চট্টগ্রামের পাঠকপ্রিয় অনলাইন

স্বাস্থ্য

যে সমস্ত খাদ্যাভাস মন খারাপ হওয়া থেকে দূরে রাখবে

সিটিজি বাংলা, স্বাস্থ্য বিভাগ:

মন খারাপ (প্রতিকী ছবি)

মনটা হলো শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান অংশ। কারণ মন খারাপ হলে তার প্রভাব পড়ে আমাদের শরীরেও। দীর্ঘ সময় ধরে ডিপ্রেশনের মতো রোগে ভুগলে ব্রেনে প্রদাহের মাত্রা মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্রেন সেলের মারাত্মক ক্ষতি হয়। আর এমনটা হতে থাকলে অ্যালঝাইমারস, ডিমেনশিয়া এবং পার্কিসনের মতো জটিল মস্তিষ্কঘটিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে আয়ুও কমে চোখে পরার মতো। এমনকি হতে পারে মৃত্যুরও কারণ!

 

এমনকিছু খাবার আছে যা প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় থাকলে মন খারাপ আর কাছে ঘেঁষতেই পারে না। সেই সঙ্গে একাধিক মারণ রোগের প্রকোপ কমাতেও সময় লাগে না।

চলুন জেনে নেয়া যাক, মন খারাপ থেকে দূরে থাকতে চাইলে কোন খাবারগুলো খাবেন-

 

দই খেলে সরোটোনিন হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যা স্ট্রেস কমানোর পাশাপাশি ব্রেন পাওয়ার বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর একবার ব্রেন পাওয়ার বেড়ে গেলে অ্যাংজাইটির মতো সমস্যা তো কমেই, সেইসঙ্গে পড়াশোনাতেও উন্নতি ঘটে।

নারিকেলে উপস্থিত বেশ কিছু উপকারি ফ্যাট শরীরে প্রবেশ করার পর মস্তিষ্কের অন্দরে ফিল গুড হরমোনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে ব্রেন পাওয়ার এতটা বাড়িয়ে দেয় যে স্ট্রেস এবং মানসিক অবসাদের প্রকোপ তো কমেই, সেই সঙ্গে বুদ্ধি এবং স্মৃতিশক্তিরও উন্নতি ঘটে।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফল এবং সবজি মানসিক অবসাদের প্রকোপ কমাতে নানাভাবে কাজে এসে থাকে। শুধু তাই নয়, মন খারাপ, অ্যাংজাইটি এবং ডিপ্রেশনের মতো ভয়ঙ্কর রোগকে দূরে রাখতেও এই উফাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

মাছে উপস্থিত ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন বি, বি৬ এবং বি১২ এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, এই উপাদানগুলি মানসিক অবসাদের মতো রোগের আক্রমণ থেকে বাচ্চাদের বাঁচাতেও নানাভাবে সাহায্য় করে থাকে।

টমাটোতে উপস্থিত লাইকোপেন নামক এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে প্রবেশ করার পর মন খারাপকে সমূলে উৎখাত করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে মানসিক অবসাদের মতো ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে সময় লাগে না।

বাদামে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন বি২, ভিটামিন ই, ম্যাগনেসিয়াম এবং জিঙ্ক। এই সবকটি উপাদান সেরাটোনিন হরমোনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। সেইসঙ্গে শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বার করে দেয়। ফলে কোনোভাবেই স্ট্রেস ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

পাতি লেবু, কমলা লেবু এবং মৌসাম্বি লেবুর মতো সাইট্রাস ফলের শরীরে মজুত রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রকৃতিক সুগার, যা স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ তো কমায়ই, সেই সঙ্গে মানসিক অবসাদকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়।

নিয়মিত ব্রাউন রাইস বা হোল গ্রেনের মতো খাবার খেলে শরীরে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেটের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা নার্ভাসনেস, অ্যাংজাইটি এবং ইনসমনিয়ার মতো সমস্যা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

অতিরিক্ত ব্রয়লার মুরগি খাওয়ার ক্ষতি কি, জেনে নিন

সিটিজি বাংলাঃ
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্রয়লার মুরগি খাওয়ার ঘটনাটি ঘটাতেই হয়। তবে প্রতিদিন প্রতিনিয়ত ব্রয়লার মুরগি খাওয়া আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য একান্ত ক্ষতিকর। প্রতিদিন দুপুরে রাতে সন্ধ্যায় মুরগি খাওয়ার অভ্যাস শরীরের জন্য খুব একটা ভালো নয়। আসুন পাঠক জেনে নেই কীভাবে অতিরিক্ত ব্রয়লার মুরগি আমাদের শরীরের ক্ষতি করে।

