন অংশগ্রহন করে।

বর্ষসেরা মডরিচ, রোনালদো ও সালাহ, মেসি পাঁচ: সেরা দশে নেই নেইমার

সিটিজি বাংলা, খেলাধুলা ডেস্ক :

 

মডরিচ, রোনালদো ও সালাহ (ফাইল ছবি)

উয়েফার বর্ষসেরা ফুটবলারের সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা পেলেন না লিওনেল মেসি। বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন তারকা সেরা তিনে স্থান না পেলেও আছেন প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সংক্ষিপ্ত তালিকায় পর্তুগিজ তারকার সঙ্গে আছেন লিভারপুলের মিসরীয় ফরোয়ার্ড মোহামেদ সালাহ এবং ক্রোয়েশিয়া ও রিয়াল মাদ্রিদের মিডফিল্ডার ও ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় লুকা মদরিচ। উয়েফা কাল ঘোষণা করেছে সংক্ষিপ্ত এই তালিকা। সেরা দশে জায়গা হয়নি নেইমারের।

 

উয়েফা বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার দিচ্ছে ২০১০ সাল থেকে। গতবার এই পুরস্কার জিতেছিলেন রোনালদো। এরপর থেকে প্রতিবার অন্তত সেরা তিনে জায়গা পেয়েছেন এবার রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে জুভেন্টাসে যোগ দেওয়া রোনালদো। মেসি অবশ্য নিয়মিত মুখ ছিলেন না সেরা তিনে, এই নিয়ে তিনবার সেরা তিনে জায়গা মেলেনি তাঁর। নেইমারও এর আগে মাত্র একবার সেরা দশে ছিলেন।

 

পুরস্কারটাও সর্বোচ্চ তিনবার জিতেছেন রোনালদো, মেসি একবার কম। রোনালদো-মেসি ছাড়া উয়েফার বর্ষসেরার পুরস্কার জিতেছেন শুধু আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা (২০১১-১২) ও ফ্রাঙ্ক রিবেরি (২০১২-১৩)। এবার কি নতুন কোনো মুখ? ইপোথ্রোমালো

 

৩০ আগস্ট মোনাকোতে চ্যাম্পিয়নস লিগের ড্র। সেই অনুষ্ঠানেই ঘোষণা করা হবে সেরা খেলোয়াড়ের নাম, পুরস্কারও তুলে দেওয়া হবে সেদিন। শুধু বর্ষসেরা পুরুষ খেলোয়াড়ই নন, বর্ষসেরা নারী ফুটবলারের নামও ঘোষণা করা হবে সেখানে। ওই দিন আলাদা করে ছেলেদের ফুটবলের বর্ষসেরা গোলরক্ষক, ডিফেন্ডার, মিডফিল্ডার ও ফরোয়ার্ডের নামও ঘোষণা করা হবে। বর্ষসেরার সংক্ষিপ্ত তালিকায় না থাকলেও মেসি আছেন সেরা তিন ফরোয়ার্ডের সংক্ষিপ্ত তালিকায়। সেখানে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রোনালদো ও সালাহ।

 

উয়েফা এরই মধ্যে বর্ষসেরা ১০ জনের নাম প্রকাশ করেছে, প্রকাশ করেছে এঁদের সাতজনের পয়েন্টও। তবে চমক ধরে রাখতেই শীর্ষ তিনজনের পয়েন্ট প্রকাশ করা হয়নি। ড্রয়ের দিন উপস্থিত সবাই তাৎক্ষণিকভাবে ভোট দেবেন এই সেরা তিনের একজনকে। দ্বিতীয় দফা ভোটে সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট পাওয়া খেলোয়াড়টি হয়ে যাবে বিজয়ী।

সেরা দশ ফুটবলারদের তালিকায় রয়েছে- ১. লুকা মডরিচ (রিয়াল মাদ্রিদ), ২. ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (রিয়াল মাদ্রিদ), ৩. মো. সালাহ (লিভারপুল), ৪. আতোয়াঁন গ্রিজমান (অ্যাটলেটিকো), ৫. লিওনেল মেসি (বার্সেলোনা), ৬. কিলিয়ান এমবাপ্পে (পিএসজি), ৭. কেভিন ডি ব্রুইনা (ম্যান সিটি), ৮. রাফায়েল ভারান (রিয়াল মাদ্রিদ), ৯. এডেন হ্যাজার্ড (চেলসি), ১০. সার্জিও রামোস (রিয়াল মাদ্রিদ)