চট্টগ্রামের পাঠকপ্রিয় অনলাইন

চাটগাঁ শহর

ডা. কাজী রফিকুল হকের ইন্তেকাল

নিউজ ডেস্ক

ডা. কাজী রফিকুল হক (১৯৪৪-২০১৯)

ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চট্টগ্রাম (ইউএসটিসি) এর এনাটমী বিভাগের প্রধান প্রো-ভিসি ডা. কাজী রফিকুল হক ইন্তেকাল করেছেন। আজ ২১ জুন শুক্রবার সকাল ৯ টা ৩০ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন।

আগামিকাল (২২ জুন) শনিবার সকাল ১০টায় ইউএসটিসি প্রাঙ্গনে রফিকুল হকের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তান সহ অসংখ্য আত্মিয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

অধ্যাপক ডা. কাজী রফিকুল হক (পি.এইচ.ডি) ১৯৪৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারী চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের সারিকাইতে ঐতিহ্যবাহী কাজী পরিবারে জন্মগ্রহন করেন।

১৯৫৪ সালে সারিকাইত প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে নোয়াখালী জেলার অধীনে সন্দ্বীপ সার্কেলে সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় নোয়াখালী জেলায় প্রথম স্থান অর্জন করেন তিনি।

১৯৫৯ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে পূর্ব পাকিস্থান মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ম বিভাগে পাশ করেন।

১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ থেকে আই.এস.সি পাশ করেন তিনি। ১৯৬৭ সালে ঢাকা ম্যাডিকেল কলেজ থেকে তিনি এম.বি.বি.এস পাশ করেন।

১৯৬৮ সালের ১জানুয়ারী সরকারি হেলথ সার্ভিসে এনাটমী বিভাগে জুনিয়র শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন ডা. কাজী রফিকুল হক। ১৯৭২ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম ম্যাডিকেল কলেজে এনাটমির জুনিয়র শিক্ষক, সিনিয়র শিক্ষক ও সহকারী প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এরপর সরকারি ডেপুটেশনে লিবিয়াতে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত সুনামের সাথে কর্মরত ছিলেন তিনি।

১৯৯৩ সালের শেষের দিকে দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধুর চিকিৎসক ডা. নূরুল ইসলামের অনুরোধে ১৯৯৪ সালের ১ জানুয়ারী ইউ.এস.টি.সি‘তে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে এনাটমি’র বিভাগীয় প্রধান হিসেবে যোগদান করেন।

ইউ.এস টি.সি- তে তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মেয়াদে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, কোষাধ্যক্ষ, প্রো-ভিসি (এ্যাক্টিং), ভিসি (এ্যাক্টিং) সহ প্রায় ২৪ বছর এনিটমির বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পাশাপাশি তিনি ইউ.এস.টি.সি পরিচালনাধীন বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল হাসপাতালে ক্রান্তিকালে ডি.জি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রফিকুল হক।

তিনি প্রায় ৫০ বছর এনাটমী’র শিক্ষক ছিলেন। ইউ.এস. টি.সি আলোকিত হওয়ার পেছনে জাতীয় অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলামের ঘনিষ্ঠজন ডা. কাজী রফিকুল হকের অবদান অপরিমেয়।

তিনি ‘Global conjoint twins there ambrayological back ground natural, history and ethical except of surgical separation’ বিষয়ে PHD অর্জন করেন।

ডা. কাজী রফিকুল হকের ইতোমধ্য ৬টি পুস্তক প্রকাশিত হয়েছে। বই গুলো হল-
১/হিস্ট্রোলজী
২/অস্ট্রেলজী
৩/সংযুক্ত জমজের জীবন কাহিনী
৪/হ্রদযন্ত্র
৫/সারপ্রেস এনাটমী ও
৬/নবী করিম (স:)- এর জীবন কাহিনী।

ডা. রফিকুল হক বিনামুল্যে বা নামমাত্র মুল্যে হাজার হাজার গরীব-অসহায় মানুষজনকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে মানবতার কল্যানে নিয়োজিত ছিলেন আমৃত্যু।

# আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। সেই সাথে মানবতার কল্যানে তার চিকিৎসা সেবাকে আল্লাহপাক যেন তার নাজাতের ওসিলা করেন। আমিন।।

তথ্যসূত্র: মুকতাদের আজাদ খান ও কাজী জিয়া উদ্দিন সোহেল

চট্টগ্রামে চেক প্রতারণার মামলায় ব্যবসায়ীর সাজা

 