১. কাঁচা মাংসে প্রচুর পরিমাণে ব্যাকটেরিয়া থাকে। আর দোকানে যেভাবে একাধিক মুরগিকে এক সঙ্গে রাখা হয় তাতে দু-পাঁচটার শরীরে সেই ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলি প্রবেশ করাটাও অস্বাভাবিক নয়। আর এমনটা যে হয় না, সে কথা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারে কি? শুধু তাই নয়, যখন মুরগী কাটা হয় তখনও জীবিত মুরগির শরীর থেকে কাঁচা মাংসে ব্যাকটেরিয়া চলে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। আর এই জীবাণু যদি আমাদের শরীরে প্রবেশ করে তাহলে আর রক্ষা নেই।

২. পোলট্রিতে বড় করার সময় ব্রয়লার মুরগিদের অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন দেওয়া হয়। ফলে এমন ধরনের মুরগি বেশি খেলে আমাদের শরীরেও অ্যান্টিবায়োটিক রেজিজটেন্স তৈরি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। অর্থাৎ পোলট্রির মুরগি খেলে একাধিক অ্যান্টিবায়োটিক আর কাজ করবে না আমাদের শরীরে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাই ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাবে। ছোটখাটো পেটের রোগ, গ্যাস, অম্বল, সর্দিকাশি, ইনফেকশনের ক্ষেত্রেও অ্যান্টিবায়োটিক আর কাজ করবে না।

৩. কয়েকজন বিশেষজ্ঞের মতো মাত্রাতিরিক্ত ব্রয়লার মুরগি খেলে রক্তে বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। তবে এই যুক্তির স্বপক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

৪. ব্রয়লার মুরগি যেভাবে বড় করা হয় বা তাদের মেটা করার জন্য যে পদ্ধিত অনুসরণ করা হয় তা মোটেই বিজ্ঞানসম্মত নয়। এ ক্ষেত্রে এমন কিছু কেমিক্যাল মুরগির শরীরে ঢোকানো হয়, যা আমাদের শরীরে প্রবেশ করলে নানা রকমের জটিল রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

৫. ব্রয়লার চিকেন খেলে ফুড পয়জনিং হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। একাধিক গবেষণয়া দেখা গেছে প্রায় ৬৭ শতাংশ ব্রয়লার মুরগির শরীরে ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা কোনোভাবেই কিন্তু আমাদের শরীরের পক্ষে ভালো নয়। (সংগৃহীত)

রাত জেগে যেভাবে নিজের সর্বনাশ করছেন আপনি

সিটিজি বাংলাঃ

ইচ্ছাকৃত আর অনিচ্ছাকৃতভাবেই হোক না কেন, ইদানিং রাত জাগাটা এক ধরনের ট্রেন্ড হয়ে গিয়েছে। আমরা এখন রাত জেগে কাজ করি আর ভোর হলে ঘুমাতে যাই। আমরা অনেকেই এখন রাত জেগে কাজ করতে পছন্দ করি।

বিশাল কর্মব্যস্ততার এই ব্যস্ত নগরীতে আমরা এখন ভুলে যাই নিজেদের যত্ন নিতে । যার পরিণতি অল্প বয়সেই বুড়িয়ে যাওয়া সহ নানান জটিলরোগে আক্রান্ত হওয়া।

চলুন জেনে নেওয়া যাক রাতের বেলা না ঘুমালে কিংবা কম ঘুমালে আমরা কী ধরনের অসুবিধার সম্মুখীন হই।

১) ক্ষুধা বেড়ে যায় এবং আপনি বেশি খেতে শুরু করেন। যার পরিণতি হচ্ছে অবেসিটি বা স্থুলতা

২) স্ট্রোক করার ঝুঁকি চারগুণ বেড়ে যায় ।

এছাড়াও অন্যান্য হৃদরোগের ঝুঁকিও বেড়ে যায় ।

৩) টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

৪) মস্তিষ্কের টিস্যু নষ্ট হওয়া শুরু হয়।

৫) ধীরে ধীরে স্মৃতিশক্তি হ্রাস পেতে শুরু করে।

৬) অ্যাসিডটি যেটা পরবর্তীতে পাকস্থলীতে আলসারে রূপ নেয় ।

৭) কর্মের ধারাবাহিকতা বিপর্যস্ত হয় এবং কর্মচঞ্চলতা হ্রাস পায় ।

৮) কোন ব্যাপারে পূর্ণ মনোযোগ দেয়াটা প্রায় অসম্ভব ব্যাপার হয়ে যায় ।

৯) সারাদিন একটা ক্লান্তি অনুভুতি হয় ।

১০) গ্যামিট কম তৈরি হয় । ফলে রিপ্রোডাকশন সিস্টেমের ফার্টিলিটি কমে যায় ।

১১) উচ্চ রক্তচাপ বেড়ে যায় ।

১২) চোখের নিচে ডার্ক সার্কেল পড়ে ।

১৩) ত্বকে ছোপ ছোপ দাগ পড়ে এবং ত্বকের রঙ নষ্ট হয়ে যায় ।

১৪) চামড়া দ্রুত কুঁচকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে ।

১৫) মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায় ।

১৬) সারকোপেনিয়া হবার প্রবণতাও বেশি দেখা

যায়। সারকোপেনিয়া হলো এমন এক জটিলতা যাতে রোগি ধীরে ধীরে পেশী হারাতে থাকেন ।

১৭) নারীদের মাঝে মেদবহুল পেট এবং মেটাবলিক সিনড্রোম হতে দেখা যায় বেশি।

১৮) স্তন ক্যান্সার এবং প্রস্টেট ক্যান্সারের মতো ক্যান্সারের কোষ দেহে গঠন হয়ে থাকে অতিরিক্ত রাত জাগার কারণে !

