চট্টগ্রামের পাঠকপ্রিয় অনলাইন

শিল্প ও সাহিত্য

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ বাংলা সাহিত্য উজ্জ্বলতম নক্ষত্র- সাতকানিয়া পৌরসভার মেয়র

সিটিজি বাংলা,

 

চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের উদ্যোগে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৭তম প্রয়াণ দিবস স্মরণে বাংলাসাহিত্যের মুকুটহীন সম্রাট রবীন্দ্রনাথ আমাদের বাঙালীর গর্ব ও অস্তিত্বের ঠিকানা শীর্ষক এক স্মারক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

 

৬ আগস্ট সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় সংগঠনের আহবায়ক বাবুল কান্তি দাশের সভাপতি সংগঠনের আন্দরকিল্লাস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

 

এতে প্রধান আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন সাতকানিয়া পৌরসভার মেয়র কবি মোঃ জোবায়ের।

 

সভায় প্রধান আলোচক তার বক্তব্যে বলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক গৌরবজ্জ্বোল সার্থক সাহিত্যিকের নাম। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বটবৃক্ষ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের প্রতিটি শাখা প্রশাখায় সমান দক্ষতার সাথে সাফল্য দেখিয়েছেন। যার হাত ধরে বাংলা সাহিত্য বিশ্বসাহিত্যে একটি অনন্য উচ্চতায় পৌঁছতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি আরো বলেন রবীন্দ্রনাথ এমন একজন সাহিত্যিক যিনি একসাথে তিনটি দেশের জাতীয় সংগীত রচয়িতা। রবীন্দ্রনাথ ছাড়া বাংলা সাহিত্যকে কল্পনা করা যায়না। রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য কর্ম চর্চার মাধ্যমে আমরা নিজেদের আলোকিত  করার সুযোগ পাব।

 

 

 

সংগঠনের সদস্য সচিব আসিফ ইকবালের পরিচালনায় এতে আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন রাজনীতিবিদ ও লেখক হায়দার আলী চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা লেখক কালাম চৌধুরী, শিক্ষাবিদ অজিত কুমার শীল, সংগঠক শওকত আলী সেলিম, পল্লীকবি জসীম উদ্দীন স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষার আহবায়ক রতন দাশগুপ্ত, নারীনেত্রী সোমিয়া সালাম। এতে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগনেতা এড. রোকনুজ্জামান মুন্না, উজ্জ্বল ধর, শিক্ষক সুমন চৌধুরী, রতন ঘোষ, সাখাওয়াত হোসেন, মোঃ ইমন, মোঃ ইমতিয়াজ প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সৃষ্টিকর্মে আজীবন বেঁচে থাকবেন হুমায়ূন আহমেদ

সিটিজি বাংলাঃ

ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার, গীতিকার, চিত্রনাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ এর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও সাহিত্য চর্চা পরিষদের উদ্যোগে গত ১৯ জুলাই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আন্দরকিল্লাস্থ মোজাহের ভবন হলে সংগঠনের সভাপতি মো: সালাহউদ্দিন লিটন’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এম.নুরুল হুদা চৌধুরী’র সঞ্চালনায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্মরণানুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান। প্রধান আলোচক ছিলেন সাতকানিয়া পৌরসভার মেয়র কবি মোহাম্মদ জোবায়ের। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন মুক্তিযোদ্ধা কালাম চৌধুরী, শ্রমিক নেতা এম.এ. ছিদ্দিকুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা স্মৃতি পরিষদের আবদুর রহিম, পটিয়াস্থ আশিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাশেম, ভাস্কর ডি.কে দাশ মামুন, কেন্দ্রীয় যুবলীগ সদস্য জাহেদুর রহমান সোহেল, চন্দনাইশ স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক সেলিম উদ্দিন, পূর্বাশার আলোর সভাপতি নোমান উল্লাহ বাহার, দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নির্বাহী সদস্য অনুপ কান্তি দাশ, দক্ষিণ জেলা কৃষক লীগের সহ-দপ্তর সম্পাদক আবুল হোসেন শুভ, জয় বাংলা শিল্পী গোষ্ঠীর সভাপতি সজল দাশ, সাংবাাদিক কামাল হোসেন, নারীনেত্রী রুমকি সেনগুপ্তা, রোজী চৌধুরী, সমীরণ পাল, আনোয়ারা ছাত্রলীগ নেতা মো: নাঈম উদ্দিন প্রমুখ।
প্রধান অতিথি মফিজুর রহমান বলেন, হুমায়ূন আহমেদ বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরর্বতী সময়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক। আধুনিক বাংলা কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের তিনি পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবেও তিনি সমাদৃত। মুক্তিযুদ্ধোত্তর বাঙালির মধ্যবিত্ত শ্রেণির নতুন বিন্যাস হুমায়ূন আহমেদ যেভাবে উপলব্ধি করেছিলেন সমসাময়িক আর কোনো লেখক তেমন করেননি। তিনি বাঙালির হৃদয়ের স্পন্দন উপলব্ধি করে লিখতেন। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপ প্রধান নতুন শৈলীর জনক। তাঁর বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীতে অন্তর্ভুক্ত। হুমায়ূন আহমেদ এর সৃষ্টিশীল সাহিত্য নতুন প্রজন্মকে আন্দোলিত করবে অনন্তকাল।

