চট্টগ্রামের পাঠকপ্রিয় অনলাইন

প্রেস ক্লাব

মিয়ানমার পরিস্থিতিতে সিইউজে ও প্রেসক্লাবের উদ্বেগ

চট্টগ্রাম: মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যে নির্বিচারে গণহত্যা ও মানবতা বিপন্ন হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে)।

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) সিইউজে সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী এক বিবৃতিতে বলেন, মিয়ানমারে ভুক্তভোগী নির্যাতিত মানুষের ভাষ্যে উঠে এসেছে সেখানকার মানবতা বিপন্ন হওয়ার করুণ চিত্র।

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে মিয়ানমারে নির্যাতন-নিপীড়ন বন্ধ করে পরিস্থিতি উত্তরণের সেদেশের প্রতি আহ্বান এবং বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশগুলোকে অভিবাসনজনিত বাড়তি চাপ নিতে না হয় সে ব্যাপারে জাতিসংঘসহ বিশ্ব সংস্থাগুলোর তড়িৎ হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এদিকে মিয়ানমারে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর চলমান নৃশংস নির্যাতনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ।অবিলম্বে নির্যাতন বন্ধ করে শান্তি ফিরিয়ে আনার দাবি জানান তারা। নেতৃবৃন্দ জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, সাহায্য সংস্থা এবং বিবেকবান সংগঠনগুলোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন ।

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় নির্যাতিতদের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এরপর যুক্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বিবৃতিদাতারা হলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সভাপতি কলিম সরওয়ার, সিনিয়র সহসভাপতি কাজী আবুল মনসুর, সহসভাপতি সালাহউদ্দিন মো. রেজা, সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক ফরিদ উদ্দীন চৌধুরী, অর্থ সম্পাদক তাপস বড়ুয়া রুমু, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার, ক্রীড়া সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শওকত ওসমান, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলমগীর সবুজ, কার্যকরী সদস্য শহীদ উল আলম, ফারুক ইকবাল, শামসুল হক হায়দরী এবং মোয়াজ্জেমুল হক।

নেতৃবৃন্দ রোহিঙ্গাদের ওপর ভয়াবহ পাশবিক নির্যাতন চালিয়ে দেশান্তর করার যে প্রক্রিয়া চলছে এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর নীরবতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

তারা বলেন, এ ধরনের হত্যাযজ্ঞের কারণে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের সীমান্ত পেরিয়ে আসার প্রবণতা সৃষ্টি করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত অং সাং সুচিসহ মিয়ানমার সরকারকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ আহ্বান জানিয়েছেন।

‘শেখ হাসিনা না থাকলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে’

চট্টগ্রাম: আওয়ামী লীগের উপ দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেছেন, যে কোন মূল্যে শেখ হাসিনাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রক্ষমতায় রাখতে হবে। শেখ হাসিনা না থাকলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে।

রোববার রাতে নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় এসব কথা বলেন তিনি। আওয়ামী লীগের উপ দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়ার পর চট্টগ্রামে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন লোহাগাড়ার এই সন্তান।

তিনি বলেন, কবি নজরুল একবার ময়মনসিংহের ত্রিশাল থেকে নির্বাচন করে হেরেছিলেন। কবি নিমর্লেন্দু গুণও একবার নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন এবং হেরেছিলেন।  সেসময় কবি বলেছিলেন কবি হারলে হারবে কে? আমিও বলতে চাই, শেখ হাসিনা হারলে হারবে কে?

বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, চট্টগ্রামে কর্ণফুলী টানেল হচ্ছে, এলএনজি টার্মিনাল হচ্ছে, কাঠামোগত উন্নয়ন গচ্ছে।  এর ফলে ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজতর হবে।

সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, আপনারা সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডগুলো জনগণের সামনে তুলে ধরুন।  সমালোচনা করবেন, তবে তা বস্তুনিষ্ঠ সমালোচনা হতে হবে।  পাশাপাশি উন্নয়নকাজ গুলোও তুলে ধরুন।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এজাজ ইউসূফী, সিনিয়র সাংবাদিক এম নাসিরুল হক, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, দৈনিক আজাদীর সিনিয়র রিপোর্টার শুকলাল দাস, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনয়নের নির্বাহী সদস্য আসিফ সিরাজ সহ সিনিয়র সাংবাদিকরা বক্তব্য রাখেন।

হেলাল হুমায়ুনের মৃত্যুতে চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের শোক

চট্টগ্রামের প্রবীণ সাংবাদিক, দৈনিক নয়া দিগন্তের চট্টগ্রাম ব্যুরো চিফ, প্রখ্যাত কলামিস্ট ও সামাজিক সংগঠক হেলাল হুমায়ুনের মৃত্যুতে চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করা হয়েছে।

সোমবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক শোক বার্তায় সংগঠনের সভাপতি সুলাইমান মেহেদী হাসান ও সাধারণ সম্পাদক এম. মিলাদ উদ্দীন মুন্না মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