অনেকদিন তারুণ্য ধরে রাখতে ঘুমের কোন বিকল্প নেই । নিয়ম মেনে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমালে শারীরিক এবং মানসিকভাবে খুব সহজেই সুস্থ্য থাকা যায় । যাদের ঘুমের সমস্যা হয় অথবা রাতের বেলা আগে আগে ঘুমুতে পারেন না তাদের জন্য কিছু টিপস :

ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে রাতের খাবার পর্ব চুকে ফেলুন ।
অতিরিক্ত মশলা জাতীয় খাবার পরিত্যাগ করুন।
রাতের বেলা শোয়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগেই সব ধরনের ইলেকট্রিক গ্যাজেট ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন ।
হাতমুখ এবং পা ধুয়ে বিছানায় যাওয়ার চেষ্টা করুন।
সম্ভব হলে ঘুমানোর আগে গোসল করে নিন ।
আর সুন্নাত হচ্ছে ঘুমের পুর্বে অযু করে ঘুমানো!
এক ঢিলে দুই পাখি, সওয়াবও পাচ্ছেন আবার ঘুমটাও চমৎকার হচ্ছে। বেশ ইন্টারেস্টিং ব্যাপার তাইনা?
বিছানায় শোয়ার আগে এক গ্লাস পানি খেয়ে নিন ।
শোয়ার ঘর সম্পূর্ণ অন্ধকার করে ঘুমানোর অভ্যাস করুন । আর রাসুল সা.-ও বলেছেন ঘুমানোর আগে বাতি নিঁভিয়ে ঘুমাতে।
অনেকেরই জেনেটিক্যালি ঘুমের অসুবিধা থাকে ।
যাদের এই ধরনের অসুবিধা আছে তারা অনতিবিলম্বে ডাক্তারের পরামর্শ নিন ।
আরো বড় কথা “রাসুল সা. এর সুন্নত হচ্ছে এশার নামাজের পর যত দ্রুত সম্ভব ঘুমিয়ে যাওয়া”।

১৪ জুলাই ক্যাম্পেইনে ৫ লক্ষাধিক শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে

সিটিজি বাংলা,

 

 

আগামী ১৪ জুলাই শনিবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সারাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। এরি ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে (স্থায়ী/অস্থায়ী) ১ হাজার ২৮৮টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা ৫ লক্ষাধিক শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

 

 

৪ জুলাই বুধবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) কে বি আবদুচ ছাত্তার মিলনায়তনে এক অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

 

 

তিনি বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল শুধুমাত্র অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব থেকে শিশুদের রক্ষা করে তাই নয়, এটি ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল ও জটিলতা কমায় এবং সর্বোপরি শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করে। বাংলাদেশের শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ প্লাসের অভাবজনিত সমস্যা দূরীকরণে এ কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করতে হবে।

সিটিমেয়র এ কর্মসূচি সম্পর্কে ব্যাপক জন সচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রচার-প্রচারণার ওপর জোর দিয়ে বলেন, নগরের সকল মানুষ যাতে এ কর্মসূচি সম্পর্কে অবহিত হতে পারে, সে লক্ষে মসজিদ, মন্দির, গীর্জা ও ধর্মীয় উপাসনালয়ে পত্র প্রেরণ, ব্যাপক মাইকিং, বিজ্ঞপ্তি ও ক্যাবল নেটওয়ার্কে প্রচারসহ সবধরনের প্রচার-প্রচারণার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

এছাড়া বস্তি এলাকায় বসবাসকারী কোন শিশু যাতে এ কর্মসূচি থেকে বাদ না পড়ে সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়ারও আহ্বান জানান।

 

 

চসিক শিক্ষা-স্বাস্থ্য স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ও ২৪ নং কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউকের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি চসিকের সচিব মোহাম্মদ আবুল হোসেন ও কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব ছিলেন। এছাড়া সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. এ কে এম আজাদ জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উপকারিতা সম্পর্কে পাওয়ার পয়েন্টে প্রেজেন্টেশন করেন।

 

চসিকের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলীর সঞ্চালনায় সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আক্তার চৌধুরী।

তিনি জানান, ক্যাম্পেইন এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৮০ হাজার শিশুকে একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৪ লাখ ৩০ হাজার শিশুকে একটি উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ট্যাবলেট খাওয়ানো হবে।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদযাপনকালে সকল শিশুকে অবশ্যই ভরা পেটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো এবং নিকটস্থ টিকা কেন্দ্রে নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য সকল পিতা-মাতা ও অভিভাবকদের অনুরোধ জানান।