চেক প্রতারণা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গোলাম মোস্তফা

 

চট্টগ্রামের চেক প্রতারণা মামলায় জহুর হকার্স মার্কেটের এক ব্যবসায়ীকে দশ মাসের সাজা প্রদান করেছে আদালত।

 

২১ মে দুপুরে চেক প্রতারণার ১টি মামলায় চট্টগ্রামের মহানগর দায়রা জজ আদালতে এ সাজা প্রদান করে। এছাড়াও চেকের সম পরিমান ৭৫০০০০ টাকা অর্ত ডন্ড প্রদান করে ওই ব্যক্তিকে বলে নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবি এডভোকেট হেলাল উদ্দিন।

 

ওই ব্যবসায়ীর নাম গোলাম মোস্তফা। আল-মোস্তফা ফ্যাশন নামে ১১ নং গলি জল্হর হকার্স মার্কেট তার দোকানের ব্যবসায়িক পার্টনার ব্যবসায়ী মোঃ বাবুল এ চেক প্রতারণা মামলাটি করেন। ব্যবসায়ী গোলাম মোস্তফা সাতকানিয়া পৌরসভা ১নং ওয়ার্ডের কালা চাঁদপাড়ার মৃত মোজাহের মিয়ার পুত্র বলে জানা গেছে।

 

জানা গেছে, ব্যবসার কথা বলে ব্যবসায়ী মোঃ বাবুল হতে নগদ বিশ লক্ষ টাকা অর্থ গ্রহণ করেছিলেন ব্যবসায়ি গোলাম মোস্তফা। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে দিতে না পারায় তিনি ওই টাকার সম পরিমাণ কয়েকটি চেক প্রদান করেন ব্যবসায়ি মোঃ বাবুলকে।

পরবর্তীতে প্রত্যেকটি চেক ডিজ অর্নার হওয়ার পর টাকা ফেরত না দেওয়ায় মোঃ বাবুল আদালতে চেক প্রতারণা মামলা করেন এন.আই এ্যাক্টের ১৩৮ ধারায়। যার মামলা নং ৭৪৪/১৮ ইং। দীর্ঘ দিন মামলা চলার পর আদালত এসব চেকের একটিতে দশ মাসের সাজা প্রদান ও চেকের সমপরিমাণ অর্থদন্ড প্রদান করেন।

 

নগরীতে `ঈদ ফ্যাশনিস্ট ফেয়ার-২০১৯‘ অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম নগরীতে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগাম `ঈদ ফ্যাশনিস্ট ফেয়ার-২০১৯‘ সম্পন্ন হয়েছে। ৩১ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল তিনদিনব্যাপী নাসিরাবাদস্থ জিনোরেইন কনভেনশন সেন্টারে এ ফেয়ার অনুষ্ঠিত হয়।

অনলাইন গ্রুপ বিউটিফুল ইউ ও মেহেদী সাজ আগাম এই ঈদ ফেয়ারের আয়োজন করে।

এতে অংশগ্রহণ করে নারী উদ্যোক্তাদের সহযোগী আরও ৩০ টি  অনলাইন গ্রুপ।

মেলার উদ্বোধন করেন টুরিস্ট পুলিশ চট্রগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মুহাম্মদ মুসলিম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন সীতাকুণ্ড সমিতি চট্রগ্রাম এর সাবেক সভাপতি লায়ন মোঃ গিয়াস উদ্দিন, চট্টগ্রাম ফটোগ্রাফি সমিতির সাবেক সভাপতি ও আন্তর্জাতিক ফটোগ্রাফি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র `পাঠশালা‘ চট্টগ্রামের কর্ণধার লায়ন শওকতুল ইসলাম, সীতাকুণ্ড সমিতির সহ-সভাপতি লায়ন কাজী আলী আকবর জাসেদ, মুক্তিযোদ্ধা ও কবি শুক্কুর চৌধুরী প্রমূখ।

প্রতিদিনি সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা অবধি অনুষ্ঠিত মেলায় চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন নারী উদ্যোক্তা সংগঠক এবং অংশগ্রহণকারী গ্রুপ সমুহের এডমিনসহ বিপুলসংখ্যক গ্রাহক দর্শনার্থী উপস্থিত ছিলেন।