নেতৃবৃন্দ বলেন, স্বাধীন সাংবাদিকতার অন্যতম পথিকৃৎ মরহুম হেলাল হুমায়ুন বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মহান ব্রতকে সামনে রেখে যেভাবে নিরলস কাজ করেছেন, তা তার সতীর্থ সাংবাদিকেরা চিরদিন শ্রদ্ধার সাথেই মনে রাখবেন বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস।

এছাড়াও শোক প্রকাশ করেন চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহাদাত হোসাইন আশরাফ, সহ-সভাপতি বাবলু দাস, মো: শাহাজাহান, সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ‍মুজাহেদুল ইসলাম বাতেন, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক কাজী জিয়া উদ্দীন সোহেল, অর্থ সম্পাদক কামরুল ইসলাম বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর মামুন, দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক সালাহ উদ্দীন আকাশ, সমাজ কল্যান সম্পাদক কামরুল ইসলাম দুলু, প্রকাশনা সম্পাদক সবুজ অরণ্, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক খাদিজা আকতার পপি, শিক্ষা সংস্কৃতি ও ক্রিড়া সম্পাদক সাইদুল হাছান মিঠু, নির্বাহী সদস্য আবু তাহের, মীর আসলাম, হান্নান হায়দার, শামসুদ্দীন চৌধুরী, শামসুল হুদা, জাহাঙ্গীর আলম, আবদুল্লাহ আল কাইয়ুম, আনোয়ার হোসাইন, দেলোয়ার হোসাইন, তোফায়েল আহমদ,  গিয়াস উদ্দীন টিটু,  কামাল উদ্দীন, তৈয়বুল ইসলাম চৌধুরী প্রমূখ।

এর আগে রোববার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন হেলাল হুমায়ুন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত ছিলেন।

সাংবাদিক হেলাল হুমায়ুন বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের অধিকারী। তিনি দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী সদস্য, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সহসভাপতি, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক সমবায় সমিতির সাবেক নির্বাচিত সহসভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, চট্টগ্রাম প্রেস কাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সাবেক নির্বাচিত সদস্য এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। এ ছাড়া দৈনিক সংগ্রাম, দৈনিক দেশ বাংলা, জাতীয় দৈনিক অর্থনীতি ও খবরপত্রসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের চট্টগ্রাম ব্যুরো চিফের দায়িত্ব পালন করেছেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি দৈনিক নয়া দিগন্তের বিশেষ প্রতিনিধি ও চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান ছিলেন। হেলাল হুমায়ুন স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
১৯৮২ সালে সাংবাদিকতা পেশায় যোগ দেন তিনি। এ বর্ণাঢ্য জীবনে তিনি অসংখ্য প্রবন্ধ ও বই লিখেছেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সাংবাদিক নাসির উদ্দিনের স্ত্রীর মৃত্যুতে চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের শোক

বাংলাভিশন চট্টগ্রামের ব্যুরো প্রধান, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য নাসির উদ্দিন তোতার স্ত্রী সামিনা আক্তারের মৃত্যুতে চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করা হয়েছে।

সংগঠনের সভাপতি সুলাইমান মেহেদী হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মিলাদ উদ্দীন মুন্না এক শোক বার্তায় মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এছাড়াও শোক প্রকাশ করেন চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহাদাত হোসাইন আশরাফ, সহ-সভাপতি বাবলু দাস, মো: শাহাজাহান, সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ‍মুজাহেদুল ইসলাম বাতেন, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক কাজী জিয়া উদ্দীন সোহেল, অর্থ সম্পাদক কামরুল ইসলাম বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর মামুন, দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক সালাহ উদ্দীন আকাশ, সমাজ কল্যান সম্পাদক কামরুল ইসলাম দুলু, প্রকাশনা সম্পাদক সবুজ অরণ্য মহিলা বিষয়ক সম্পাদক খাদিজা আকতার পপি, শিক্ষা সংস্কৃতি ও ক্রিড়া সম্পাদক সাইদুল হাছান মিঠু, নির্বাহী সদস্য আবু তাহের, মীর আসলাম, হান্নান হায়দার, শামসুদ্দীন চৌধুরী, শামসুল হুদা, জাহাঙ্গীর আলম, আবদুল্লাহ আল কাইয়ুম, আনোয়ার হোসাইন, দেলোয়ার হোসাইন, তোফায়েল আহমদ,  গিয়াস উদ্দীন টিটু,  কামাল উদ্দীন, তৈয়বুল ইসলাম চৌধুরী প্রমূখ।

উল্লেখ্য, নাসির উদ্দীন তোতার স্ত্রী সামিনা আক্তার হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজের প্রধান সহকারী ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩৬ বছর।

৪ অক্টোবর মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায তার মৃত্যু হয়।

সামিনা আক্তারের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালি জেলায় শশুর বাড়ি ফেনী ছাগলনাইয়া উপজেলায়।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি সমস্যায় ভূগছিলেন। ৬ বছর পূর্বে নাসির-সামিনা দম্পত্তির একমাত্র সন্তান জন্ম নেয়ার পর থেকে কিডনির সমস্যা দেখা দেয়।