চট্টগ্রামে জেলা শিল্পকলা একাডেমীর নির্বাচনে জয়ী হলেন যারা!

সিটিজি বাংলা,

 

 

চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমির কার্যকরী কমিটির নির্বাচনে সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সম্পাদক ও সদস্যপদসহ ১০টি পদে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।

 

২১ জুলাই শনিবার সকাল নয়টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই ভোটগ্রহণ শান্তি পূর্ণ ভাবে আরম্ভ হয়ে শেষ হয়।

 

নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. হাবিবুর রহমান এ বিষয়ে জানিয়েছেন,শিল্প কলা একাডেমী নির্বাচনে সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন দুই জন যথাক্রমে, রনজিৎ রক্ষিত ও জাহাঙ্গীর কবির।

 

সাধারণ সম্পাদক পদে সাইফুল আলম বাবু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে যথাক্রমে মো. মঈন উদ্দিন কোহেল ও মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। সদস্যপদে যথাক্রমে অঞ্চল কুমার চৌধুরী, বাপ্পা চৌধুরী, সাংবাদিক সাইদুল ইসলাম, কঙ্কন দাশ, মোস্তফা কামাল যাত্রা নির্বাচনে জয়ী হন।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমির কার্য নির্বাহী কমিটির নির্বাচনে দশটি পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন ৫১ পদপ্রার্থী। এর মধ্যে সহ-সভাপতির ২টি পদে ৮ জন, সাধারণ সম্পাদক পদে ২ জন, যুগ্ম সম্পাদকের ২টি পদে ৯ জন এবং কার্যকরী সদস্যের ৫টি পদে ৩২ জন পদপ্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।

চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমীর নির্বাচন ২১ জুলাই, ১০ পদে প্রার্থী ৫২ জন

সিটিজি বাংলা:

 

 

 

চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমির কার্যকরী কমিটির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সম্পাদক ও সদস্য পদের মোট ১০টি আসনে ৫২ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।

 

 

১ জুলাই – ৫ জুলাই পর্যন্ত সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মোট ৪টি পদে ৫২ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিল করেন।

 

 

আগামী ২১ জুলাই শনিবার শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গনে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সূত্র।

 

 

একাডেমির নির্বাচনে সহ-সভাপতি পদে ৮ জন, সাধারণ সম্পাদক পদে ৩ জন, যুগ্ম-সম্পাদক পদে ৯ জন এবং কার্যকরী সদস্য পদে ৩২ জনসহ মোট ৫২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

 

 

৪টি পদের প্রার্থীরা জেলা শিল্পকলা একাডেমি কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. হাবিবুর রহমান এবং সদস্য সচিব ও জেলা নির্বাচন অফিসার মো. মুনীর হোসাইন খানের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

এ সময় চান্দগাঁও থানা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ কামরুল আলম ও ডবলমুরিং থানা নির্বাচন অফিসার পল্লবী চাকমা, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবিদা আজাদ ও জহুর আহমদ চৌধুরী ফাউন্ডেশনের পরিচালক শরফুদ্দিন চৌধুরী রাজু উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