মেলার সমাপনী দিনে চট্টগ্রামের সেরা ফ্যাশন মডেলদের অংশগ্রহণে চমৎকার ফ্যাশন প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। যা উপস্থিত সবার তুমুল করতালিতে প্রশংসিত হয়।

মেলার মুল আয়োজক বিশিষ্ট ফ্যাশন ডিজাইনার, বিউটিশিয়ান ও অনলাইন ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা সুহা শবনম সিটিজি বাংলাকে জানান, আসন্ন ঈদ বাজারকে লক্ষ্য করেই এ আয়োজন। আগে মানুষ অতটা ফ্যাশন সচেতন ছিল না, কেবল ভারত হতে আমদানীকৃত কিছু পোশাক ঘিরেই ছিল ঈদ বাজার।

বর্তমানে মানুষের সচেতনতা ও আগ্রহ বেড়েছে, পাশাপাশি স্থানীয় নারী উদ্যোক্তারা নুতন নুতন ফ্যাশন ভাবনা নিয়ে এগিয়ে এসেছেন। মার্কেট হতে তুলনামূলক কম দামে পছন্দের পোষাকটি অনলাইনে ঘরে বসেই সংগ্রহ করতে পারছেন। এই মেলা সবার মাঝে সেই ধারনাটি আরো বিস্তৃত ভাবে তুলে ধরায় সহায়ক হবে বলেই মনে করি। তিনি সার্বিক সহযোগিতার জন্য অতিথিবৃন্দ এবং মিডিয়াসহ সবাইকেই ধন্যবাদ জানান।

উল্লেখ্য, উদ্যোক্তা সুহা শবনম সীতাকুণ্ডের বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ও কবি শুক্কুর চৌধুরীর একমাত্র কন্যা।

“মুক্তিযোদ্ধা’র ভাষণ” : শুক্কুর চৌধুরী

শুক্কুর চৌধুরী- মুক্তিযোদ্ধা, কবি, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবাধিকারকমী, সেচ্ছায় অবসরপাপ্ত সরকারী চাকুরীজীবী

সম্মানিত সভাপতি এবং যত গুণী খ্যাতিমান
আছেন আরো যারা যারা মঞ্চে সমাসীন
এবং সন্মুখে আছেন যে কজন
সবাইকেই বিনীত সালাম নিবেদন।

আমি নগন্য মুক্তিযোদ্ধা
দিয়েছেন একটি সনদ জীবিকা ভাতা
সাংবৎসর থাকি উপেক্ষিত,
স্বাধীনতা ও বিজয় দিবস যখন
হটাৎ বেড়ে যায় আদর যতন
কিছু উপটোকন এবং অযত্নে মঞ্চের কোনে আসন,
বুঝতে পারিনা আমাদের সম্বর্ধনা
নাকি দাম্ভিক নেতাদের সুশোভিত উদযাপন !

ভাষা ভোট ভাত গনতন্ত্রের যত অধিকার
আমরাই জনগণ সর্বত্রই ছিলাম সোচ্চার !
. স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছি
যারা মরে বেচেঁ গেছে ওরা ত্রিশলক্ষ,
যারা বেচেঁ ফিরেছি তারা সব বিরুপাক্ষ !

সন্মানিত সুশীল সুধীজন
মুক্তিযুদ্ধের এই যে পারলৌকিক যত্তোসব আয়োজন
এখানে অবহেলিত অধমদের উপস্থাপনের খুব কি প্রয়োজন !

আমরা কি এইসব দিনের জন্য করেছি যুদ্ধ
করেছি মিটিং মিছিল হরতাল অবরোধ
আন্দোলন এবং অবশেষে মুক্তিযুদ্ধ প্রতিরোধ,
আমরা চেয়েছি মুক্তি সাম্য সমঅধিকার
আমরা চেয়েছি গনতন্ত্র শান্তি প্রগতি শোষণমুক্তি ন্যায় বিচার।

এতদিনে বুঝেছি আপনারা আমাদের স্বপ্নের সারথী নন
সন্মানিত উপস্থিতি এখানে স্বাধীনতার ইতিহাস জানেন কজন !
সেটুকুন জানার সময় কারোই যেন নাই
তাইতো মুক্তিযুদ্ধে কার কতখানি অবদান খুঁজেন নাই
সবাই সর্বত্র অযথা দেশপ্রেমের ফাকাঁ বুলি আওড়াই,
কেউ বলেন না স্বাধীন দেশের লক্ষ্য গন্তব্য কোথায়
দিনমান ব্যাস্ত থাকেন পারস্পরিক দোষারোপ নিন্দায় !

যেখানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাই কেউ করেনা ধারণ লালন
সেখানে কেন মিছেমিছি মুক্তিযোদ্ধাদের সভা মঞ্চে এনে ভাঁড়ের অলংকরণ !!!

@ শুক্কুর চৌধুরী * চট্রগ্রাম।

প্রকাশিত হতে যাচ্ছে ‘প্রজাপতির ডানায় পদাবলি ‘

নিজস্ব প্রতিবেদক :অল্প কিছুদিন পরই ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে গোটা জাতির মধ্যেই তখন থাকে শোকের আবহ।আর এ ফেব্রুয়ারি মাসেই বাংলা একাডেমি প্রান্তরে ‘অমর একুশে বইমেলা’ চলে মাসব্যাপী। বইমেলায় মিলন ঘটে নবীন পুরাতন লেখকদের।ইতোমধ্যেই লেখক পাড়া আর প্রেসের কর্মব্যস্ততা জমে উঠেছে।তবে বইমেলার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ নবীন লেখকদের বই প্রকাশ।

এবারের বইমেলায় প্রকাশিত হতে যাচ্ছে চট্টগ্রামের উদীয়মান কবি বিভা ইন্দুর দ্বিতীয় কবিতার বই ‘প্রজাপতির ডানায় পদাবলি ‘।
বিভা ইন্দুর লেখালেখির হাতেখড়ি কৈশোরে।কবিতা লেখার পাশাপাশি গদ্য রচনায় ও সিদ্ধহস্ত।বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে তার প্রকাশিত লেখার ভূয়সী প্রশংসা রয়েছে পাঠকসমাজে।সংস্কৃতিমনা বিভা ইন্দুর অবসর সময় কাটে বিভিন্ন সাহিত্য আড্ডা কিংবা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে।ইতোমধ্যে তার লেখা কবিতাগুলো পাঠক সমাজে অনন্য আবেদন তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের কৃতি শিক্ষার্থী বর্তমানে চট্টগ্রামেরর একটি স্কুলে শিক্ষকতা করছেন।তার কবিতার বই ‘প্রজাপতির ডানায় পদাবলি’ পাঠক সমাজে আলোড়ন তৈরি করতে সক্ষম হবে বলে মনে করেন বিভিন্ন কবি সাহিত্যিক।

কাউন্সিলর মোরশেদ আকতার চৌধুরীর জন্মদিন পালন

আজ ২৫ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ১১ নং সরাইপাড়া ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোরশেদ আকতার চৌধুরীর ৪৩তম জন্মদিন।

এ উপলক্ষে রাতে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের নিয়ে কেক কেটে জন্মদিন পালন করেন তিনি।

এসময় নেতা-কর্মীরা হৈ-হুল্লোড় করে প্রিয় নেতার জন্মদিনে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

মোরশেদ আকতার চৌধুরী এসময় সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। যিনি সুস্থতার সাথে আমাদেরকে বেঁচে থাকার তৌফিক দিয়েছেন।

একই সাথে জন্মদিনে যারা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

পিইউডিএস বিপি ক্যাজুয়েল সিজন থ্রি সম্পন্ন

মু. মেহেদি রহমান :প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় বিতর্ক সংগঠন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি আয়োজিত জাতীয় ইংরেজি বিতর্ক প্রতিযোগিতা “বিপি ক্যাজুয়েল সিজন থ্রি ২০১৮” এর গ্র্যান্ড ফিনালে ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গতকাল শনিবার নগরীর প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের জিইসিস্থ ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি আরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষক দেশবরেণ্য অধ্যাপক ও সাহিত্যিক ড. মোহীত উল আলম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মোহীত উল আলম বলেন, “সঠিক উপায়ে বিতর্ক করার মাধ্যমে সহিংসতার সম্ভাবনা কমিয়ে আনা যায়। বিতর্কের মাধ্যমে আমরা অনেক সমস্যার সমাধান খুঁজে নিতে পারি।”

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি এর চীফ মডারেটর মিসেস জুলিয়া পারভীন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সম্মানিত সহকারী ডীন মঈনুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির মডারেটরবৃন্দ সঞ্জয় বিশ্বাস,সাইফুদ্দিন মুন্না ও হিল্লোল সাহা।

গতকাল ২৩ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া উক্ত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সারাদেশের ২৮ টি বিতর্ক দল শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের লক্ষে লড়াইয়ে সামিল হয়।