সম্প্রতি চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন তার সামিনার দুটি কিডনিই ড্যামেজ হয়ে গেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ইন্ডিয়া নেয়ার ও প্রস্তুতি চলছিল বলে জানা যায়।

খবর বিজ্ঞপ্তির

ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে অনলাইন গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে : ডিসি সামসুল আরেফিন

ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেছেন নব-নিযুক্ত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো: সামসুল আরেফিন। ২৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দের সাথে এক মতবিনিময়কালে তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

জেলা প্রশাসকের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ।

জেলা প্রশাসকের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ।

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের সভাপতি সুলাইমান মেহেদী হাসান ও সাধারণ সম্পাদক এম. মিলাদ উদ্দীন মুন্নাসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিয়কালে সামসুল আরেফিন চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবকে প্রয়োজনীয় সার্বিক সহযোগীতার আশ্বাস দেন। সাংবাদিকদের কল্যানে এ সংগঠনটি প্রত্যাশিত ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যাক্ত করেন ।

বিদায়ের মূহুর্তে জেলা প্রশাসক ও  চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ।

বিদায়ের মূহুর্তে জেলা প্রশাসক ও চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ।

এ সময় চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দ নব-নিযুক্ত জেলা প্রশাসককে অভিবাদন জানান। আগামীতে চট্টগ্রামের উন্নয়ন ও শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসকের অগ্রনী ভূমিকা রাখার আশা প্রকাশ করেন সংগঠন নেতৃবৃন্দ।

খবর প্রেস বিজ্ঞপ্তির

চট্টগ্রামবাসীকে চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের শুভেচ্ছা

চট্টগ্রামবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছে চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাব। সোমবার দেয়া বিবৃতিতে অনলাইন প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ এই শুভেচ্ছা জানান।

যৌথ শুভেচ্ছা বার্তায় চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাব সভাপতি সুলাইমান মেহেদী হাসান ও সাধারণ সম্পাদক এম. মিলাদ উদ্দীন মুন্না বলেন, ত্যাগ-কুরবানির মহান আদর্শ নিয়ে পবিত্র ঈদুল আয্হা আমাদের দ্বারে সমাগত।  ত্যাগই ঈদুল আযহার মূল প্রেরণা। এই প্রেরণা আমাদেরকে হিংসা, বিদ্বেষ, লোভ, লালসা, পাপ-পঙ্কিলতা পরিত্যাগ করার শিক্ষা দেয়। ঈদুল আযহা আমাদেরকে ত্যাগ ও কুরবানির আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বৈষম্যমুক্ত পথ চলার অনুপ্রেরণা যোগায়।

তারা বলেন, ধনী-গরীব, রাজনৈতিক বিভেদ ভূলে পবিত্র ঈদকে সুখময় করে তোলাই হোক আমাদের প্রত্যয়। ঈদের আনন্দকে ঐক্যের সুদৃঢ় বন্ধনে পরিণত করে মুসলিম উম্মাহ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে এটাই আমাদের কামনা। চট্টগ্রামবাসীকে চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে আন্তরিক ঈদ শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

নেতৃদ্বয় চট্টগ্রামবাসীর সুখ, সমৃদ্ধি ও প্রশান্তি কামনায় মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। খবর বিজ্ঞপ্তির

প্রিয় চট্টগ্রাম ও সাঙ্গু সম্পাদকের ওপর হামলায় চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের নিন্দা

চট্টগ্রাম বিভাগের বহুল প্রচারিত দৈনিক প্রিয় চট্টগ্রাম, দৈনিক সাঙ্গু ও জাতীয় দৈনিক বায়ান্নর সম্পাদক কবির হোসেন ছিদ্দিকীর উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ। পাশাপাশি সম্পাদকের উপর হামলাকারী সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

৩১ আগষ্ট দৈনিক প্রিয় চট্টগ্রামে প্রকাশিত হয় চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের বিবৃতি।

                                            ৩১ আগষ্ট দৈনিক প্রিয় চট্টগ্রামে প্রকাশিত হয় চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের বিবৃতি।

হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা না হলে কঠোর আন্দোলনের ঘোষনাও দিয়েছেন এ সংগঠনের নেতারা।

unnamedএক যৌথ বিবৃতিতে চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের সভাপতি সুলাইমান মেহেদী হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক এম. মিলাদ উদ্দীন মুন্না বলেন, ‘কবির হোসেন সিদ্দিকীর উপর হামলাকারীরা যত শক্তিশালীই হোক না কেন তাদের শুধু গ্রেপ্তারই নয়, সমাজ থেকে সন্ত্রাসীদের মূলোৎপাটনে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।’

নেতৃবৃন্দ দ্রুত সময়ে এই সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আইন শৃংখলা বাহিনীর প্রতি আহবান জানান। খবর বিজ্ঞপ্তির