আগামী ৯ জুলাই সোমবার রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাছাই এবং আগামী ১২ জুলাই বৃহস্পতিবার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং আগামী ২১ জুলাই শনিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে।

 

নির্বাচনে সভাপতি পদে ২ জন, সাধারণ সম্পাদক পদে ১ জন, যুগ্ম-সম্পাদক পদে ২ জন ও কার্যকরী সদস্য পদে ৫ জন নির্বাচিত হবেন। সভাপতি পদে জেলা প্রশাসক ও কোষাধ্যক্ষ পদে জেলা কালচারাল অফিসার দায়িত্বে থাকবেন। এ দু’টো পদে নির্বাচন হবে না।

 

চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মুনীর হোসাইন খান তথ্য মতে বিভিন্ন পদে প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তারা হলেন:-
সহ-সভাপতি পদে প্রার্থী হলেন- রিজোয়ান রাজন, মউদুদুল আলম, জাহাঙ্গীর কবির, এস কে এস মাহমুদ (আলোক মাহমুদ), রনজিৎ রক্ষিত, তাপস শেখর, সাহাবউদ্দিন আহমদ ও স্বপন কুমার দাশ,
সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হলেন- সাইফুল আলম বাবু, মো. সরোয়ার আমিন ও এ বি এম রাশেদুল হাসান (রাশেদ হাসান)।

 

যুগ্ম-সম্পাদক পদে প্রার্থী হলেন- মো. জামশেদ উদ্দিন, এস এম সাঈদ সুমন, মুহাম্মদ শাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, মুহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, মো. মঈন উদ্দিন কোহেল, কমল দাশ, প্রণব কুমার চৌধুরী, আলাউদ্দিন তাহের ও মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

 

এছাড়া কার্যকরী সদস্য পদে প্রার্থী হলেন- রনজিত কুমার শীল, দেবাশিষ রুদ্র, বাপ্পা চৌধুরী, ইনতেখার আলম মান্না, মো. ইকবাল হোসেন, এ কে এম জয়নাল আবেদীন, মোহাম্মদ আলী, মোস্তফা কামাল যাত্রা, মো. আবদুল মতিন (শাহীন মাহমুদ), উত্তম কুমার বিশ্বাস, মুহাম্মদ সাহিদ এমরান, সাইদুল ইসলাম, এম এ আজাদ ফিরোজী (শাওন পান্থ), জসিম উদ্দিন মিঠুন, নুবুয়াত আরা সিদ্দিকা রকি, হিল্লোল রায়, সামশুল হায়দার তুষার, আ ফ ম মোদাচ্ছের আলী, মো. শহিদুল করিম চৌধুরী নিন্টু, মোহাম্মদ লিপটন, দীপেন কান্তি চৌধুরী, শাখাওয়াত উল্লাহ চৌধুরী সৌরভ, রুবেল দাশ প্রিন্স, প্রবীর পাল, কামরুল আযম চৌধুরী টিপু, জালাল উদ্দিন সাগর, জাহেদ হোসেন, নিশাত হাসিনা শিরীন, অঞ্চল কুমার চৌধুরী, কঙ্কন দাশ, সাজ্জাদ বিন খালেদ সুমন ও দিদারুল ইসলাম।

চট্টগ্রাম বেতার ও টেলিভিশন শিল্পী সংস্থার ইফতার মাহফিল সম্পন্ন

 

সিটিজি বাংলা: চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক সংগঠন চট্টগ্রাম বেতার ও টেলিভিশন শিল্পী সংস্থার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১০ জুন রবিবার নগরীর শিল্প কলা একাডেমী অডিটোরিয়ামে এ ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন করা হয়।

শিল্পী সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন তাহেরের সঞ্চালনায় শেখ শহিদুল আনোয়ারের সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বেতারের আঞ্চলিক পরিচালক এস এম আবুল হোসেন ও বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার নুরুল আজম পবন।