প্রতিযোগিতায় দুটি ক্যাটাগরি দলগুলো অংশগ্রহণ করে। নোভাইস গ্রুপে বিজয়ী দল চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও রানারআপ দল চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ। ওপেন ক্যাটাগরিতে
বিজয়ী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও রানারআপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিবৃন্দ প্রতিযোগীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন।

চট্টগ্রামে বন্ধুর বাসা থেকে গ্রেফতার এহসানুল হক মিলন

সিটিজি বাংলাঃ

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, চাঁদপুরের কচুয়ার সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।  আজ শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নগরীর চকবাজার থানার ৪৫২ চট্টেশ্বরী রোডের “মমতাজ ছায়ানীড়” নামে একটি বাসা থেকে চাঁদপুর ও সিএমপির গোয়েন্দা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে চাঁদপুর নিয়ে যাচ্ছে।

চাঁদপুর এডিশনাল এসপি মিজানুর রহমান এহসানুল হক মিলনকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানাগেছে, চাঁদপুর জেলা ডিবি’র ওসি মো. মামুন এর নেতৃত্বে গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম চট্টগ্রামে আসে। তাদের সাথে যোগ দেন চট্টগ্রাম নগর ডিবির একটি  ৩ সদস্য। রাত আড়াইটার দিকে প্রায় ১০/১২ সদস্যের গোয়েন্দা দল নগরীর চট্টেশ্বরী একটি বাসায় বিএনপি নেতা এহসানুল হক মিলনের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে ওই বাসা ঘেরাও করে।  ৪৫২ চট্টেশ্বরী রোডের ওই বাসার মালিক শাহ আলম বিএনপি নেতা এহসানুল হক মিলনের বন্ধু। এই বাসায় মিলন বেশ কয়েকদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন বলে পুলিশ জানায়।

পুলিশ বাড়ীর মালিক শাহ আলমকেও আটক করেছে বলে তার স্ত্রী সাইকা আলম অভিযোগ করেন।

বাড়ীর ম্যানেজার শাহ আলম জানান, রাত আড়াইটা থেকে পুলিশ ওই বাসার গেইট খোলার জন্য বার বার অনুরোধ করার পরও প্রথমে গেইট খোলা হয়নি। পরে ভোর রাত ৪টার দিকে পুলিশ গেইট ভাঙ্গার চেষ্টা করলে খুলে দেয়া হয় ভীতর থেকে। এর পর পরই পুলিশ সাবেক মন্ত্রী মিলনকে আটকের কথা জানালে তিনি ৩০ মিনিট সময় চেয়ে গোসল করে নামাজ পড়েন। পরে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পুলিশ মিলনকে নিয়ে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। সূত্রঃ পাঠক নিউজ

চট্টগ্রামে প্রেমে ব্যর্থ হয়ে ছাত্রীর মাকে হত্যা, গৃহশিক্ষক আটক

চট্টগ্রাম মহানগরীর আকবরশাহ এলাকায় শাহীনা বেগম (৩৫) নামে এক নারীকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ের গৃহশিক্ষক শাহজাহানকে আটক করেছে পুলিশ।

২০ নভেম্বর মঙ্গলবার বিকালে নগরীর আকবরশাহ থানার বিশ্ব কলোনি বেড়া মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় আহত হয়েছে শাহীনা বেগমের স্বামী ও দেবরকে কুপিয়ে আহত করেছে শাহজাহান।

আকবর শাহ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জসিম উদ্দিন এ খবর নিশ্চিত করে বলেন, ঘাতক শাহজাহানকে আটক করা হয়েছে।

তিনি জানান, নিহতের মেয়েকে বাসায় এসে পড়াতো। এই সুযোগে ছাত্রীর সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। বিষয়টি পারিবারের জানাজানি হলে তাকে গৃহশিক্ষক থেকে বাদ দেয়া হয় এবং তাদের বাড়ীতেও আসতে নিষেধ করা হয়। কিন্তু শাহজাহান নিষেধ অমান্য করে তাদের বাড়ীতে আসলে নিহতের স্বামী তাকে মারধর করে। এঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে শাহজাহান শাহীনাকে কুপিয়ে হত্যা করে।

প্রকাশিত হতে যাচ্ছে ত্রৈমাসিক আলোকপত্রের তৃতীয় সংখ্যা

বিস্তারিত »