সাংবাদিকতায় হাতে খড়ি : শামসুল আলম স্বপন

সূচনা : সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা । এ পেশার প্রতি দুর্বলতা রয়েছে অধিকাংশ সচেতন মানুষের । সাংবাদিকতা পেশায় যেমন রয়েছে ঝুঁকি, তেমন রয়েছে সম্মান ও রোমাঞ্চ। অপ-সাংবাদিকতা বাদ দিলে যে টুকু থাকে তার সব টুকু আত্মতৃপ্তি পাওয়ার জন্য একটি স্বাধীন পেশা সাংবাদিকতা । আর এই কারনেই সংবাদপত্রকে সমাজের দর্পণ আর সাংবাদিকদের জাতির বিবেক বলে আখ্যায়িত করা হয় । এ ছাড়া সংবাদ পত্র রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবেও স্বীকৃত। একজন সৎ নির্ভিক ও নিরপেক্ষ সাংবাদিক সমাজের কাছে যেমন সমাদৃত তেমন দুর্নীতিবাজ , সন্ত্রাসী , জঙ্গি, চোরাচালানী, মাদকদ্রব্য ব্যবসায়ী ও সমাজ বিরোধীদের কাছে আতংক । প্রয়াত কাঙ্গল হরিনাথ, একালের মোনাজাত উদ্দীন, শামছুর রহমান কেবলসহ অনেককেই উদাহরণ হিসাবে উপস্থাপন করা যায়।

সাংবাদিক হওয়ার যোগ্যতা: সাংবাদিক হওয়ার জন্য শিক্ষার কোন উল্লেখযোগ্য মাপকাঠি না থাকলেও ভাষা ও বানান সম্পর্কে সতর্ক জ্ঞান থাকা আবশ্যক । এ ছাড়া যিনি , সাংবাদিকতার মত ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় নিয়োজিত হতে চান তার থাকতে হবে মানসিক ও শারীরিক যোগ্যতা । একজন সাংবাদিককে হতে হবে মেধাবী , স্মার্ট ও চটপটে । থাকতে হবে যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার মত ধর্য্য , সাহস ও মানসিকতা । ভদ্রোচিত ব্যবহার সাংবাদিকের একটি বিশেষ গুন । সাংবাদিককে নিরপেক্ষ হওয়া বাধ্যতামুলক । এ ছাড়া সাংবাদ সরবরাহকারীদের (সোর্স ) কাছে হতে হবে একজন প্রকৃত বন্ধুর মত বিশ্বস্ত। কোন পরিস্থিতিতেই সংবাদের সোর্সের নাম প্রকাশ করা যাবে না । পরিচ্ছন্ন ও মার্জিত পোষাকও একজন সাংবাদিকের গ্রহণযোগ্য করে তোলে।

সংবাদ সংগ্রহ করবেন কোথা থেকে : সংবাদ সংগ্রহের জন্য রয়েছে অনেক উৎস্য তা হলো:(১) পুলিশ স্টেশন থানা / ডিএসবি/ সিআডি(২) হাসপাতাল(৩) ফায়ার ব্রিগেড (৪) বিমান বন্দর (৫) নদী বন্দর (৬) রেলওয়ে স্টেশন (৭) কাস্টম অফিস (৮) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসসহ সরকারী ও বে-সরকারী সকল প্রতিষ্ঠান(৯) ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী (১০) প্রেসনোট (১১) প্রেস রিলিজ (১২) হ্যান্ড আউট (১৩) সামাজিক সংগঠন (১৪) জেলা প্রশাসন (১৫) উপজেলা প্রশাসন (১৬) ইউনিয়ন পরিষদ (১৭) বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (১৮) বিডিআর (১৯) স্থল বন্দর (২০) এনজিও (২১) সরকারি ও বে-সরকারি অফিসসহ সমাজের ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি হতে পারে সংবাদের সোর্স ও উৎস্য ।

সংবাদ সংগ্রহের জন্য যা থাকা প্রয়োজনঃ সংবাদ সংগ্রহের জন্য একজন সাংবাদিকের থাকতে হবে ঘড়ংব ভড়ৎ ঘবংি অর্থাৎ সংবাদের গন্ধ শুকার মত একটা নাক বা সহজাত প্রবৃত্তি। এর সাথে থাকতে হবে নোটবুক , ক্যামেরা , মিনিক্যাসেট,ফোন, মোবাইল কম্পিউটার , ই-মেইল, বাইসাইকেল কিংবা মটর সাইকেল । দৈনিক বাংলাদেশ বার্তার সম্পাদক প্রখ্যাত সাংবাদিক শ্রদ্ধেয় আবদুর রশীদ চৌধুরীকে বলতে শুনেছি , একজন পেশাদার সাংবাদিকের কাছে আর কিছু না থাক আর না অন্ততঃ একটি কলম থাকা বাধ্যতামুলক । কলম থাকলে জরুারী কোন সংবাদের তথ্য বাম হাতের তালুতেও লিখে রাখা যায়।

কোন কোন বিষয়ের উপর সংবাদ লিখবেনঃ আমাদের চারপাশে আমরা যা প্রত্যক্ষ করি তার অধিকংশই সংবাদের বিষয় হতে পারে। এরপরও নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ের উপর সংবাদ লিখলে তা হতে পারে পাঠকের কাছে বিশেষ গ্রহন যোগ্য । যেমনঃ খুন, ধর্ষন, দুর্নীতি, নারী নির্যাতন, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই , দূর্ঘটনা , অপহরণ, মাদক ব্যবসা, চোরাচালান , সন্ত্রাস , অগ্নিকান্ড , যৌতুক , আইন-শৃংখলা, সমস্যা ও সংকট , পরিবহন, রাস্তা , কালভার্ট , শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিল্পপ্রতিষ্ঠান , রোগ-ব্যাধি,চিকিৎসা, আদালত সংক্রান্ত, ব্যাংক বীমা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, নদ নদী, কৃষি , মৎস্য ও গোবাদী পশু , সংস্কৃতি, ক্রীড়া, বিদুৎ, রাজনৈতিক ইত্যাদি বিষয়ের উপর সংবাদ লেখা যেতে পারে। এছাড়া ব্যক্তি গত , সামাজিক নানাবিধ সমস্যা ও তার উত্তরণের উপর সংবাদ লেখা যেতে পারে। সংবাদ সংগ্রতের জন্য অনেক আগে থেকে সংবাতিকরা একটি সহজ পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকেন । এ পদ্ধতিকে ইংরেজিতে বলা হয় “ফাইভ ডাব্লিউ ওয়ান এইচ ”(৫১িয) । বাংলায় বলা হয় “ষড় ক” ফরমূলা । যেমনঃ (১) কে (২) কবে (৩) কখন (৪) কোথায় (৫) কি ভাবে (৬) কেন?

উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়ঃ র্সোস জানালেন , এক ব্যক্তি খুন হয়েছে। “ষড় ক” ফরমূলায় একজন সাংবাদিক সোর্সের কাছে প্রশ্ন করবেন এই ভাবেঃ (ক) কে খুন হয়েছে (খ) কবে খুন হয়েছে (গ) কখন খুন হয়েছে (ঘ) কোথায় খুন হয়েছে (ঙ) কি ভাবে খুন হলো (চ) কে খুন করলো। প্রশ্ন গুলোর উত্তর সঠিক নিয়মে সাবলীল ভাষায় লিখলেই সংবাদ হয়ে যাবে।

সোর্স নিয়োগে সতর্কতাঃ তিনিই হবেন একজন জনপ্রিয় সাংবাদিক যার রয়েছে সর্বস্তরে সোর্স। তবে সোর্স নিয়োগের ক্ষেত্রে অবলম্বন করতে হবে বিশেষ সতকর্তা। সোর্স নিয়োগের পূর্বে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তার জ্ঞান কতটুকু এবং তিনি ঐ সংবাদের ব্যাপারে কতটা নিরপেক্ষ তা যাচাই করে নিতে হবে। নইলে ভুল তথ্যের জন্য আপনার কষ্ট করে লেখা সংবাদটি গ্রহন যোগ্যতা হারাতে পারে। আবার আপনার সম্পর্কে মানুষের মাঝে জন্মাতে পারে ভ্রান্ত ধারণা।

কি ভাবে সংবাদ লিখবেন : আধুনিক ইলেকট্রনিক্রা যুগে সংবাদপত্রের পুরাতন ধ্যান ধারণা অনেকটা পাল্টিয়েছে। সংবাদ লেখার অনেকটা নিয়ম কানুনেরও ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে । তবে সংবাদ লেখার প্রথমেই ঠিক করে নিতে হবে “সংবাদ শিরোনাম ” সংক্ষিপ্তাকারে চমকপ্রদ বাক্যে লিখতে হবে শিরোনাম । যাতে পাঠকের সংবাদ পড়ার আগ্রহ সৃষ্টি হয়। এরপর লিখতে হবে “সূচনা সংবাদ”। ইংরেজিতে যাকে “ইনট্রো” বলে। সূচনা সংবাদ হলো পুরো সংবাদের সংক্ষিপ্ত সার । সূচনা সংবাদ পড়েই পাঠক বুঝতে পারবে সংবাদের পুরো বিষয়বস্তÍ। সংবাদ লেখার শব্দ ও বাক্য হতে হবে সহজ সরল ও বোধগম্য । ছোট ছোট বাক্যে সাবলীল ভাষায় লেখা হলে পাঠকরা পড়ে স্বস্তি পাবে। সাংবাদটি অবশ্যই তথ্য নির্ভর হতে হবে। অনুমান কিংবা আবেগের কোন স্থান নেই এখানে । সংবাদের মধ্যে যিনি যত বেশী তথ্য সংযোজন করতে পারবেন তার সংবাদটি সোর্সসের কাছে ততবেশী গ্রহণযোগ্য হবে।

বলা যাবে না আজ কোন সংবাদ নেইঃ খুন-খারাবী ,ধর্ষণ ,ত্রাস , নারী নির্যাতন, বোমা হামলা, আত্মহত্যা , অপহরণ , সংঘাত সংঘর্ষ, দূর্ঘটনা,চূরি-ডাকাতি,ছিনতাই, গ্রেফতার, অগ্নিকান্ড, বা কোন ঘটনা না ঘটলে সেদিন আমরা বলে থাকি আজ কোন সংবাদ নেই। একজন পেশাদার সাংবাদিকের জন্য এই কথাটি বড় লজ্জাষ্কর। আমি ট্রেনিং ক্লাসে দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকায় সম্পাদক শ্রদ্ধেয় নাঈমুল ইসলাম খানকে বলতে শুনেছি , যিনি পেশাদার সাংবাদিক তিনি ভুলেও বলতে পারবেন না আজ কোন সংবাদ নেই । প্রতিদিন ঘটে যাওয়া ঘটনাই শুধু সংবাদ নয়। “পৌরসভার ড্রেন পরিস্কার না করার কারনে মশার উপদ্রব বেড়ে গেছে, নাগরিকরা অতিষ্ঠ” ভাবুন তো এটা কি কম গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ?

Shamsul-Alam-Shaponক্রাইম রিপোর্ট লেখার কৌশলঃ ক্রাইম রিপোর্ট সংবাদ পত্রের জন্য একটি গুরুত্ব পূর্ণ বিষয়। ক্রইম রিপোর্ট একজন সাংদিককে রাতারাতি জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে যেতে পারে। আবার ভুল তথ্যের কারণে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক বিড়ম্বনার শিকার হতে পারেন । তাই ক্রাইম রিপোর্ট লেখার আগে সাংবাদিককে চরম সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সর্ব প্রথম যা করতে হবে তা হলো, যার বা যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে যে তথ্য আছে তা গোপনে সংগ্রহ করতে হবে। সম্ভব হলে সকল ডক্যুমেন্ট,(ছবি,পেপার,ভিডিও) নিজ আয়ত্বে আনতে হবে। তথ্য সংগ্রহ করা শেষ হলে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ তার বক্তব্য অব্যশই গ্রহন করতে হবে। (বক্তব্য ক্যাসেট বন্দী করতে পারলে ভালো হয়) কোন কথা বলতে না চাইলে সে কথাও উল্লেখ করতে হবে। সংবাদিকের নিজের কোন কথা সংবাদের মধ্যে সংযোজন না করায় উত্তম। ডক্যুমেন্ট ও সূত্রের কাঁধে ভর করে সংবাদ লিখতে হবে। অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য সংবাদের মধ্যে গুরুত্ব সহকারে লিখতে হবে। প্রতিবেদকের কাছে যদি তার বক্তব্য খন্ডন করার মত উপযুক্ত প্রমান থাকে তাহলে“ প্রতিবেদকের ভাষ্য” হিসেবে তা সংবাদের মধ্যে উপস্থাপন করা বঞ্চনীয়।

সংবাদ লেখা ও প্রকাশের পর সাংবাদিকের করণীয়ঃ সংবাদ লেখার পর কমপক্ষে একবার সংবাদটি ভাল করে পড়তে হবে। বানান ভুল হলে, তথ্য বাদ পড়লে বা বাক্য অসম্পুর্ণ থাকলে তা সংশোধন করে পত্রিকায় পাঠাতে হবে। প্রেরিত সংবাদের ফটোকপি অথবা ই-মেইল অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে। সংবাদটি প্রকাশ হওয়ার পর তা মিলিয়ে দেখতে হবে লেখা সংবাদটি হুবহু ছাপা হয়েছে না কি এডিট কার হয়েছে । যদি এডিট করা হয়ে থাকে তবে পরবর্তীতে সংবাদ লেখার সময় ক্রটিগুলো সংশোধন করা সুবিধা হবে।

ভাল সংবাদিক হওয়ার উপায়ঃ বস্তনিষ্ঠ সংবাদই একজন সাংবাদিককে সমাজের কাছে গ্রহণয্যেগ্য করে তুলতে পারে। এ ক্ষেত্রে নৈতিকতার বিষয়টি অগ্রগন্য । এছাড়া ভাল রিপোর্টার বা ভাল সাংবাদিক হতে হলে নিয়মিত সংবাদ বিষয়ক বই ও পত্রিকা পড়তে হবে । যে সংবাদগুলো তথ্য হিসেবে ভবিষ্যতে কাজে লাগাতে পারে তা সংরক্ষণ করতে হবে। প্রতিদিনের ঘটনা ডাইরীতে লিপিবদ্ধ করতে হবে। সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতার বিষয়ে বই পত্র সংগ্রহ করে তা নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে। সাংবাদিকতার বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে হবে । প্রতিষ্ঠিত সাংবাদিকদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করতে হবে এবং তাদের লেখা সংবাদ অনুস্মরণ করতে হবে।

লেখকের কথাঃ যে সংবাদই লেখা হোক না কেন তা হতে হবে বস্তÍনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ। যিনি সাংবাদিকতার মত মহান পেশায় নিয়জিত করতে চান তার অধ্যবশায়, সততা , সহনশীলতা , নিরপেক্ষতা থাকা অত্যবশ্যক। তাঁকে বর্জন করতে হবে লোভ ও লালসা ।

লেখকঃ

শামসুল আলম স্বপন

সম্পাদক
বিজয় নিউজ ২৪ ডটকম
সভাপতি
বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এসোসিয়েশন (বনপা)
সাধারণ সম্পাদক
জাতীয় অনলাইন প্রেসক্লাব
মহাসচিব
সাংবাদিক কল্যাণ ফাউডেশন (সাকফা)
ষ্টাফ রিপোর্টার
দৈনিক আমাদের সময়।
ফোন : ০১৭১৬৯৫৪৯১৯ / ০১৯১০১০৩০১৬

প্রিয় চট্টগ্রাম সম্পাদকের ওপর হামলায় চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের নিন্দা

৩১ আগষ্ট দৈনিক প্রিয় চট্টগ্রামে প্রকাশিত হয় চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের বিবৃতি।

চট্টগ্রাম বিভাগের বহুল প্রচারিত দৈনিক প্রিয় চট্টগ্রাম, দৈনিক সাঙ্গু ও জাতীয় দৈনিক বায়ান্নর সম্পাদক কবির হোসেন ছিদ্দিকীর উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ। পাশাপাশি সম্পাদকের উপর হামলাকারী সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

১ সেপ্টেম্বর দৈনিক সাঙ্গুতে প্রকাশিত হয় চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের বিবৃতি।

১ সেপ্টেম্বর দৈনিক সাঙ্গুতে প্রকাশিত হয় চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের বিবৃতি।

হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা না হলে কঠোর আন্দোলনের ঘোষনাও দিয়েছেন এ সংগঠনের নেতারা।

unnamedএক যৌথ বিবৃতিতে চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের সভাপতি সুলাইমান মেহেদী হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক এম. মিলাদ উদ্দীন মুন্না বলেন, ‘কবির হোসেন সিদ্দিকীর উপর হামলাকারীরা যত শক্তিশালীই হোক না কেন তাদের শুধু গ্রেপ্তারই নয়, সমাজ থেকে সন্ত্রাসীদের মূলোৎপাটনে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।’

নেতৃবৃন্দ দ্রুত সময়ে এই সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আইন শৃংখলা বাহিনীর প্রতি আহবান জানান। খবর বিজ্ঞপ্তির

সাংবাদিকতা পেশায় আসবো কখনো ভাবিনি : শামসুল আলম স্বপন

১৯৭৯ সাল । কুষ্টিয়া সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আমি তখন হিসাব বিজ্ঞানে (অনার্স) প্রথম বর্ষের ছাত্র। লেখা-লেখি করি শ্রদ্ধেয় আবদুর রশীদ চৌধুরী সম্পাদিত সাপ্তাহিক জাগরণী পত্রিকার সাহিত্য বিভাগ “মৌচাক”-এ। মোজাফ্ফর ভাই তখন সাহিত্য সম্পাদক। আমার লেখা মাত্র ৩টি ছড়ামৌচাকে প্রকাশিত হওয়ার পর লেখা-লেখির প্রতি অনেকটা ঝুঁকে পড়ি। কিন্তু সাংবাদিকতা পেশায় আসবো সেটা ভাবিনি কোন দিন। হঠাৎ খবর পেলাম কম্যুনিষ্ট নেতা কমরেড খোয়াজ উদ্দিন জেল থেকে মুক্তি লাভ করেছেন। দীর্ঘ দিনের রাজনৈতিক সাথী খোয়াজের এই সংবাদটি প্রকাশ করা দরকার।সংবাদ কি ভাবে লিখতে হয় জানিনা তা ।
মনের টানেই লিখে ফেল্লাম খোয়াজ ভাই এর মুক্তির ঘটনা। নিয়ে গেলাম জাগরণী পত্রিকা অফিসে । শুনলাম শ্রদ্ধেয় আবদুর রশীদ চৌধুরী ভারতে গেছেন পশ্চিম বঙ্গের সাহিত্যমোদীদের আমন্ত্রণে । তিনি না ফেরা পর্যন্ত সংবাদটি প্রকাশিত হবে না। মন্টা খারাপ হয়ে গেল । তিনি কবে দেশে আসবেন কেউ বলতে পারলো না। সংবাদটি বাসী হয়ে যাবে । কি করা যায় । তখন মনে পড়লো সাপ্তাহিক ইস্পাত পত্রিকার কথা। কুষ্টিয়ার প্রাণকেন্দ্র মজমপুরে অফিস। সম্পাদক সর্বশ্রদ্ধেয় ওয়ালি উল বারী চৌধুরী । নামটা মনে আসতেই বুকটা দুরু দুরু কেপে উঠলো । শুনেছি উনি অত্যন্ত রাগী মানুষ । কাউকে ছেড়ে কথা বলেন না। ভয় করে না কাউকে। প্রশাসনের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা নাকি বৃহস্পতিবার আসলেই আঁৎকে উঠতেন । না জানি কাকে তিনি ইস্পাত দিয়ে ধরাশায়ী করেছেন।