এতে বক্তব্য রাখেন শিল্পী মোস্তফা কামাল, মুক্তিযোদ্ধা ফাহিম উদ্দিন আহমেদ, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন এর বিভাগীয় সা: সম্পাদক সাইফুল আলম বাবু, নজরুল সঙ্গীত শিল্পী সংস্থার সভাপতি মৃণাল ভট্টচায্য, শিল্পী আকতার হোসেন কিরণ, মঞ্চশিল্পী সংস্থার সা:সম্পাদক এডভোকেট কামরুল আযম চৌং টিপু, লোকগীতি সংস্থার সা: সম্পাদক গিরিজারাজবর, গীতিকবি শাহীন মাহমুদ, ইসমাইল মানিক, শিল্পী আকলিমা মুক্তাসহ আরও অনেকে।

মোস্তফা নূর’র কবিতা : ভাষার দেশ

ভাষার দেশ : মোস্তফা নূর

মোস্তফা নূর

আমায় যদি জিজ্ঞাসে কেউ
দেশটি তোমার কোথায়?
বলবো তাকে
ভাষার জন্যে জীবন গেছে যেথায়।

মায়ের ভাষায় কথার দাবী
গর্জে উঠে মুখে
ছাত্র-যুবার কোটি কণ্ঠ
বিপ্লব হানে বুকে।

রাজপথে হয় বুঝাপড়া
জীবন দিয়ে ভাষা
জয় করেছে এমন জাতীর
শ্রমিক মজুর চাষা।

যে দেশটিতে ফেব্রুয়ারী
ফাগুন মাসে আসে।
শহীদ-গাজীর রক্ত মিশে
যে মাটি লাল, হাসে।

স্বপ্ন জাগে স্বাধীনতার
দখিন বাতাস দোলে
জন্ম আমার এমন দেশে
বাংলাদেশের কোলে।

চট্টগ্রাম- ০৯/০৩/১৮ ইং

স্বার্থপর

মোজাম্মেল হিমালয়,

অনেক দিন আগে এক স্বার্থপর লোক ছিলো। অন্যের সম্পদে ভাগ বসানোর জন্যে সে সবসময় সুযোগ খুঁজতো। কিন্তু সে তার নিজের সম্পদের এক আনাও কারো সাথে শেয়ার করতে রাজি ছিলো না-তার বন্ধুদের সাথেও না, গরীবদের সাথেও না।
একদিন লোকটি রাস্তায় তার ত্রিশটি স্বর্ণ মুদ্রা হারিয়ে ফেললো। তার এক বন্ধু তার এই স্বর্নমুদ্রা হারানোর কথা শুনলো। সে আবার ছিলো খুব দয়ালু একজন মানুষ।
ঘটনাক্রমে বন্ধুটির মেয়ে রাস্তায় এই ত্রিশটি স্বর্নমদ্রা কুড়িয়ে পেল। সে বাড়িতে ফিরে এই কথা জানালে তার বাবা বলে যে এটা নিশ্চয় তার বন্ধুর হারিয়ে যাওয়া সেই স্বর্নমদ্রা। তাই সে লোকটির কাছে গেল তাকে মুদ্রাগুলো ফিরিয়ে দিতে।

কিন্তু তার স্বার্থপর বন্ধুটি যখন শুনলো যে তার মেয়ে এই মুদ্রা কুড়িয়ে পেয়েছে তখন সে বললো যে ‘আমার মোট চল্লিশটি স্বর্ণ মুদ্রা ছিলো। তোমার মেয়ে নিশ্চয়ই এখান থেকে দশটি মুদ্রা সরিয়েছে। আমাকে তোমার চল্লিশটি মুদ্রাই দিতে হবে।’
একথা শুনে লোকটি রেগে গেল এবং মুদ্রাগুলো সেখানে রেখে চলে গেল। কিন্তু স্বার্থপর বন্ধুটি ছিলো নাছোরবান্দা। সে বিচার নিয়ে আদালতে।

বিচারক তার অভিযোগ মন দিয়ে শুনলো এবং সেই বাবা ও তার মেয়েকে ডেকে পাঠালো। যখন তাদের নিয়ে আসা হলো তখন সে মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করলো যে সে কতটি মুদ্রা পেয়েছিলো? মেয়েটি জানালো যে ত্রিশটি স্বর্ণমুদ্রা। বিচারক আবার স্বার্থপর লোকটিকে জিজ্ঞেস করলো সে কতটি মুদ্রা হারিয়েছিল? লোকটি জানালো যে ‘মোট চল্লিশটি স্বর্ণ মুদ্রা’।
বিচারক এবার লোকটিকে জানালো যে মেয়েটি যে মুদ্রা কুড়িয়ে পেয়েছে সেগুলো তার নয় কারন মেয়েটি পেয়েছে ত্রিশটি মুদ্রা কিন্তু সে হারিয়েছে চল্লিশটি মুদ্রা। সে মেয়েটিকে এই মুদ্রাগুলো তার সাথে নিয়ে চলে যেতে বললো এবং জানালো যে যদি কেউ জানায় যে ত্রিশটি মুদ্রা হারিয়েছে তবে তাকে আবার ডেকে পাঠাবে।