হুমড়ি খেয়ে মানুষ পড়তেন সাপ্তাহিক ইস্পাত। সেই পত্রিকায় আমার লেখা সংবাদ প্রকাশিত হবে এটা ভাবাও অবান্তর। তবে আমার জানা ছিল অবিসংবাদিত কম্যুনিষ্ট নেতা কমরেড আব্দুল হক কুষ্টিয়ায় আসলে জনাব ওয়ালি উল বারী চৌধুরীর শেল্টারে থাকতেন। সেই ভরসায় গেলাম সাপ্তাহিক ইস্পাত পত্রিকা অফিসে। সালাম দিতেই তিনি জিজ্ঞেস করলেন আগমনের হেতু । পকেট থেকে সংবাদ লেখা কাগজটি বের করে দিলাম। তিনি সংবাদটি পড়েই বল্লেন “গুড”। তোমার নামকি ?বাড়ী কোথায়? কি
করো ? ভয়ে ভয়ে সব জবাব দিলাম। তিনি শান্ত স্বরে বল্লেন এর আগে কি কখনো নিউজ লিখেছো ? জবাব দিলাম না। তিনি বল্লেন তোমার লেখা নিউজটি কাল প্রকাশ হবে । ভালো লিখেছো । যদি মন চায় তুমি এখানে এসো সংবাদ দিও। তোমাদের মত ছেলেদের এ পেশায় আসা দরকার। এর পর তিনি বসতে বল্লেন । পরিচয় করিয়ে দিলেন তৎকালীন বার্তা সম্পদাক আব্দুর রাজ্জাক বিএ’র সাথে । মন্টা খুশিতে ভরে উঠলো।

শুরু হলো সাংবাদিতকতা পেশায় পথ চলা।

তার পর কত দিন কত রাত যে গুরুর সানিধ্যে থেকে সংবাদ লেখা চর্চা করেছি তার কোন ইয়োত্তা নেই। আমার দৃষ্টিতে তিনি এক লৌহ মানব। অন্যায়ের কাছে মাথানত করেননি কোন দিন। যে কারনে একজন জেলা প্রশাসকের বিরাগ ভাজন হয়েছিলেন তিনি । নোটীশকরে বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল পত্রিকাটি । কিন্তু বন্ধ রাখতে পারেননি প্রকাশনা। আইনি লড়ে তিনি প্রকাশনা যেমন অব্যহত রেখেছিলেন তেমন সেই ডিসি’র বিরুদ্ধে মামলা করে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা করিয়েছিলেন। ডিসি সাহেবের মৃত্যুর পর তার সন্তানরা জনাব ওয়ালি উল বারী চৌধুরীর কাছে এসে ক্ষমা প্রাথর্না করে মাফ পায়।

সংবাদপত্র জগতের কিংবদন্তী আলহাজ্ব ওয়ালি উল বারী চৌধুরীকে ফুলের তোড়া উপহার দিচ্ছে সামিহা যারীন ।

সংবাদপত্র জগতের কিংবদন্তী আলহাজ্ব ওয়ালি উল বারী চৌধুরীকে ফুলের তোড়া উপহার দিচ্ছে সামিহা যারীন ।

আজ কুষ্টিয়ায় অর্ধশত পত্রিকার সম্পাদক ও কয়েকশত সাংবাদিক হয় জনাব ওয়ালি উল বারী চৌধুরীর শিষ্য না হয় তাঁর ভাই আবদুর রশীদ চৌধুরীর শিষ্য। কুষ্টিয়াবাসীর জন্য চৌধুরী পরিবারের অবদান কম নয়।

জনাব ওয়ালি উল বারী চৌধুরীর হাতে যারা সাংবাদিকতা চর্চা করেছেন তাদের লেখা সংবাদ পড়লে যে কোন পাঠক বলতে পারবে ওই সাংবাদিক কার শিষ্য । অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা সাংবাদিকরায় মুলত জনাব ওয়ালি উল বারী চৌধুরীর শিষ্য। তিনি শুধু গুরু নন ,কুষ্টিয়ার সাংবাদিকদের অভিভাবকও বটে। ২০০০ সালে পিতাকে হারিয়েছিলাম আমি ।জনাব ওয়ালি উল বারী চৌধুরী পিতৃসেন্হ দিয়ে কৃতজ্ঞতার পাশে আবদ্ধ করে রেখেছেন। যে কারণে তাঁর প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।

তাই দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার ১২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আমি প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের অতিথি না করে আমার গুরুকে এনেছিলাম প্রধান অতিথি করে। আমার কনিষ্ঠ মেয়ে সামিহা যারীনকে দিয়ে ফুলের তোড়া উপহার দিয়েছিলাম আমার গুরুকে। তার সম্পর্কে

লেখার শেষ নেই। তিনি এক জীবন্ত কিংবদন্তী।

আজ আমার গুরু মৃত্যু শয্যায় ।

মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি “হে আল্লাহ সাংবাদিকদের অভিভাবক এই মানুষটিকে তুমি সুস্থ্য করে দাও,এত তাড়াতাড়ি তুমি আমাদেরকে এতিম করো না। প্রয়োজনে তুমি আমার আয়ু দিয়ে আলহাজ্ব ওয়ালি উল বারী চৌধুরীকে
বাঁচিয়ে রাখো আরো দীর্ঘ দিন।” আমীন।

লেখক : প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বনপা ও সাধারণ সম্পাদক জাতীয় অনলাইন প্রেস ক্লাব।