বিচারক লোকটিকেও বললো যে কেউ যদি খবর দেয় যে সে চল্লিশটি স্বর্ণমুদ্রা পেয়েছে তবে তাকে ডেকে পাঠানো হবে। তখন সাথে সাথে স্বার্থপর লোকটি স্বীকার করলো যে সে মিথ্যা বলেছিলো এবং আসলে সে ত্রিশটি স্বর্ণমুদ্রাই হারিয়ছে। তাই তাকে সেগুলো ফিরিয়ে দেয়া হোক। কিন্তু বিচারক তার কোনো কথাই শুনলো না।
আমাদের যেকোনো পরিস্থিতিতে সৎ থাকতে হবে কারন আপাতদৃষ্টিতে যাই মনে হোক না কেন, দিনশেষে অসৎ ব্যক্তির উপার্জন সর্বদাই শূন্য।

অভিনয়

– মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন

অভিনেতা আঁরা ওভাই গরি যাইর অভিনয়

বাইরে যিবা ছবি দেইক্কুন ইবা আসল ছবি নয়।

হথা-হামে, হাট-বাজারত বউত হথা য়ুইন্নো

যেইসব হথা উইনতা লাইগ্গুন হথার দামতো শূন্য। 

ভিতর বাইরে হইজ্জা চলে বাইরে তঅ হাসি

হাইসতে হাইসতে দিন হাডাইদি যদিও আইয়্যে ফাঁসি।

অভিনয় গরি আঁরা যে যিয়ান্দি আছি

মনর ভিতর হস্ট থাইলেও রঙ্গমঞ্চত নাচি।

উয়রওয়ালা আঁরারে ভাই গইত্তো দিয়ে নাটক

আঁর হথা লই গোস্বা নইয়ুন এ কবিতার পাঠক।।

 

চাটগাঁইয়া ছড়াটি লিখেছেন আনোয়ারার সাংবাদিক মোহাম্মদ  মোরশেদ হোসেন

কবি নজরুলের ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকী

সি টি জি বাংলাঃ

প্রেম, দ্রোহ, সাম্যবাদ ও জাগরণের কবি কাজী নজরুল ইসলাম

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকী রবিবার (২৭ আগস্ট)। বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এ মনীষী ১৯৭৬ সালের এদিনেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়।

জাতীয় কবি নজরুল ১৩০৬ সালের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাক নাম ‘দুখু মিয়া’। বাবার নাম কাজী ফকির আহমেদ ও মাতা জাহেদা খাতুন।

আজ কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠন ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে চাটগাঁইয়া ছড়া : ‘মুজিব আছে’

সিটিজি বাংলাঃ

মুজিব আছে
— মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন
——————————–

বঙ্গবন্ধু মুজিব আছিল্
আইজু আছে মনত্-
মুজিব পুরাই চেতনার নাম
থাইবু অক্কল সমত্।

বেশি মানইনষুর দরহার নাই
উগ্গা মুজিব চাই-
এন্ডে তোয়াই, অন্ডে তোয়াই
আঁর মুজিবতো নাই।

গোডা বাংলা তোয়াইয়েনে
নপাই তোয়ারে-
পঁচাত্তরত হতি গইরলো
মোস্তাক গোঁয়ারে।

এহনতো ডরত আছি
আশপাশে দালাল
তারারে দেই টাহর নপাইবা
হনে হারাম, হনে হালাল।

মুজিব তুঁই মনত আছে
গভীর এক্কান জাগাত্-
তুঁই মনত থাকিবারে
যদিও আইয়্যে আঘাত।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে নিয়ে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় ছড়াটি লিখেছেন আনোয়ারা উপজেলার সাংবাদিক মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন।